Alim 2024 Madrasah Board Bangla 2nd Paper Question & Solution
আলিম পরীক্ষা ২০২৪ বাংলা ২য় পত্র বোর্ড প্রশ্নের সমাধান টেক্সট আকারে আকারে সুন্দরভাবে গুছিয়ে দেয়া হলো।
মাদ্রাসা বোর্ড ২০২৪ আলিম পরীক্ষার বাংলা ২য় পত্র (ব্যাকরণ অংশ)
আলিম পরীক্ষা ২০২৪
মাদরাসা বোর্ড
বাংলা দ্বিতীয় পত্র
বিষয় কোড: ২৩৭
সময়-৩ ঘণ্টা পূর্ণমান-১০০
১। ক) ‘ব’-ফলা উচ্চারণের পাঁচটি নিয়ম উদাহরণসহ লেখ। ০৫
ব-ফলার উচ্চারণ:
ক. শব্দের প্রথমে ব-ফলা যুক্ত হলে উচ্চারণে শুধু সে বর্ণের উপর অতিরিক্ত ঝোঁক পড়ে, ব-ফলা উচ্চারিত হয় না। যেমন: ক্বচিৎ (কোচিৎ), দ্বিত্ব (দিত্ তো), শ্বাস (শাশ্), সজন (শজোন্), দ্বন্দ্ব (দন্ দো)।
খ. সন্ধিজাত শব্দে যুক্ত ব-ফলায় ব-এর উচ্চারণ বজায় থাকে। যেমন: দিগ্বিজয় (দিগ্ বিজয়্), দিগ্বলয় (দিগ্ বলয়্)।
গ. শব্দের মধ্যে বা শেষে ‘ব’ বা ‘ম’-এর সঙ্গে ব-ফলা যুক্ত হলে ব-এর উচ্চারণ বজায় থাকে। যেমন: তিব্বত (তিব্ বত্), লম্ব (লম্ বো)।
ঘ. উৎ উপসর্গের সঙ্গে ব-ফলা যুক্ত হলে ব-এর উচ্চারণ বহাল থাকে। যেমন: উদ্বাস্তু (উদ্বাস্ তু), উদ্বেল (উদ্ বেল্)।
ঙ. শব্দের মধ্যে বা শেষে ব-ফলা যুক্ত হলে যুক্ত ব্যঞ্জনটির দ্বিত্ব উচ্চারণ হয়। যেমন: বিশ্বাস (বিশ্ শাশ্), পক্ব (পক্ কো), অশ্ব (অশ্ শো), বিশ্ব (বিশ্ শো)।
অথবা, খ) যে কোনো পাঁচটি শব্দের শুদ্ধ উচ্চারণ লেখ:
প্রদত্ত শব্দ => শুদ্ধ উচ্চারণ
ব্যতীত=>বেতিতো
মন্তব্য=>মোন্ তোব্ বো
বৈশাখ=>বোইশাখ্
বিশ্বাস=>বিশ্ শাশ্
ভবিষ্যৎ=>ভোবিশ্ শত্
ব্যাখ্যা=>ব্যাক্খা
ছাত্র=>ছাত্ ত্রো
বিদ্বান=>বিদ্ দান্
২। ক) বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বাংলা বানানের পাঁচটি নিয়ম আলোচনা কর।
প্রমিত বাংলা বানানের পাঁচটি নিয়ম:
১. সকল অতৎসম শব্দের বানানে ই-কার হবে। যেমন: কাহিনি, সরকারি ইত্যাদি।
২. সকল অতৎসম শব্দের বানানে উ-কার হবে। যেমন: চুন, পুজো, পুব ইত্যাদি।
৩. অতৎসম শব্দে ‘ক্ষ’ এর স্থলে ‘খ’ হবে। যেমন: খিদে, খুর ইত্যাদি।
৪. ভাষা ও জাতিবাচক শব্দে ই-কার হবে। যেমন: জাপানি, আরবি ইত্যাদি।
৫. রেফের পর ব্যঞ্জনবর্ণের দ্বিত্ব হবে না। যেমন: কর্ম, মর্ম ইত্যাদি।
