এইচএসসি ২০২৪ বাংলা ২য় প্রশ্ন ও সমাধান (ঢাকা বোর্ড)

HSC 2024 Dhaka Board bangla 2nd paper question & solution

এইচএসসি ঢাকা বোর্ড ২০২৪ বাংলা ২য় পত্র প্রশ্নসহ উত্তর মালা (ব্যাকরণ অংশ)

ক-বিভাগ (ব্যাকরণ অংশ)
মান: ৩০

১. ক) ‘য-ফলা’ উচ্চারণের পাঁচটি নিয়ম উদাহরণসহ লেখ। ০৫

‘য-ফলা’ উচ্চারণের পাঁচটি নিয়ম:
ক. য-ফলা শব্দের শুরুতে থাকলে এবং পরের বর্ণে ‘আ-কার’ থাকলে য-ফলার উচ্চারণ ‘অ্যা’ এর মতো হয়। যেমন: ব্যথা (ব্যাথা)।
খ. য-ফলা শব্দের শুরুতে থাকলে এবং পরের বর্ণে ‘ই/ঈ-কার’ থাকলে য-ফলার উচ্চারণ ’এ-কার’ হয়। যেমন: ব্যতীত (বেতিতো), ব্যতিক্রম (বেতিক্ ক্রোম্)।
গ. য-ফলার সঙ্গে আ-কার যুক্ত থাকলে দুইয়ে মিলে ‘অ্যা’ এর মতো হয়। যেমন: ত্যাগ (ত্যাগ্), ধ্যান (ধ্যান্)।
ঘ. শব্দের মাঝখানে বা শেষে য-ফলা যে বর্ণের সঙ্গে যুক্ত থাকে ঐ বর্ণের উচ্চারণ দ্বিত্ব হয়, যেমন: উদ্যম (উদ্‌দম্), গদ্য (গোদ্ দো)।
ঙ. কিন্তু শব্দের মধ্যে বা শেষে যুক্তব্যঞ্জনের সঙ্গে থাকা ‘য-ফলা’র কোনো উচ্চারণ হয় না, যেমন: সন্ধ্যা (শোন্ ধা), স্বাস্থ্য (শাস্ থো), অর্ঘ্য (অর্ ঘো)।

খ) যে কোনো পাঁচটি শব্দের উচ্চারণ লেখ:
প্রদত্ত শব্দ = উচ্চারণ
নদী=>নোদি
অবিনাশী=>অবিনাশি
প্রভাত=>প্রোভাত্
পক্ষ=>পোক্ খো
বিশেষজ্ঞ=>বিশেশগ্‌গোঁ
প্রেতাত্মা=>প্রেতাত্ তাঁ
সংবাদপত্র=>শংবাদ্ পত্ত্রো/ শঙ্ বাদ্ পত্ত্রো
আবৃত্তি=>আবৃত্ তি

২. ক) বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বাংলা বানানের যে কোনো পাঁচটি নিয়ম উদাহরণসহ লেখ।

প্রমিত বাংলা বানানের পাঁচটি নিয়ম:
১. সকল অতৎসম শব্দের বানানে ই-কার হবে। যেমন: কাহিনি, সরকারি ইত্যাদি।
২. সকল অতৎসম শব্দের বানানে উ-কার হবে। যেমন: চুন, পুজো, পুব ইত্যাদি।
৩. অতৎসম শব্দে ‘ক্ষ’ এর স্থলে ‘খ’ হবে। যেমন: খিদে, খুর ইত্যাদি।
৪. ভাষা ও জাতিবাচক শব্দে ই-কার হবে। যেমন: জাপানি, আরবি ইত্যাদি।
৫. রেফের পর ব্যঞ্জনবর্ণের দ্বিত্ব হবে না। যেমন: কর্ম, মর্ম ইত্যাদি।

অথবা, খ) যে কোনো পাঁচটি শব্দের বানান শুদ্ধ করে লেখ:

অশুদ্ধ বানান=>শুদ্ধ বানান
ক্ষতীগ্রন্থ=>ক্ষতিগ্রস্ত
শুচীপত্র=>সূচিপত্র
বুদ্ধিজীবি=>বুদ্ধিজীবী
শ্বাশুড়ী=>শাশুড়ি
উপরোক্ত=>উপর্যুক্ত/উপরিউক্ত
দূরাবস্থা=>দুরবস্থা
অপেক্ষামান=>অপেক্ষমাণ
স্বত্ত্বাধিকারী=>স্বত্বাধিকারী

