এইচএসসি ২০২৪ বাংলা ২য় প্রশ্ন ও সমাধান (যশোর বোর্ড)

HSC 2024 Jessore Board bangla 2nd paper question & solution  

এইচএসসি যশোর বোর্ড ২০২৪ বাংলা ২য় পত্র প্রশ্নসহ উত্তর মালা (ব্যাকরণ অংশ)

ক-বিভাগ (ব্যাকরণ অংশ)
মান: ৩০

১। ক) ‘এ’ ধ্বনি উচ্চারণের যে-কোনো পাঁচটি নিয়ম উদাহরণসহ লেখ।

‘এ’ ধ্বনি উচ্চারণের পাঁচটি নিয়ম:
১. তৎসম শব্দের এ-এর উচ্চারণ সাধারণ অবিকৃত থাকে। যেমন: বেদনা (বেদোনা), দেবতা (দেবোতা)।
২. আদ্য এ-এর পরে ‘অ’ বা ‘আ’ থাকলে সেই ‘এ’ এর উচ্চারণ ‘অ্যা’ এর মতো হয়।যেমন: এক (অ্যাক্); তেমন (ত্যামোন্)।
৩. এ-কারযুক্ত ধাতুর সঙ্গে ‘আ’ প্রত্যয় যুক্তগ হলে সেই ‘এ’-এর উচ্চারণ অ্যা-রূপে হয়ে থাকে। যেমন: খেলা (খ্যালা), বেলা (ব্যালা)।
৪. শব্দের শেষের এ-এর উচ্চারণ সাধারণত অবিকৃত থাকে। যেমন: পথে, ঘাটে, হাটে।
৫. একাক্ষর সর্বনাম পদের ‘এ’ সাধারণত অবিকৃত এ-রূপে উচ্চাতির হয়। যেমন:  সে, যে, কে, রে।

অথবা, খ) নিচের যে কোনো পাঁচটি শব্দের শুদ্ধ উচ্চারণ লেখ:

প্রদত্ত শব্দ =>প্রমিত উচ্চারণ
উদ্বেগ=>উদ্ বেগ্
স্মরণীয়=>শরোনিয়ো
দ্রষ্টব্য=>দ্রোশ্ টোব্ বো
ঐশ্চর্য=>ওইশ্ শোর্ জো
ঔপন্যাসিক=>ওউপোন্ নাশিক্
আহ্বান=>আও্ভান্/আওভান্
প্রতিজ্ঞা=>প্রোতিগ্ গাঁ
ব্যতিক্রম=>বেতিক্ ক্রোম্

ক) প্রমিত বাংলা বানানের পাঁচটি নিয়ম উদাহরণসহ লেখ।

প্রমিত বাংলা বানানের পাঁচটি নিয়ম:
১. সকল অতৎসম শব্দের বানানে ই-কার হবে। যেমন: কাহিনি, সরকারি ইত্যাদি।
২. সকল অতৎসম শব্দের বানানে উ-কার হবে। যেমন: চুন, পুজো, পুব ইত্যাদি।
৩. অতৎসম শব্দে ‘ক্ষ’ এর স্থলে ‘খ’ হবে। যেমন: খিদে, খুর ইত্যাদি।
৪. ভাষা ও জাতিবাচক শব্দে ই-কার হবে। যেমন: জাপানি, আরবি ইত্যাদি।
৫. রেফের পর ব্যঞ্জনবর্ণের দ্বিত্ব হবে না। যেমন: কর্ম, মর্ম ইত্যাদি।

অথবা, খ) নিচের যে-কোনো পাঁচটি শব্দের শুদ্ধ বানান লেখ:

অশুদ্ধ বানান =>শুদ্ধ বানান
উচ্ছাস=>উচ্ছ্বাস
মুমুর্ষ=>মুমূর্ষু
শিরচ্ছেদ=>শিরশ্ছেদ
মনোপুত=>মনঃপূত
বিভিষন=>বিভীষণ
নুন্যতম=>ন্যূনতম
হীনমন্যতা=>হীনম্মন্যতা

৩. ক) উদাহরণসহ ক্রিয়াপদের শ্রেণিবিভাগ আলোচনা কর।

ভাবপ্রকাশের দিক দিয়ে, বাক্যে কর্মের উপস্থিতির ভিত্তিতে এবং গঠন বিবেচনায় ক্রিয়াকে নানা ভাগে ভাগ করা যায়।