অথবা, খ) যে কোনো পাঁচটি শব্দের বানান শুদ্ধ করে লেখ:
অশুদ্ধ বানান => শুদ্ধ বানান
মন্ত্রীসভা=>মন্ত্রিসভা
অধ্যায়ন=>অধ্যয়ন
নুপুর=>নূপুর
উচ্ছাস=>উচ্ছ্বাস
প্রতিযোগীতা=>প্রতিযোগিতা
শারিরীক=>শারীরিক
ঐক্যতান=>ঐকতান
মরিচিকা=>মরীচিকা
৩। ক) আবেগ শব্দ বলতে কী বোঝ? উদাহরণসহ এর শ্রেণিবিভাগ আলোচনা কর। ৫
আবেগ ও এর শ্রেণিবিভাগ :
আবেগ:
মনের নানা ভাব বা আবেগকে প্রকাশ করা হয় যেসব শব্দ দিয়ে সেগুলোকে আবেগ শব্দ বলা হয়। যেমন: ছি ছি, আহা, বাহ্, শাবাশ, হায় হায় ইত্যাদি।
নিচে বিভিন্ন ধরনের আবেগ শব্দের প্রয়োগ দেখানো হলো।
১. সিদ্ধান্ত আবেগ:
এ জাতীয় শব্দের সাহায্যে অনুমোদন, সম্মতি, সমর্থন ইত্যাদি ভাব প্রকাশ করা হয়।
যেমন: হ্যাঁ, আমাদের জিততেই হবে। বেশ, তবে যাওয়াই যাক।
২. প্রশংসা আবেগ:
এ ধরনের শব্দ প্রশংসা বা তারিফের মনোভাব প্রকাশে ব্যবহৃত হয়।
যেমন: শাবাশ! এমন খেলাই তো চেয়েছিলাম।
বাহ! চমৎকার লিখেছ।
৩. বিরক্তি আবেগ:
এ ধরনের শব্দ অবজ্ঞা, ঘৃণা, বিরক্তি ইত্যাদি মনোভাব প্রকাশে ব্যবহৃত হয়। যেমন: ছি ছি! এরকম কথা তার মুখে মানায় না। জ্বালা! তোমাকে নিয়ে আর পারি না।
৪. আতঙ্ক আবেগ:
এ ধরনের আবেগ-শব্দ আতঙ্ক, যন্ত্রণা, কাতরতা ইত্যাদি প্রকাশ করে।
যেমন: উহ্, কী বিপদে পড়া গেল।
বাপরে বাপ! কী ভয়ঙ্কর ছিল রাক্ষসটা।
৫. বিস্ময় আবেগ:
এ ধরনের শব্দ বিস্মিত বা আশ্চর্য হওয়ার ভাব প্রকাশ করে।
যেমন: আরে। তুমি আবার কখন এলে? আহ্, কী চমৎকার দৃশ্য।
৬. করুণা আবেগ:
এ ধরনের শব্দ করুণা, মায়া, সহানুভূতি ইত্যাদি মনোভাব প্রকাশ করে।
যেমন: আহা! বেচারার এত কষ্ট।
হায় হায়! ওর এখন কী হবে।
৭. সম্বোধন আবেগ:
এ ধরনের শব্দ সম্বোধন বা আহ্বান করার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
যেমন: হে বন্ধু, তোমাকে অভিনন্দন।
ওগো, তোরা জয়ধ্বনি কর।
৮. অলংকার আবেগ:
এ ধরনের শব্দ বাক্যের অর্থের পরিবর্তন না ঘটিয়ে কোমলতা, মাধুর্য ইত্যাদি বৈশিষ্ট্য এবং সংশয়, অনুরোধ, মিনতি ইত্যাদি মনোভাব প্রকাশের জন্যে অলংকার হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
যেমন: দুর! এ কথা কি বলতে আছে?