৩. ক) আবেগ শব্দ কাকে বলে? আবেগ শব্দের শ্রেণিবিভাগ উদাহরণসহ আলোচনা কর।

আবেগ ও এর শ্রেণিবিভাগ :

আবেগ:
মনের নানা ভাব বা আবেগকে প্রকাশ করা হয় যেসব শব্দ দিয়ে সেগুলোকে আবেগ শব্দ বলা হয়। যেমন: ছি ছি, আহা, বাহ্, শাবাশ, হায় হায় ইত্যাদি।

নিচে বিভিন্ন ধরনের আবেগ শব্দের প্রয়োগ দেখানো হলো।

১. সিদ্ধান্ত আবেগ:
এ জাতীয় শব্দের সাহায্যে অনুমোদন, সম্মতি, সমর্থন ইত্যাদি ভাব প্রকাশ করা হয়। যেমন: হ্যাঁ, আমাদের জিততেই হবে। বেশ, তবে যাওয়াই যাক।

২. প্রশংসা আবেগ:
এ ধরনের শব্দ প্রশংসা বা তারিফের মনোভাব প্রকাশে ব্যবহৃত হয়। যেমন: শাবাশ! এমন খেলাই তো চেয়েছিলাম। বাহ! চমৎকার লিখেছ।

৩. বিরক্তি আবেগ:
এ ধরনের শব্দ অবজ্ঞা, ঘৃণা, বিরক্তি ইত্যাদি মনোভাব প্রকাশে ব্যবহৃত হয়। যেমন: ছি ছি! এরকম কথা তার মুখে মানায় না। জ্বালা! তোমাকে নিয়ে আর পারি না।

৪. আতঙ্ক আবেগ:
এ ধরনের আবেগ-শব্দ আতঙ্ক, যন্ত্রণা, কাতরতা ইত্যাদি প্রকাশ করে। যেমন: উহ্, কী বিপদে পড়া গেল। বাপরে বাপ! কী ভয়ঙ্কর ছিল রাক্ষসটা।

৫. বিস্ময় আবেগ:
এ ধরনের শব্দ বিস্মিত বা আশ্চর্য হওয়ার ভাব প্রকাশ করে। যেমন: আরে। তুমি আবার কখন এলে? আহ্, কী চমৎকার দৃশ্য।

৬. করুণা আবেগ:
এ ধরনের শব্দ করুণা, মায়া, সহানুভূতি ইত্যাদি মনোভাব প্রকাশ করে। যেমন: আহা! বেচারার এত কষ্ট। হায় হায়! ওর এখন কী হবে।

৭. সম্বোধন আবেগ:
এ ধরনের শব্দ সম্বোধন বা আহ্বান করার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। যেমন: হে বন্ধু, তোমাকে অভিনন্দন।
ওগো, তোরা জয়ধ্বনি কর।

৮. অলংকার আবেগ:
এ ধরনের শব্দ বাক্যের অর্থের পরিবর্তন না ঘটিয়ে কোমলতা, মাধুর্য ইত্যাদি বৈশিষ্ট্য এবং সংশয়, অনুরোধ, মিনতি ইত্যাদি মনোভাব প্রকাশের জন্যে অলংকার হিসেবে ব্যবহৃত হয়। যেমন: দুর! এ কথা কি বলতে আছে? যাকগে, ওসব কথা থাক।

অথবা, খ) নিম্নোক্ত যে কোনো পাঁচটি বাক্যের নিম্নরেখ শব্দের ব্যাকরণিক শ্রেণি নির্দেশ কর:

i) ‘চুল তার কবেকার অন্ধকার বিদিশার নিশা।’
ii) বিপন্ন মানবতার পাশে আমাদের দাঁড়ানো উচিত।
iii) ‘কর্ষিত জমির প্রতিটি শস্যদানা কবিতা।’
iv) হায় হায়! ওর এখন কী হবে।
v) আকাশে বিদ্যুৎ চমকায়
vi) গাড়িটা বেশ জোরে চলছে।
vii) ‘আমি যে এসেছি একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ থেকে।’
viii) ‘ফেলে দিল রাত্রে-গাঁথা সেঁউতি ফুলের মালা।’

ব্যাকরণিক শ্রেণি :
i) বিশেষণ
ii) অনুসর্গ
iii) বিশেষণ
iv) আবেগ
v) ক্রিয়া
vi) ভাব বিশেষণ/ক্রিয়া বিশেষণের বিশেষণ
vii) বিশেষ্য
viii) যৌগিক ক্রিয়া

