HSC 2025 Jessore Board Bangla 2nd Paper Question & Solution
এইচএসসি ২০২৫ বাংলা ২য় পত্র (যশোর বোর্ড) প্রশ্ন ও সমাধান টেক্সট আকারে সুন্দরভাবে গুছিয়ে দেয়া হলো।
এইচএসসি পরীক্ষা ২০২৫
ঢাকা বোর্ড
বাংলা দ্বিতীয় পত্র
বিষয় কোড: ২৩৭
সময়-৩ ঘণ্টা পূর্ণমান-১০০
এইচএসসি যশোর বোর্ড ২০২৫ বাংলা ২য় পত্র প্রশ্ন (ব্যাকরণ অংশ)
ক বিভাগ ব্যাকরণ
মান ৩০
১। ক) উদাহরণসহ ম-ফলা উচ্চারণের পাঁচটি নিয়ম লেখ।
১. শব্দের আদ্য ব্যঞ্জনবর্ণে ‘ম’ ফলা যুক্ত হলে সাধারণত সেই ‘ম’ অনুচ্চারিত থাকে। যেমন: স্মরণ (শঁরোন্), শ্মশান (শশান্)।
২. শব্দের মধ্যে বা শেষে ‘ম’ ফলা যুক্ত হলে সংযুক্ত ব্যঞ্জনের দ্বিত্ব উচ্চারণ হয়ে থাকে। যেমন: ছদ্ম (ছদ্ দোঁ), পদ্ম (পদ্ দোঁ), রশ্মি (রোশ্ শিঁ)।
৩. ণ, ন, ল, গ, ঙ, ট, ম – এ বর্ণগুলোর সঙ্গে ম-ফলা যুক্ত হলে ‘ম’-এর উচ্চারণ বজায় থাকে। যেমন: যুগ্ম (জুগ্ মো), জন্ম (জন্ মো), গুল্ম (গুল্ মো)।
৪. যুক্ত ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে সংযুক্ত ‘ম’ ফলার উচ্চারণ হয় না। যেমন: সূক্ষ্ম > শুক্খোঁ, লক্ষ্মণ (লোক্ খোঁন্), যক্ষ্মা (জক্ খাঁ)।
৫. ‘ম’ ফলা যুক্ত কতিপয় সংস্কৃত শব্দের উচ্চারণ সংস্কৃত রীতি অনুযায়ী হয়ে থাকে। যেমন: কুষ্মাণ্ড (কুশ্ মান্ ডো), সুস্মিতা (শুশ্ মিতা)।
অথবা, খ) যে কোনো পাঁচটি শব্দের শুদ্ধ উচ্চারণ লেখ:
প্রদত্ত শব্দ =>শুদ্ধ উচ্চারণ
অধ্যক্ষ=>ওদ্ ধোক্ খো
আবৃত্তি=>আবৃত্ তি
অদ্বিতীয়=>অদ্ দিতিয়ো
ঐকতান=>ওইকোতান্
সহস্র=>শহোস্ স্রো
স্মরণীয়=>শঁরোনিয়ো,
জ্ঞাপন=>গ্যাঁপোন
স্মর্তব্য=>শঁর্ তোব্ বো।
২। ক) বাংলা ভাষায় তৎসম শব্দের বানানে মূর্ধন্য ‘ণ’ ব্যবহারের পাঁচটি নিয়ম লেখ।
ণত্ব বিধান:
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত তৎসম শব্দের বানানে ‘ণ’-এর ব্যবহারের সঠিক নিয়মকেই ণত্ব বিধান বলে।
তৎসম শব্দের বানানে মূর্ধন্য ‘ণ’ ব্যবহারের পাঁচটি নিয়ম:
১. তৎসম শব্দের বানানে ঋ ও ঋ-কারের পর ‘ণ’ হয়। যেমন: ঋণ, তৃণ, মৃণাল, ঘৃণা ইত্যাদি।
২. তৎসম শব্দের বানানে র ও র-ফলার পর ‘ণ’ হয়। যেমন: কারণ, বর্ণ, কর্ণ, চূর্ণ, দীর্ণ, ঘ্রাণ, প্রাণ ইত্যাদি।
৩. তৎসম শব্দের বানানে যুক্তবর্ণের ক্ষেত্রে ট-বর্গীয় বর্ণের পূর্বে ‘ণ’ ব্যবহৃত হয়। যেমন: ঘণ্টা, কণ্টক, বণ্টন, লুণ্ঠন ইত্যাদি।
৪ . প্র, পরি, নির ইত্যাদি উপসর্গের পর ‘ণ’ হয়। যেমন: প্রণয়, পরিণাম , নির্ণয় ইত্যাদি।
৫. পর, পার, নার, রাম, রবীন্দ্র, উত্তর ইত্যাদি শব্দের পর ‘অয়ন’ থাকলে সাধিত শব্দে ‘ন’-এর পরিবর্তে ‘ণ’ হয়। যেমন: পরায়ণ, নারায়ণ, রামায়ণ, উত্তরায়ণ, রবীন্দ্রায়ণ ইত্যাদি।
অথবা, খ) যে কোনো পাঁচটি শব্দের বানান শুদ্ধ করে লেখ:
অশুদ্ধ বানান => শুদ্ধ বানান
আবিস্কার=>আবিষ্কার