যাকগে, ওসব কথা থাক।
অথবা, খ) নিম্নরেখ যে কোনো পাঁচটি শব্দের ব্যাকরণিক শ্রেণি নির্দেশ কর:
i) চলো কোথাও একটু ঘুরে আসি।
(ii) বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অতুলনীয়।
(iii) ফুল বিনা মালা হয় না।
(iv) আমাদের সমাজ আর ওদের সমাজ এক রকম নয়।
(v) পয়লা বৈশাখ বাঙালির উৎসবের দিন।
(vi) বাহবা! আমাদের দল খেলায় জিতেছে।
(vii) পড়ন্ত বিকেলে হাঁটতে ভালো লাগে।
(viii) ঢাকা বাংলাদেশের রাজধানী।
পাঁচটি শব্দের ব্যাকরণিক শ্রেণি নির্দেশ করা হলো:
i) সর্বনাম
ii) বিশেষণ
iii) অনুসর্গ
iv) যোজক
v) বিশেষ্য
vi) আবেগ
vii) ক্রিয়াবিশেষণ
viii) বিশেষ্য
৪। ক) উপসর্গ কাকে বলে? কত প্রকার ও কী কী? প্রত্যেক প্রকারের উদাহরণ দাও।
উপসর্গ:
যেসব অর্থহীন শব্দাংশ অন্য শব্দের শুরুতে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে তাকে উপসর্গ বলে। যেমন: অ+কাজ=অকাজ, অধি+কার=অধিকার, সম+পূর্ণ =সম্পূর্ণ।
উপসর্গ তিন প্রকার। যথা-
১. সংস্কৃত উপসর্গ:
সংস্কৃত থেকে আগত উপসর্গগুলো বাংলা ভাষায় অপরিবর্তিত আকারে ব্যবহৃত হয়। মোট ২০টি সংস্কৃত উপসর্গ রয়েছে।
যথা-
প্র, পরা, অপ, সম,
নি, অনু, অব, নির,
দুর, বি, অধি, সু,
উৎ, পরি, প্রতি, অতি,
অপি, অভি, উপ, আ।
২. বাংলা উপসর্গ:
বাংলা উপসর্গ মোট ২১টি।
যথা-
অ, অঘা, অজ, আনা,
আ, আড়, আন, আব,
ইতি, উন, কদ, কু, নি,
পাতি, বি, ভর, রাম,
স, সা. সু, হা।
৩. বিদেশি উপসর্গ:
আরবি, ফারসি, ইংরেজি, হিন্দি ভাষার কতগুলো উপসর্গ বাংলা ভাষায় ব্যবহূত হয়। দীর্ঘদিন ব্যবহারের ফলে এগুলো বাংলা ভাষার সঙ্গে পুরোপুরি মিশে গেছে।
ফারসি:
বর, ফি,কম বদ, না,
ব, নিম, দর, কার।
ইংরেজি:
হেড, সাব, হাফ, ফুল।
আরবি:
আম, খাস, লা, গর,
হিন্দি-উর্দু:
হর (প্রত্যেক অর্থে)
অথবা, খ) ব্যাসবাক্যসহ সমাস নির্ণয় কর (যে কোনো পাঁচটি):
মায়ে-ঝিয়ে=>মায়ে ও ঝিয়ে =অলুক দ্বন্দ্ব
গলাগলি=>গলায় গলায় বন্ধুত্ব =ব্যতিহার বহুব্রীহি
চৌকাঠ=>চৌ কাঠ আছে যার =সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি
শোকানল=>শোক রূপ অনল =রূপক কর্মধারয়
আগা-গোড়া=>আগা ও গোড়া =দ্বন্দ্ব
উপকূল=>কূলের সমীপে = অব্যয়ীভাব
প্রশান্তি=>প্র (প্রকৃষ্ট) যে শান্তি = প্রাদি সমাসধূধং
যুগান্তর=>অন্য যুগ = নিত্য সমাস
৫। ক) বাক্য কাকে বলে? একটি সার্থক বাক্যের কয়টি গুণ থাকা আবশ্যক? আলোচনা কর। ০৫
বাক্য:
যে পদ বা পদ সমষ্টি দ্বারা বক্তার পূর্ণ মনোভাব প্রকাশ পায় তাকে বাক্য বলে। যেমন: আমি একাদশ শ্রেণিতে পড়ি।
বাক্যের গুণ:
অর্থ স্পষ্ট হওয়ার জন্য আকাঙ্ক্ষার নিবৃত্তি, সম্পূর্ণ-মনোভাব প্রকাশ এবং অর্থগত ও ভাবগত মেল বন্ধন হলো বাক্যের গুণ।
একটি সার্থক বাক্যের তিনটি গুণ বা বৈশিষ্ট্য থাকা আবশ্যক। যথা-
ক. আকাঙ্ক্ষা:
বাক্যের অন্তর্গত একটি পদের পর তার পরবর্তী পদ শোনার যে আগ্রহ তাকেই আকাঙ্ক্ষা বলে। একটি সার্থক বাক্যে এই আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে হয়। কোনো বাক্যে এই আকাঙ্ক্ষা অপূর্ণ থাকলে তা বাক্য হিসেবে সার্থক হয় না।
যেমন: ‘ঢাকা বাংলাদেশের’ বললে শ্রোতার আকাঙ্ক্ষা পূরণ হয় না কিন্তু ‘ঢাকা বাংলাদেশের রাজধানী’ বললে শ্রোতার আর আকাঙ্ক্ষা থাকে না। সুতরাং ‘ঢাকা বাংলাদেশের’ বাক্য নয়, ‘ঢাকা বাংলাদেশের রাজধানী’ একটি সার্থক বাক্য।
খ. আসত্তি:
বাক্যের সুশৃঙ্খল পদবিন্যাসকেই আসত্তি বলে। বাক্যস্থিত পদসমূহের বিন্যাস সুশৃঙ্খল বা যথাযথ না হলে তাকে বাক্য বলা যায় না।
যেমন: ‘সাদা বকের দল আকাশে উড়ছে।’ উল্লিখিত বাক্যে পদসমূহের বিন্যাস সুশৃঙ্খল বা যথাযথ হওয়ায় এটি একটি সার্থক বাক্যে পরিণত হয়েছে। কিন্তু এই পদসমষ্টিকে যদি সুশৃঙ্খলভাবে বিন্যাস না করে বলা হয়, ‘সাদা উড়ছে দল বকের আকাশে’ তাহলে আসত্তি গুণের অভাবে বাক্যটি সার্থক হবে না। তাই একটি সার্থক বাক্য গঠনের ক্ষেত্রে অবশ্যই আসত্তি গুণটি থাকতে হবে।
গ. যোগ্যতা:
বাক্যে ব্যবহৃত পদগুলোর অর্থ ও ভাবগত মিল বা সামঞ্জস্যকে যোগ্যতা বলে। একটি সার্থক বাক্য গঠনের ক্ষেত্রে অর্থ ও ভাবগত অন্বয় রক্ষিত না হলে বাক্য তার যোগ্যতা হারায়।
যেমন: ‘গরুগুলো আকাশে উড়ছে।’ বাক্যটিতে আকাঙ্ক্ষা এবং আসত্তি গুণ রক্ষিত হলেও এটি সার্থক বাক্য নয়; কেননা, এতে ব্যবহৃত পদগুলোর সঙ্গে ভাবের কোনো সাদৃশ্য নেই। কিন্তু এর পরিবর্তে যদি বলা হয়, ‘পাখিগুলো আকাশে উড়ছে।’ তাহলে এটি যোগ্যতাসম্পন্ন একটি সার্থক বাক্য হয়ে উঠবে।
অথবা, খ) নির্দেশ অনুসারে বাক্যান্তর কর (যে কোনো পাঁচটি):
প্রদত্ত বাক্য => বাক্যান্তর
i) মাতৃভূমিকে সকলেই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
=>মাতৃভূমিকে কেউ ঘৃণা করে না।
ii) বিপদে অধীর হতে নেই। (অনুজ্ঞাবাচক)
=>বিপদে অধীর হয়ো না।
iii) শিক্ষিত লোককে সবাই শ্রদ্ধা করে। (জটিল)
=>যিনি শিক্ষিত লোক তাকে সবাই শ্রদ্ধা করে।
iv) ফুল সকলেই ভালোবাসে। (প্রশ্নবাচক)
=>ফুল কি সকলেই ভালোবাসে না?