৪। ক) উপসর্গ কাকে বলে? উপসর্গের শ্রেণিবিভাগ আলোচনা কর।

উপসর্গ:
যেসব অর্থহীন শব্দাংশ অন্য শব্দের শুরুতে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে তাকে উপসর্গ বলে। যেমন: অ+কাজ=অকাজ, অধি+কার=অধিকার, সম+পূর্ণ =সম্পূর্ণ।

উপসর্গ তিন প্রকার। যথা:

১. সংস্কৃত উপসর্গ:
সংস্কৃত থেকে আগত উপসর্গগুলো বাংলা ভাষায় অপরিবর্তিত আকারে ব্যবহৃত হয়। সংস্কৃত উপসর্গ মোট ২০টি। যথা:

প্র, পরা, অপ, সম,
নি, অনু, অব, নির,
দুর, বি, অধি, সু,
উৎ, পরি, প্রতি, অতি,
অপি, অভি, উপ, আ।

২. বাংলা উপসর্গ:
বাংলা উপসর্গ মোট ২১টি।
আ, অঘা, অজ, আনা,
আ, আড়, আন, আব,
ইতি, উন, কদ, কু, নি,
পাতি, বি, ভর, রাম,
স, সা. সু, হা।

৩. বিদেশি উপসর্গ:
আরবি, ফারসি, ইংরেজি, হিন্দি ভাষার কতগুলো উপসর্গ বাংলা ভাষায় ব্যবহূত হয়। দীর্ঘদিন ব্যবহারের ফলে এগুলো বাংলা ভাষার সঙ্গে পুরোপুরি মিশে গেছে।

ফারসি:
বর, ফি,কম বদ, না,
ব, নিম, দর, কার।
ইংরেজি:
হেড, সাব, হাফ, ফুল।
আরবি:
আম, খাস, লা, গর,
হিনিদ-উর্দু:
হর (প্রত্যেক অর্থে)

অথবা, খ) যে কোনো পাঁচটি শব্দের ব্যাসবাক্যসহ সমাস নির্ণয় কর।

প্রদত্ত শব্দ =>সমাসবদ্ধ শব্দ
=>নরাধম=নরমধ্যে অধম=সপ্তমী তৎপুরুষ
=>দুধে-ভাতে=দুধে ও ভাতে=অলুক দ্বন্দ্ব
=>গজানন=গজ আনন যার=ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি
=>তপোবন=তপের নিমিত্তে বন=৪র্থী তৎপুরুষ
=>চৌরাস্তা=চার রাস্তার সমাহার=দ্বিগু
=>উদ্বেল=বেলাকে অতিক্রান্ত=অব্যয়ীভাব
=>লোকান্তর=অন্য লোক=নিত্য সমাস
=>কালঘুম=কাল রূপ ঘুম=রূপক কর্মধারয়

৫. ক) অর্থ অনুসারে বাক্যের শ্রেণিবিভাগ উদাহরণসহ আলোচনা কর।

অর্থগতভাবে বাংলা বাক্যসমূহকে সাধারণত সাত ভাগে বিভক্ত করা যায়। যথা-

১. বর্ণনামূলক বাক্য:
যে বাক্য দ্বারা সাধারণভাবে কোনো কিছু বর্ণনা বা বিবৃত করা হয় তাকে বর্ণনামূলক বাক্য বলে। যেমন: গরু মাঠে ঘাস খায়। গাছে গাছে ফুল ফুটেছে। একে নির্দেশাত্মক বা বিবৃতিমূলক বাক্যও বলা হয়ে থাকে।

বর্ণনামূলক বাক্য দুরকম হয়ে থাকে। যথা-

ক. অস্তিবাচক:
যে বাক্যে কোনো ঘটনা, ভাব বা বক্তব্যের অস্তিত্ব বা হ্যাঁ-সূচক অর্থ প্রকাশ পায় তাকে অস্তিবাচক বাক্য বলে। যেমন: দিবা চুপ করে রইল।

খ. নেতিবাচক:
যে বাক্যে কোনো ঘটনা, ভাব বা বক্তব্যের না-সূচক অর্থ প্রকাশ পায় তাকে নেতিবাচক বাক্য বলে। যেমন: দিবা কোনো কথা বলল না।