ক. ভাবপ্রকাশের দিক দিয়ে ক্রিয়া দুই প্রকার:

১. সমাপিকা ক্রিয়া:
যে ক্রিয়া দিয়ে ভাব সম্পূর্ণ হয়, তাকে সমাপিকা ক্রিয়া বলে। যেমন ভালো করে পড়াশোনা করবে।

২. অসমাপিকা ক্রিয়া:
যে ক্রিয়া ভাব সম্পূর্ণ করতে পারে না, তাকে অসমাপিকা ক্রিয়া বলে। যেমন ভালো করে পড়াশোনা করলে ভালো ফল হবে।

অসমাপিকা ক্রিয়া তিন ধরনের:
১. ভূত অসমাপিকা,
২. ভাবী অসমাপিকা
এবং ৩. শর্ত অসমাপিকা।

যথা:
ভূত অসমাপিকা:
সে গান করে আনন্দ পায়।
ভাবী অসমাপিকা:
সে গান শিখতে রাজশাহী যায়।
শর্ত অসমাপিকা:
গান করলে তার মন ভালো হয়।

খ. বাক্যের মধ্যে কর্মের উপস্থিতির ভিত্তিতে ক্রিয়া তিন প্রকার:

১. অকর্মক ক্রিয়া:
বাক্যে ক্রিয়ার কোনো কর্ম না থাকলে সেই ক্রিয়াকে অকর্মক ক্রিয়া বলে। যেমন: সে ঘুমায়। এই বাক্যে কোনো কর্ম নেই।

২. সকর্মক ক্রিয়া:
বাক্যের মধ্যে ক্রিয়ার কর্ম থাকলে সেই ক্রিয়াকে সকর্মক ক্রিয়া বলে। যেমন: সে বই পড়ছে। এই বাক্যে ‘পড়ছে’ হলো সকর্মক ক্রিয়া। ‘বই’ হলো ‘পড়ছে’ ক্রিয়ার কর্ম।

৩. দ্বিকর্মক ক্রিয়া:
বাক্যের মধ্যে ক্রিয়ার দুটি কর্ম থাকলে সেই ক্রিয়াকে দ্বিকর্মক ক্রিয়া বলে। যেমন: শিক্ষক ছাত্রকে বই দিলেন। এই বাক্যে ‘দিলেন’ একটি দ্বিকর্মক ক্রিয়া। ‘কী দিলেন’ প্রশ্নের উত্তর দেয় মুখ্য কর্ম (‘বই’), আর ‘কাকে দিলেন’ প্রশ্নের উত্তর দেয় গৌণ কর্ম (‘ছাত্রকে’)।

গ. গঠন বিবেচনায় ক্রিয়া পাঁচ রকম:

১. সরল ক্রিয়া:
একটিমাত্র পদ দিয়ে যে ক্রিয়া গঠিত হয় এবং কর্তা এককভাবে ক্রিয়াটি সম্পন্ন করে, তাকে সরল ক্রিয়া বলে। যেমন সে লিখছে। ছেলেরা মাঠে খেলছে। এখানে লিখছে ও খেলছে এগুলো সরল ক্রিয়া।

২. প্রযোজক ক্রিয়া:
কর্তা অন্যকে দিয়ে কাজ করালে তাকে প্রযোজক ক্রিয়া বলে। যেমন: তিনি আমাকে অঙ্ক করাচ্ছেন; রাখাল গরুকে ঘাস খাওয়ায়, – এখানে ‘করাচ্ছেন’ ও ‘খাওয়ায়’ প্রযোজক ক্রিয়া।

৩. নামক্রিয়া:
বিশেষ্য, বিশেষণ বা ধ্বন্যাত্মক শব্দের শেষে-আ বা-আনো প্রত্যয় যুক্ত হয়ে যে ক্রিয়া গঠিত হয়, তাকে নামক্রিয়া বলে। যেমন: বিশেষ্য চমক শব্দের সঙ্গে-আনো যুক্ত হয়ে হয়। চমকানো: আকাশে বিদ্যুৎ চমকায়; বিশেষণ কম শব্দের সঙ্গে-আ যুক্ত হয়ে হয় কমা: বাজারে সবজির দাম কমছে না; ধ্বন্যাত্মক ছটফট শব্দের সঙ্গে-আনো যুক্ত হয়ে হয় ছটফটানো: জবাই করা মুরগি উঠানে ছটফটায়।