v) হৈমন্তী কোনো কথা বলিল না। (অস্তিবাচক)
=>হৈমন্তী নিশ্চুপ রহিল।
vi) যদি পরিশ্রম কর, তাহলে ফল পাবে। (যৌগিক)
=>পরিশ্রম কর, তাহলে ফল পাবে।
vii) যিনি জ্ঞানী, তিনিই সত্যিকার ধনী। (সরল)
=>জ্ঞানীরাই সত্যিকার ধনী।
viii) লোকটি অত্যন্ত দরিদ্র। (বিস্ময়সূচক)
=>লোকটি কতই না দরিদ্র!
৬। ক) যে কোনো পাঁচটি বাক্য শুদ্ধ করে লেখ:
i) আমি এ ঘটনা চাক্ষুস প্রত্যক্ষ করেছি।
=>আমি এ ঘটনা প্রত্যক্ষ করেছি।
ii) সব পাখিরা উড়ে গেল।
=>সব পাখি উড়ে গেল।
iii) এক পৌষে শীত যায় না।
=>এক মাঘে শীত যায় না।
iv) মধুসুদন একজন মহাকবি।
=>মধুসূদন একজন মহাকবি।
v) শুধুমাত্র টাকার জোরে সব হয় না।
=>শুধু টাকার জোরে সব হয় না।
vi) তার সৌজন্যতায় মুগ্ধ হলাম।
=>তার সৌজন্যে মুগ্ধ হলাম।
vii) অশ্রুজলে বুক ভেসে গেল।
=>অশ্রুতে বুক ভেসে গেল।
viii) সুশিক্ষার কোনো বিকল্প নেই।
=>শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই।
অথবা, খ) নিচের অনুচ্ছেদের অপপ্রয়োগগুলো শুদ্ধ কর:
বিদ্বানজনেরা সাধারণত সংস্কৃতিপ্রিয়। সৌহার্দতা আমাদের বাঙালি সংস্কৃতির প্রাণ। কিন্তু দিন দিন তা ম্লান হওয়ায় আমরা সশঙ্কিত। তবুও নিরাশায় ডুবে থাকলে চলবে না। এক্ষেত্রে যে কোনো শুভ উদ্যোগকে সুস্বাগত জানাই।
শুদ্ধ অনুচ্ছেদ :
বিদ্বানেরা সাধারণত সংস্কৃতিপ্রিয় হন। সৌহার্দ আমাদের বাঙালি সংস্কৃতির প্রাণ। কিন্তু দিন দিন তা ম্লান হওয়ায় আমরা শঙ্কিত। তবুও হতাশায় ডুবে থাকলে চলবে না। এক্ষেত্রে যেকোনো শুভ উদ্যোগকে স্বাগত জানাই।
৭। ক) যে কোনো দশটি শব্দের পারিভাষিক রূপ লেখ:
প্রদত্ত শব্দ => পারিভাষিক রূপ
Affidavit=>হলফনামা
Deposit=>আমানত
Manuscript=>পাণ্ডুলিপি
Sabotage=>অন্তর্ঘাত
Walk-out=>সভা বর্জন
Republic=>প্রজাতন্ত্র
Bookpost=>খোলা ডাক
X-ray=>রঞ্জনরশ্মি
Quack=>হাতুড়ে ডাক্তার
Gazetted=>বিজ্ঞাপিত অথবা প্রজ্ঞাপিত
Constitution=>সংবিধান
Vacation=>অবকাশ
Oath=>শপথ
Ballot=>গোপন ভোট
Census=>আদমশুমারি
অথবা, খ) নিচের অনুচ্ছেদটি বাংলায় অনুবাদ কর:
Man is the architect of his own life. If he makes a proper division of his time and does his duties accordingly, he is sure to prosper in life. Youth is the golden season of life. In youth the mind can be moulded in any form you like. It is called the seed time of life.