২. প্রশ্নসূচক বাক্য:
যে বাক্য দ্বারা সরাসরি কোনো কিছু জানতে চাওয়া হয় তাকে প্রশ্নসূচক বাক্য বলে। যেমন: তোমার নাম কী ? তুমি কোন ক্লাসে পড়? একে প্রশ্নাত্মক বা প্রশ্নবোধক বাক্যও বলা হয়।

৩. ইচ্ছাসূচক বাক্য:
যে বাক্যে মনের ইচ্ছা, আকাঙ্ক্ষা বা প্রার্থনা প্রকাশ পায় তাকে ইচ্ছাসূচক বাক্য বলে। যেমন: যদি দশ কোটি টাকা পেতাম। জীবনে সফল হও। একে প্রার্থনাসূচক বাক্যও বলা হয়।

৪. আজ্ঞাসূচক বাক্য:
যে বাক্যে আদেশ, নিষেধ, আবেদন, অনুরোধ ইত্যাদি বোঝায় তাকে আজ্ঞাসূচক বাক্য বলে। যেমন: ওখানে গিয়ে বসো। সদা সত্য কথা বলবে। দয়া করে কলমটি দাও।

৫. আবেগসূচক বাক্য:
যে বাক্য দ্বারা মনের আকস্মিক আবেগ বা উচ্ছ্বাস প্রকাশ পায় তাকে আবেগসূচক বাক্য বলে। যেমন: আহ। কী আরামা এও কি সম্ভব।

৬. সংশয়সূচক বাক্য:
নির্দেশাত্মক বাক্যের বক্তব্যের বিষয় সম্পর্কে সন্দেহ, সংশয়, সম্ভাবনা, অনুমান, অনিশ্চয়তা ইত্যাদি ভাব প্রকাশ পেলে তাকে সংশয়সূচক বাক্য বলে। একে সন্দেহদ্যোতক বাক্যও বলা হয়। এ ধরনের বাক্যে হয়তো, বুঝি, বুঝিবা, সম্ভবত, বোধ হয়, থাকি, নিশ্চয় প্রভৃতি সন্দেহসূচক শব্দ ব্যবহূত হয়। যেমন: বোধ হয় সে আর আসবেনা। সম্ভবত তিশার ব্যস্ততা বেড়েছে।

৭. কার্যকারণাত্মক বাক্য:
যে বাক্যে কোনো বিশেষ শর্তের অধীনে ক্রিয়া নিষ্পত্তি হয় তাকে কার্যকারণাত্মক বাক্য বলে। একে শর্তসূচক বাক্যও বলা হয়। যেমন: কষ্ট না করলে কেষ্ট মেলে না। নিয়মিত পড়ালেখা না করলে ভালো ফল হয় না।

অথবা, খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যে কোনো পাঁচটির বাক্যান্তর কর:

প্রদত্ত বাক্য =>বাক্যান্তর
i) ধনীর কন্যা তার অপছন্দ। (নেতিবাচক)
=>i) ধনীর কন্যা তার পছন্দ নয়।
ii) সত্যি সেলুকাস, এদেশ বড়ো বিচিত্র। (বিস্ময়বোধক)
=>সত্যি সেলুকাস, কী বিচিত্র এদেশ।
iii) আমি বহু কষ্টে শিক্ষা লাভ করেছি। (যৌগিক)
=>আমি বহু কষ্ট করেছি ফলে শিক্ষা লাভ করেছি।
iv) কেউ কিছু বলে না। (অস্তিবাচক)
=>সবাই চুপ করে রইল।
v) এখনো আশা ছাড়ি নাই, কিন্তু মাতুলকে ছাড়িয়াছি। (সরল)
=>এখনো আশা না ছাড়লেও মাতুলকে ছাড়িয়াছি।
vi) তিনি অত্যন্ত দরিদ্র কিন্তু তাঁর অন্তঃকরণ অতিশয় উচ্চ। (জটিল)
=>যদিও তিনি দরিদ্র তবু তার অন্তঃকরণ অতিশয় উচ্চ।
vii) এমন করা ঠিক হয়নি। (প্রশ্নবোধক)
=>এমন করা ঠিক হয়েছে কি?
viii) নারী ও শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানো উচিত। (অনুজ্ঞাসূচক)
=>নারী ও শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাও।