৪. সংযোগ ক্রিয়া:
বিশেষ্য, বিশেষণ বা ধ্বন্যাত্মক শব্দের পরে করা, কাটা, হওয়া, দেওয়া, ধরা, পাওয়া, খাওয়া, মারা প্রভৃতি ক্রিয়া যুক্ত হয়ে সংযোগ ক্রিয়া গঠিত হয়।
করা ক্রিয়া যোগে: গান করা, 
কাটা ক্রিয়া যোগে: সাঁতার কাটা, 
হওয়া ক্রিয়া যোগে: উদয় হওয়া, 
দেওয়া ক্রিয়া যোগে: কথা দেওয়া,
ধরা ক্রিয়া যোগে: ভাঙন ধরা।

৫. যৌগিক ক্রিয়া:
অসমাপিকা ক্রিয়ার সঙ্গে সমাপিকা ক্রিয়া যুক্ত হয়ে যখন একটি ক্রিয়া গঠন করে, তখন তাকে যৌগিক ক্রিয়া বলে। যেমন: মরে যাওয়া, কমে আসা, এগিয়ে চলা ইত্যাদি।

অথবা, খ) নিম্নরেখ যে-কোনো পাঁচটি শব্দের ব্যাকরণিক শ্রেণি নির্দেশ কর:

i) অনেকেই ভাতের বদলে রুটি খায়।
ii) অধিক ভোজন অনুচিত।
iii) আমাদের ছোট গাঁয়ে ছোট ছোট ঘর।
iv) যথা ধর্ম, তথা জয়।
v) সবাই রাঙামাটি যেতে চাইছে।
vi) মন্ত্রের সাধন কিংবা শরীর পাতন।
vii) কাজটা ভালোভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
viii) হে বন্ধু, বিদায়।

ব্যাকরণিক শ্রেণি :
i) অনুসর্গ
ii) ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য
iii) বিশেষণ
iv) যোজক
v) সর্বনাম
vi) যোজক
vii) ক্রিয়া বিশেষণ
viii) সম্বোধন আবেগ

৪. ক) “উপসর্গের অর্থবাচকতা নেই কিন্তু অর্থদ্যোতকতা আছে” আলোচনা কর। ০৫

উপসর্গের সংজ্ঞা:
যেসব অর্থহীন শব্দাংশ অন্য শব্দের শুরুতে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে তাকে উপসর্গ বলে।

উপসর্গের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো, ‘এর কোনো অর্থবাচকতা নেই, কিন্তু অর্থদ্যোতকতা আছে।’ প্রত্যেকটি উপসর্গ মূলত এক ধরনের শব্দাংশ। এরা কোথাও পৃথকভাবে ব্যবহৃত হয় না, কিংবা এদের নিজস্ব কোনো অর্থও নেই। ধাতু বা শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে এরা মূল শব্দ বা ধাতুর অর্থের পরিবর্তন, পরিবর্ধন, সংকোচন, সম্প্রসারণ বা তার পূর্ণতা সাধন করে। যেমন: ‘কার’ একটি শব্দ। এর সঙ্গে বিভিন্ন উপসর্গ যুক্ত হয়ে নানা নতুন শব্দ গঠিত হতে পারে-

উপসর্গ=মূল শব্দ=উপসর্গযোগে গঠিত সাধিত শব্দ:
প্র+কার=>প্রকা
উপ+কার=উপকার
অধি+কার=অধিকার
অপ+কার=অপকার
বি+কার=বিকার

উপরের সাধিত শব্দগুলো থেকে প্র, উপ, অধি, অপ, বি উপসর্গগুলো পৃথক করলে তাদের আলাদা কোনো অর্থ পাওয়া যায় না। কিন্তু অন্য শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে ওই শব্দগুলোকে নানা অর্থবৈচিত্র্য দান করেছে। এভাবেই নিজস্ব অর্থহীন উপসর্গ অন্য কোনো শব্দ বা ধাতুর পূর্বে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করতে পারে বলেই বলা হয়- উপসর্গের অর্থবাচকতা নেই; কিন্তু অর্থদ্যোতকতা আছে।

অথবা, খ) ব্যাসবাক্যসহ সমাস নির্ণয় কর (যে-কোনো পাঁচটি):