বঙ্গানুবাদ:
মানুষ নিজেই তার জীবনের স্থপতি। সে যদি তার সময়কে যথাযথ ভাগ করে নেয় এবং সেই অনুসারে কাজ করে তবে সে নিশ্চিতভাবে জীবনে উন্নতি লাভ করবে। জীবনের স্বর্ণালী সময় হচ্ছে যৌবন। যৌবনে মনটা থাকে কাদা মাটির মতো, যেমন খুশি তেমন রূপ দেয়া যায়। প্রারম্ভেই সময় অপচয় করলে পরে পস্তাতে হয়। এটাকে জীবনের বীজ বপনের সময় বলা হয়।
৮। ক) তোমার মাদ্রাসায় ‘মহান বিজয় দিবস’ উদযাপনের একটি দিনলিপি রচনা কর। ১০
অথবা, খ ) দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণ ও তার প্রতিকারের উপায় সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন তৈরি কর।
৯। ক) বন্ধুর পিতৃবিয়োগে সান্ত্বনা জানিয়ে একটি ই-মেইল রচনা কর। ১০
অথবা, খ) তোমার এলাকায় মশার উপদ্রবের কথা জানিয়ে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সংবাদপত্রে প্রকাশের জন্য একটি পত্র লেখ।
১০। ক) সারাংশ লেখ: ১০
কোনো সভ্য জাতিকে অসভ্য করার ইচ্ছা যদি তোমার থাকে, তাহলে তাদের সব বই ধ্বংস কর এবং সকল পণ্ডিতকে হত্যা কর। তোমার উদ্দেশ্য সিদ্ধ হবে। লেখক, সাহিত্যিক ও পণ্ডিতরাই জাতির আত্মা। এই আত্মাকে যারা অবহেলা করে, তারা বাঁচে না। দেশ বা জাতিকে উন্নত করতে ইচ্ছা করলে, সাহিত্যের সাহায্যেই তা করতে হবে। মানব মঙ্গলের জন্য যত অনুষ্ঠান আছে; তার মধ্যে এটাই প্রধান ও সম্পূর্ণ। জাতির মধ্যে সাহিত্যের ধারা সৃষ্টি কর। আর কিছুর আবশ্যকতা নেই।
অথবা, খ) ভাব-সম্প্রসারণ কর:
দুর্নীতি জাতীয় জীবনের অভিশাপ।
১১। ক) ফেইসবুক ব্যবহারের সুফল-কুফল নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর। ১০
অথবা, খ) খুদে গল্প রচনা কর:
‘সত্যবাদিতার পুরস্কার’
১২। যে কোনো একটি বিষয়ে প্রবন্ধ রচনা কর:
ক) ইসলামে দেশপ্রেম
খ) তথ্যপ্রযুক্তি ও বাংলাদেশ
গ) বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম
ঘ) শীতের সকাল
ঙ) স্মার্ট বাংলাদেশ।
(উপকৃত হলে কিংবা কনফিউশান থাকলে দয়া করে কমেন্ট করবেন। ভুল ধরিয়ে দিতে পারলে চিরকৃতজ্ঞ থাকব। পরামর্শ দিয়ে পাশে থাকবেন, ইনশাআল্লাহ্।)

অনেক ভালো লাগলো এই সাইটে এসে,,,,মানে ভাষায় প্রকাশের মত না, অনেক ধন্যবাদ যারা এখানে কাজ করছেন…………..আমার কালকে এক্সাম,,,ফার্স্ট ইয়ার ফাইনাল….এই কিছু বিষয় আমার খুব দরকার ছিল,,,,এখানে এসে পেলাম,,,,,,জাযা কাল্লহু খাইরান
অনেক অনেক ধন্যবাদ!
আল্লাহ আপনাকে সাহায্য করুক।