৬. ক) যে কোনো পাঁচটি বাক্য শুদ্ধ করে লেখ।

অশুদ্ধ বাক্য =>শুদ্ধ বাক্য
i) তার বিদ্রোহী আত্মার শান্তি কামনা করছি।
=>তার বিদেহ আত্মার শান্তি কামনা করছি।
ii) অপহরণ ব্যবসায়ীকে এখনো উদ্ধার করা যায়নি।
=>অপহৃত ব্যবসায়ীকে এখানো উদ্ধার করা যায়নি।
iii) গৌতম বুদ্ধ বুদ্ধধর্ম প্রচারণা করেন।
=>গৌতম বুদ্ধ বৌদ্ধধর্ম প্রচারণা করেন।
iv) সড়ক দূর্ঘটনায় আহত ছাত্রটি বেঁচে আছে।
=>সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ছাত্রটি বেঁচে আছে।
v) মাস্ক পড়ুন, সুস্থ্য থাকুন।
=>মাস্ক পরুন, সুস্থ থাকুন।
vi) ঝড়-বৃষ্টির কারণে ব্যাপক ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
=>ঝড়-বৃষ্টির কারণে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
vii) আগামীকাল শপথ নেবেন সংসদরা।
=>আগামীকাল শপথ নেবেন সাংসদরা।
viii) আবশ্যকীয় দ্রব্যাদি সঙ্গে আনবেন।
=>আবশ্যক দ্রব্যাদি সঙ্গে আনবেন।

অথবা, খ) অনুচ্ছেদটি শুদ্ধ করে লেখ:

এতদ্বারা, এই কলেজের সকল শিক্ষার্থী-শিক্ষকগণ ও সকল কর্মচারীদের সদয় অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, মে দিবস উপলক্ষ্যে আসছে আগামী ১ মে ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ তারিখ কলেজের সকল শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ থাকিবে। আসছে ২ মে ২০২৪ খ্রি. থেকে কলেজ পূর্বের ন্যায় যথারীতিভাবে চলিবে।

শুদ্ধ অনুচ্ছেদ :
এতদ্দ্বারা কলেজের সকল শিক্ষার্থী-শিক্ষক ও কর্মচারীকে জানানো যাচ্ছে যে, মে দিবস উপলক্ষ্যে আগামী ১লা মে, ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ কলেজের সকল শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। আগামী ২রা মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ থেকে কলেজ আগের মতো যথারীতি চলবে।

এইচএসসি ২০২৪ বাংলা ২য় পত্র ঢাকা বোর্ড (নির্মিতি অংশ)

খ-বিভাগ (নির্মিতি অংশ)
মান: ৭০

৭. ক) যে কোনো দশটি শব্দের পারিভাষিক রূপ লেখ:

প্রদত্ত শব্দ =>পারিভাষিক রূপ
Architecture =>স্থাপত্যবিদ্যা/স্থাপত্য
Bacteria =>জীবাণু
Curfew =>সান্ধ্য আইন
Diplomacy =>কূটনীতি
Expert =>বিশেষজ্ঞ
Galaxy =>ছায়াপথ
Hostage =>জিম্মি
Monarchy =>রাজতন্ত্র
Public opinion =>জনমত
Lock-up =>হাজত
Oath =>শপথ
Reform =>সংস্কার
Quarantine =>সঙ্গরোধ
Session =>অধিবেশন
War-crime =>যুদ্ধাপরাধ

অথবা, খ) নিচের অনুচ্ছেদটি বাংলায় অনুবাদ কর:

In the present world we live in a global village. The countries of the world are now like the homes of village. The countries are like next door neighbour to one another. We can immediately know what happens in other countries. And we can also share their joys and sorrows with them.

বঙ্গানুবাদ :
বর্তমান যে বিশ্বে আমরা বাস করি তা একটি বৈশ্বিক গ্রাম। পৃথিবীর দেশগুলো এখন একটি গ্রামের ঘরসমূহের মতো। দেশগুলো এখন একে অপরের কাছের প্রতিবেশীর মতো। অন্যদেশে কী ঘটে তা আমরা অবিলম্বে জানতে পারি। এবং আমরা তাদের সাথে তাদের সুখ এবং দুঃখও ভাগাভাগি করে নিতে পারি।

৮. ক) তোমার কলেজে পহেলা বৈশাখ উদ্যাপনের ওপর একটি দিনলিপি লেখ।

অথবা, খ) ‘দ্রব্য মূল্যের ঊর্ধ্বগতি’ বিষয়ে একটি প্রতিবেদন রচনা কর।

৯. ক) বই পড়ার গুরুত্ব বিষয়ে পরামর্শ দিয়ে তোমার ছোট ভাইকে একটি বৈদ্যুতিন চিঠি লেখ।