প্রদত্ত শব্দ=ব্যাসবাক্য=সমাসের নাম
=>বনস্পতি=বনের পতি=৬ষ্ঠী তৎপুরুষ
=>জয় পতাকা=জয় নির্দেশক পতাকা=কর্মধারয়
=>অভূতপূর্ব=পূর্বে ভূত নয় যা=নঞ তৎপুরুষ
=>যথারীতি=রীতিকে অতিক্রম না করে=অব্যয়ীভাব
=>সপ্তর্ষি=সপ্ত খঋষির সমাহার=দ্বিগু
=>বাজিকর=বাজি করে যে=উপপদ তৎপুরুষ
=>অহিনকুল=অহি ও নকুল=দ্বন্দ্ব
=>কাজল কালো=কাজলের ন্যায় কালো=উপমান কর্মধারয়

৫. ক) অর্থ অনুসারে বাক্যের শ্রেণিবিভাগ উদাহরণসহ আলোচনা কর।

অর্থগতভাবে বাংলা বাক্যসমূহকে সাধারণত সাত ভাগে বিভক্ত করা যায়। যথা-

১. বর্ণনামূলক বাক্য:
যে বাক্য দ্বারা সাধারণভাবে কোনো কিছু বর্ণনা বা বিবৃত করা হয় তাকে বর্ণনামূলক বাক্য বলে। যেমন: গরু মাঠে ঘাস খায়। গাছে গাছে ফুল ফুটেছে। একে নির্দেশাত্মক বা বিবৃতিমূলক বাক্যও বলা হয়ে থাকে।

বর্ণনামূলক বাক্য দুরকম হয়ে থাকে। যথা:

ক. অস্তিবাচক:
যে বাক্যে কোনো ঘটনা, ভাব বা বক্তব্যের অস্তিত্ব বা হ্যাঁ-সূচক অর্থ প্রকাশ পায় তাকে অস্তিবাচক বাক্য বলে। যেমন: দিবা চুপ করে রইল।

খ. নেতিবাচক:
যে বাক্যে কোনো ঘটনা, ভাব বা বক্তব্যের না-সূচক অর্থ প্রকাশ পায় তাকে নেতিবাচক বাক্য বলে। যেমন: দিবা কোনো কথা বলল না।

২. প্রশ্নসূচক বাক্য:
যে বাক্য দ্বারা সরাসরি কোনো কিছু জানতে চাওয়া হয় তাকে প্রশ্নসূচক বাক্য বলে। যেমন: তোমার নাম কী ? তুমি কোন ক্লাসে পড়? একে প্রশ্নাত্মক বা প্রশ্নবোধক বাক্যও বলা হয়।

৩. ইচ্ছাসূচক বাক্য:
যে বাক্যে মনের ইচ্ছা, আকাঙ্ক্ষা বা প্রার্থনা প্রকাশ পায় তাকে ইচ্ছাসূচক বাক্য বলে। যেমন: যদি দশ কোটি টাকা পেতাম। জীবনে সফল হও। একে প্রার্থনাসূচক বাক্যও বলা হয়।

৪. আজ্ঞাসূচক বাক্য:
যে বাক্যে আদেশ, নিষেধ, আবেদন, অনুরোধ ইত্যাদি বোঝায় তাকে আজ্ঞাসূচক বাক্য বলে। যেমন: ওখানে গিয়ে বসো। সদা সত্য কথা বলবে। দয়া করে কলমটি দাও।

৫. আবেগসূচক বাক্য:
যে বাক্য দ্বারা মনের আকস্মিক আবেগ বা উচ্ছ্বাস প্রকাশ পায় তাকে আবেগসূচক বাক্য বলে। যেমন: দারুণ!  আমরা জিতে গেছি।

৬. সংশয়সূচক বাক্য:
নির্দেশাত্মক বাক্যের বক্তব্যের বিষয় সম্পর্কে সন্দেহ, সংশয়, সম্ভাবনা, অনুমান, অনিশ্চয়তা ইত্যাদি ভাব প্রকাশ পেলে তাকে সংশয়সূচক বাক্য বলে। একে সন্দেহদ্যোতক বাক্যও বলা হয়। এ ধরনের বাক্যে হয়তো, বুঝি, বুঝিবা, সম্ভবত, বোধ হয়, থাকি, নিশ্চয় প্রভৃতি সন্দেহসূচক শব্দ ব্যবহূত হয়। যেমন: বোধ হয় সে আর আসবেনা। সম্ভবত তিশার ব্যস্ততা বেড়েছে।

৭. কার্যকারণাত্মক বাক্য:
যে বাক্যে কোনো বিশেষ শর্তের অধীনে ক্রিয়া নিষ্পত্তি হয় তাকে কার্যকারণাত্মক বাক্য বলে। একে শর্তসূচক বাক্যও বলা হয়। যেমন: কষ্ট না করলে কেষ্ট মেলে না। নিয়মিত পড়ালেখা না করলে ভালো ফল হয় না।

অথবা, খ) নির্দেশ অনুযায়ী বাক্যান্তর কর (যে-কোনো পাঁচটি):

i) সত্য কথা না বলে বিপদে পড়েছি। (যৌগিক)
=>সত্য কথা বলিনি তাই বিপদে পড়েছি।
ii) এখনই ডাক্তার ডাকা উচিত। (অনুজ্ঞাবাচক)
=>এখনই ডাক্তার ডাকো।
iii) ফুল সকলেই ভালোবাসে। (প্রশ্নবাচক)
=>ফুল কে না ভালোবাসে?
iv) বাংলাদেশের চিরস্থায়িত্ব কামনা করি। (ইচ্ছাসূচক)
=>বাংলাদেশ চিরজীবী / চিরস্থায়ী হোক।
v) যে অন্ধ তাকে আলো দাও। (সরল)
=>অন্ধকে আলো দাও।
vi) বৃষ্টির অভাবে ফসল নষ্ট হবে। (জটিল)
=>যদি বৃষ্টির অভাব হয় তবে ফসল নষ্ট হবে।
vii) শিশুরা দূষণমুক্ত পরিবেশ চায়। (নেতিবাচক)
=>শিশুরা দূষিত পরিবেশ চায় না।
viii) শীতের পিঠা খেতে খুব মজা। (বিস্ময়সূচক)
=>শীতের পিঠা খেতে কী মজা!

৬. ক) নিচের অনুচ্ছেদটি শুদ্ধ করে লেখ:

বিদ্যানজনেরা সাধারণত সংস্কৃতিপ্রিয়। সৌহার্দতা আমাদের বাঙালি সংস্কৃতির প্রাণ। কিন্তু দিন দিন তা ম্লান হওয়ায় আমরা সশঙ্কিত। তবুও নিরাশায় ডুবে থাকলে চলবে না। এ ক্ষেত্রে যে কোনো শুভ উদ্যোগকে জানাই সুস্বাগত

শুদ্ধ অনুচ্ছেদ :
বিদ্বানেরা সাধারণত সংস্কৃতিপ্রিয়। সৌহার্দ আমাদের বাঙালি সংস্কৃতির প্রাণ। কিন্তু দিন দিন তা ম্লান হওয়ায় আমরা শঙ্কিত। তবুও নিরাশায় ডুবে থাকলে চলবে না। এক্ষেত্রে যেকোনো শুভ উদ্যোগকে স্বাগত জানাই

অথবা,  খ) যে কোনো পাঁচটি বাক্য শুদ্ধ করে লেখ:

অশুদ্ধ বাক্য =>শুদ্ধ বাক্য
i) তিনি সম্ভ্রান্তশালী বংশে জন্মেছেন।
=>তিনি সম্ভ্রান্ত বংশে জন্মেছেন।
ii) রবীন্দ্রনাথের প্রতিভা ভয়ঙ্কর।
=>রবীন্দ্রনাথের প্রতিভা অসাধারণ।
iii) দুর্বিসহ যন্ত্রণায় ভুগছি।
=>দুর্বিষহ যন্ত্রণায় ভুগছি।
iv) অদ্যবধি তাহার দেখা নাই।
=>অদ্যাবধি তাহার দেখা নাই।
v) কাব্যটির উৎকর্ষতা প্রশংসনীয়।
=>কাব্যটির উৎকর্ষ প্রশংসনীয়।
vi) হাটে কলস ভাঙা।
=>হাটে হাঁড়ি ভাঙা।
=vii) অন্যায়ের ফল দুর্নিবার্য।
=>অন্যায়ের প্রতিফল অনিবার্য।
viii) সব পাখিরা নীড় বাঁধে না।
=>সব পাখি নীড় বাঁধে না।

এইচএসসি ২০২৪ বাংলা ২য় পত্র যশোর বোর্ড (নির্মিতি অংশ)