অথবা, খ) শিক্ষাসফরে যাওয়ার অনুমতি প্রার্থনা করে অধ্যক্ষের কাছে একটি আবেদন পত্র লেখ।

১০. ক) সারাংশ লেখ:

বিদ্যা মানুষের মূল্যবান সম্পদ, সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নাই। কিন্তু চরিত্র তদপেক্ষাও মূল্যবান। অতএব, কেবল-বিদ্বান বলিয়াই কোনো লোক সমাদর লাভের যোগ্য বলিয়া বিবেচিত হইতে পারে না। চরিত্রহীন ব্যক্তি যদি নানা বিদ্যায় আপনার জ্ঞানভান্ডার পূর্ণ করিয়াও থাকে, তথাপি তাহার সঙ্গ পরিত্যাগ করাই শ্রেয়। প্রবাদ আছে যে, কোনো কোনো বিষধর সর্পের মস্তকে মণি থাকে। মণি মহামূল্যবান পদার্থ বটে, কিন্তু তাই বলিয়া যেমন মণি লাভের নিমিত্ত বিষধর সর্পের সাহচর্য লাভ করা বুদ্ধিমানের কার্য নহে, সেইরূপ বিদ্যা আদরণীয় হইলেও বিদ্যা লাভের নিমিত্ত বিদ্বান দুর্জনের নিকট গমন বিধেয় নহে।

অথবা, খ) ভাব-সম্প্রসারণ কর:
ভোগে নয়, ত্যাগেই মনুষ্যত্বের বিকাশ।

১১. ক) মনে কর তুমি নাফী, তোমার বন্ধু নীল। উচ্চশিক্ষা স্তরে ভর্তির ক্ষেত্রে ‘বিষয় নির্বাচনের গুরুত্ব’ প্রসঙ্গে দুজনের মধ্যে সংলাপ রচনা কর।

অথবা, খ) নিচের সংকেত অনুসরণে ‘লক্ষ্য যেথা স্থির’ শিরোনামে একটি গল্প তৈরি কর:

পড়ালেখায় ভালো হলেও নবম শ্রেণি পাসের পর বিয়ে হয় মিনুর। কিন্তু রিক্সাচালক বাবা পাত্রপক্ষের দাবি মেটাতে না পারায়…

১২. যে কোনো একটি বিষয়ে প্রবন্ধ রচনা কর:

ক) শিষ্টাচার ও সৌজন্যবোধ
খ) কৃষিক্ষেত্রে বিজ্ঞান
গ) মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও আমাদের করণীয়
ঘ) বাংলাদেশের পর্যটন শিল্প: সমস্যা ও সম্ভাবনা
ঙ) যুদ্ধ নয় শান্তি।

(উপকৃত হলে কিংবা কনফিউশান থাকলে দয়া করে কমেন্ট করবেন। ভুল ধরিয়ে দিতে পারলে চিরকৃতজ্ঞ থাকব। পরামর্শ দিয়ে পাশে থাকবেন, ইনশাআল্লাহ্।)

Leave a Reply

15 thoughts on “এইচএসসি ২০২৪ বাংলা ২য় প্রশ্ন ও সমাধান (ঢাকা বোর্ড)”

  1. Sumaiya Akter Runa

    মাক্স পড়ুন, সুস্থ থাকুন এইটাতে একটু ভুল আছে মাক্স পরুন, সুস্থ থাকুন হবে।

    1. একদমই না। আপনি যে বলেছেন ‘মাক্স’ এই বানানটা ভুল। কারণ ইংরেজিতে এটা হচ্ছে mask= মাস্ক।

      1. ধন্যবাদ আপনাকে!
        আমার পোস্টে ‘পড়ুন’ বানানটা ভুল ছিল, পরে শুদ্ধ করে ‘পরুন’ দিয়েছি।

  2. এইচএসসি ২৩ ঢাকা বোর্ড এর ১ নং
    সংবাদপত্র = সঙ্ বাদ্ পত্ ত্রো
    আবার এইচএসসি ২৪ ঢাকা বোর্ড এর
    ১নং এ
    সংবাদপত্র =সংবাদ্ পও্রো
    দুইটা দুই রকম কেন?
    দুইটাই কি সঠিক?

    1. দুটিতেই তালব্য-শ হবে।
      শংবাদ্ পত্ ত্রো
      শঙ্ বাদ্ পত্ ত্রো

      অনুস্বার দিলে হসন্ত দিতে হয় না, আর উঁঅ দিলে হসন্ত দিতে হয়।

error: Content is protected !!
Scroll to Top