খ-বিভাগ (নির্মিতি অংশ)
মান: ৭০

৭. ক) যে-কোনো দশটি শব্দের পারিভাষিক রূপ লেখ: ১০

প্রদত্ত শব্দ => পারিভাষিক রূপ
Dialect =>উপভাষা
Appendix =>পরিশিষ্ট
Brand =>ছাপ
Catalogue =>তালিকা, গ্রন্থতালিকা
Fundamental =>মৌলিক
Governing body =>পরিচালনা পর্যদ
Handicraft =>হস্তশিল্প
Concession =>ছাড় / সুবিধা
Forecast =>পূর্বাভাস
Terminology =>পরিভাষা
Violation =>লঙ্ঘন
Walk-out =>সভাবর্জন
Refugee =>বাস্তুহারা
Union =>সংঘ
Millennium =>সহস্রাব্দ

অথবা, খ) নিচের অনুচ্ছেদটি বাংলায় অনুবাদ কর:
Trees are our best friends. It helps us in different ways. It gives us shade, food, fuel, medicine and oxygen. Trees make our environment beautiful. Trees are our valuable wealth. It is very much necessary to make afforestation programme successful.

বঙ্গানুবাদ:
গাছ আমাদের বন্ধু। গাছ আমাদের নানাভাবে সহায়তা করে। গাছ আমাদের ছায়া, খাদ্য, জ্বালানি, ঔইং ও অক্সিজেন যোগায়। গাছ/বৃক্ষলতা আমাদের পরিবেশকে রমণীয় করে তোলে। গাছ আমাদের মূল্যবান সম্পদ। (তাই) বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সফল করে তোলা খুবই জরুরি/গুরুত্বপূর্ণ।

৮. ক) তোমার কলেজে মহান বিজয় দিবস উদ্যাপন বিষয়ে একটি দিনলিপি রচনা কর। ১০

অথবা, খ) ‘ডেঙ্গুজ্বর প্রতিরোধ সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে একটি প্রতিবেদন রচনা কর।

৯. ক) তোমার বন্ধুর জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানিয়ে তাকে একটি বৈদ্যুতিন চিঠি লেখ।

অথবা, খ) কলেজে বিতর্ক প্রতিযোগিতা আয়োজনের অনুমতি চেয়ে অধ্যক্ষের নিকট একটি আবেদনপত্র লেখ।

১০. ক) সারাংশ লেখ: ১০

সময় ও স্রোত কারও অপেক্ষায় বসে থাকে না। চিরকাল চলতে থাকে। সময়ের নিকট অনুনয় কর, একে ভয় দেখাও, ভ্রুক্ষেপও করবে না, সময় চলে যাবে আর ফিরবে না। নষ্ট স্বাস্থ্য ও হারানো ধন পুনঃপ্রাপ্ত হওয়া যায়; কিন্তু সময় একবার গত হয়ে গেলে আর ফিরে আসে না। গত সময়ের জন্য অনুশোচনা করা নিষ্ফল। যতই কাঁদ না কেন, গতসময় কখনও ফিরে আসবে না।

অথবা, খ) ভাব-সম্প্রসারণ কর: ১০
পথ পথিকের সৃষ্টি করে না, পথিকই পথের সৃষ্টি করে।

১১. ক) প্রদত্ত সংকেত অনুসরণে ‘আজ সফলতার সিঁড়িতে’ শিরোনামে খুদে গল্প রচনা কর:

জীবন বড়ই বিচিত্র। লিমার এমন একদিন ছিল, যখন প্রতিবেলা খাবার খাওয়ার মতো অর্থ তার ঘরে ছিল না। জীবনে কঠোর পরিশ্রম করে আজ একটা ভালো চাকরি করে সে। বাবা-মা বড় দুঃখে মানুষ করেছে……….

অথবা, খ) ‘মেট্রোরেল যোগাযোগ ব্যবস্থার মাইলফলক’ -এই বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর।

১২। যে-কোনো একটি বিষয় অবলম্বনে প্রবন্ধ রচনা কর:

ক) জাতীয় জীবনে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা
খ) তথ্য প্রযুক্তি ও বাংলাদেশ
গ) পদ্মাসেতু ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন
ঘ) স্বদেশপ্রেম
ঙ) কর্মমুখী শিক্ষা।

(উপকৃত হলে কিংবা কনফিউশান থাকলে দয়া করে কমেন্ট করবেন। ভুল ধরিয়ে দিতে পারলে চিরকৃতজ্ঞ থাকব। পরামর্শ দিয়ে পাশে থাকবেন, ইনশাআল্লাহ্।)

Leave a Reply

10 thoughts on “এইচএসসি ২০২৪ বাংলা ২য় প্রশ্ন ও সমাধান (যশোর বোর্ড)”

error: Content is protected !!
Scroll to Top