প্রতিদ্বন্দিতা=>প্রতিদ্বন্দ্বিতা
শহীদমিনার=>শহিদমিনার
উশৃঙ্খল=>উচ্ছৃঙ্খল
নুন্যতম=>ন্যূনতম
নিশিথিনী=>নিশীথিনী
মুমুর্ষু=>মুমূর্ষু
সায়াহ্ণ=>সায়াহ্ন।
৩। ক) ক্রিয়াপদ কাকে বলে? উদাহরণসহ ক্রিয়াপদের শ্রেণিবিভাগ আলোচনা কর।
ভাবপ্রকাশের দিক দিয়ে, বাক্যে কর্মের উপস্থিতির ভিত্তিতে এবং গঠন বিবেচনায় ক্রিয়াকে নানা ভাগে ভাগ করা যায়।
ক. ভাবপ্রকাশের দিক দিয়ে ক্রিয়া দুই প্রকার:
১. সমাপিকা ক্রিয়া:
যে ক্রিয়া দিয়ে ভাব সম্পূর্ণ হয়, তাকে সমাপিকা ক্রিয়া বলে। যেমন ভালো করে পড়াশোনা করবে।
২. অসমাপিকা ক্রিয়া:
যে ক্রিয়া ভাব সম্পূর্ণ করতে পারে না, তাকে অসমাপিকা ক্রিয়া বলে। যেমন ভালো করে পড়াশোনা করলে ভালো ফল হবে।
অসমাপিকা ক্রিয়া তিন ধরনের:
১. ভূত অসমাপিকা,
২. ভাবী অসমাপিকা
এবং ৩. শর্ত অসমাপিকা।
যথা:
ভূত অসমাপিকা:
সে গান করে আনন্দ পায়।
ভাবী অসমাপিকা:
সে গান শিখতে রাজশাহী যায়।
শর্ত অসমাপিকা:
গান করলে তার মন ভালো হয়।
খ. বাক্যের মধ্যে কর্মের উপস্থিতির ভিত্তিতে ক্রিয়া তিন প্রকার:
১. অকর্মক ক্রিয়া:
বাক্যে ক্রিয়ার কোনো কর্ম না থাকলে সেই ক্রিয়াকে অকর্মক ক্রিয়া বলে। যেমন সে ঘুমায়। এই বাক্যে কোনো কর্ম নেই।
২. সকর্মক ক্রিয়া:
বাক্যের মধ্যে ক্রিয়ার কর্ম থাকলে সেই ক্রিয়াকে সকর্মক ক্রিয়া বলে। যেমন সে বই পড়ছে। এই বাক্যে ‘পড়ছে’ হলো সকর্মক ক্রিয়া। ‘বই’ হলো ‘পড়ছে’ ক্রিয়ার কর্ম।
৩. দ্বিকর্মক ক্রিয়া:
বাক্যের মধ্যে ক্রিয়ার দুটি কর্ম থাকলে সেই ক্রিয়াকে দ্বিকর্মক ক্রিয়া বলে। যেমন- শিক্ষক ছাত্রকে বই দিলেন। এই বাক্যে ‘দিলেন’ একটি দ্বিকর্মক ক্রিয়া। ‘কী দিলেন’ প্রশ্নের উত্তর দেয় মুখ্য কর্ম (‘বই’), আর ‘কাকে দিলেন’ প্রশ্নের উত্তর দেয় গৌণ কর্ম (‘ছাত্রকে’)।
গ. গঠন বিবেচনায় ক্রিয়া পাঁচ রকম:
১. সরল ক্রিয়া:
একটিমাত্র পদ দিয়ে যে ক্রিয়া গঠিত হয় এবং কর্তা এককভাবে ক্রিয়াটি সম্পন্ন করে, তাকে সরল ক্রিয়া বলে। যেমন সে লিখছে। ছেলেরা মাঠে খেলছে। এখানে লিখছে ও খেলছে এগুলো সরল ক্রিয়া।
২. প্রযোজক ক্রিয়া:
কর্তা অন্যকে দিয়ে কাজ করালে তাকে প্রযোজক ক্রিয়া বলে। যেমন তিনি আমাকে অঙ্ক করাচ্ছেন; রাখাল গরুকে ঘাস খাওয়ায় এখানে ‘করাচ্ছেন’ ও ‘খাওয়ায়’ প্রযোজক ক্রিয়া।
৩. নামক্রিয়া:
বিশেষ্য, বিশেষণ বা ধ্বন্যাত্মক শব্দের শেষে-আ বা-আনো প্রত্যয় যুক্ত হয়ে যে ক্রিয়া গঠিত হয়, তাকে নামক্রিয়া বলে। যেমন বিশেষ্য চমক শব্দের সঙ্গে-আনো যুক্ত হয়ে হয়। চমকানো: আকাশে বিদ্যুৎ চমকায়; বিশেষণ কম শব্দের সঙ্গে-আ যুক্ত হয়ে হয় কমা: বাজারে সবজির দাম কমছে না; ধ্বন্যাত্মক ছটফট শব্দের সঙ্গে-আনো যুক্ত হয়ে হয় ছটফটানো: জবাই করা মুরগি উঠানে ছটফটায়।
৪. সংযোগ ক্রিয়া:
বিশেষ্য, বিশেষণ বা ধ্বন্যাত্মক শব্দের পরে করা, কাটা, হওয়া, দেওয়া, ধরা, পাওয়া, খাওয়া, মারা প্রভৃতি ক্রিয়া যুক্ত হয়ে সংযোগ ক্রিয়া গঠিত হয়।
করা ক্রিয়া যোগে: গান করা,
কাটা ক্রিয়া যোগে: সাঁতার কাটা,
হওয়া ক্রিয়া যোগে: উদয় হওয়া,
দেওয়া ক্রিয়া যোগে: কথা দেওয়া,
ধরা ক্রিয়া যোগে: ভাঙন ধরা।
৫. যৌগিক ক্রিয়া:
অসমাপিকা ক্রিয়ার সঙ্গে সমাপিকা ক্রিয়া যুক্ত হয়ে যখন একটি ক্রিয়া গঠন করে, তখন তাকে যৌগিক ক্রিয়া বলে। যেমন মরে যাওয়া, কমে আসা, এগিয়ে চলা ইত্যাদি।
অথবা, খ) নিম্নরেখ যে কোনো পাঁচটি শব্দের ব্যাকরণিক শ্রেণি নির্দেশ কর:
i) মাথার উপরে জ্বলিছে সূর্য।
iii) ম্লান আলোকে ফুটলি
ii) সুখ কে না চায়?
iii) কেনো গোলক চাঁপার ফুল?
iv) হে মহান, তোমাকে অভিবাদন।
v) তোমায় দেখে প্রীত হলাম।
vi) কোথাও আমার হারিয়ে যাওয়ার নেই মানা।
vii) যথা ধর্ম, তথা জয়।
viii) এতক্ষণে অরিন্দম কহিলা বিষাদে।
পাঁচটি শব্দের ব্যাকরণিক শ্রেণি নির্দেশ করা হলো:
i) অনুসর্গ
ii) বিশেষ্য
iii) বিশেষণ
iv) আবেগ
v) ক্রিয়া
vi) ক্রিয়াবিশেষণ
vii) যোজক
viii) ক্রিয়াবিশেষণ
৪। ক) উপসর্গের সংজ্ঞা দাও। উপসর্গ ব্যবহার করে পাঁচটি শব্দ গঠন কর।
উপসর্গ:
যেসব অর্থহীন শব্দাংশ অন্য শব্দের শুরুতে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে তাকে উপসর্গ বলে।
যেমন: অ+কাজ = অকাজ, সু+দিন= সুদিন, দূর+দিন= দুর্দিন ইত্যাদি।
উপসর্গ ব্যবহার করে পাঁচটি শব্দ গঠন করা হলো:
১. প্র+ভাত=প্রভাত
২. অপ+কর্ম=অপকর্ম
৩. আ+হার=আহার
৪. সম+পূর্ণ=সম্পূর্ণ
৫. নি+খাদ=নিখাদ
অথবা, খ) ব্যাসবাক্যসহ সমাস নির্ণয় কর (যে কোনো পাঁচটি)
প্রদত্ত শব্দ = ব্যাসবাক্য = সমাসের নাম
সোনারতরী = সোনার তরী = অলুক তৎপুরুষ সমাস
সমন্বয়ক = সমন্বয় করে যে = উপপদ তৎপুরুষ
মহানবি = মহান যে নবি = কর্মধারয় সমাস
মূকাভিনয় = মুক সেজে অভিনয় = মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস
গায়ে-হলুদ = গায়ে হলুদ দেওয়া হয় যে অনুষ্ঠানে = অলুক বহুব্রীহি সমাস
সেতার= সে (তিন) তারের সমাহার = দ্বিগু সমাস
ভবনদী = ভব রূপ নদী = রূপক কর্মধারয় সমাস
তোমরা = সে ও তুমি = একশেষ দ্বন্দ্ব
৫। ক) বাক্য কাকে বলে? অর্থ অনুসারে বাক্যের প্রকারভেদ আলোচনা কর।
বাক্য:
যে পদ বা পদ সমষ্টি দ্বারা বক্তার পূর্ণ মনোভাব প্রকাশ পায় তাকে বাক্য বলে। যেমন: আমি একাদশ শ্রেণিতে পড়ি।
অর্থগতভাবে বাংলা বাক্যসমূহকে সাধারণত সাত ভাগে বিভক্ত করা যায়। যথা-
১. বর্ণনামূলক বাক্য:
যে বাক্য যারা সাধারণভাবে কোনো কিছু বর্ণনা বা বিবৃত করা হয় তাকে বর্ণনামূলক বাক্য বলে।
যেমন: গরু মাঠে ঘাস খায়। গাছে গাছে ফুল ফুটেছে। একে নির্দেশাত্মক বা বিবৃতিমূলক বাক্যও বলা হয়ে থাকে।
বর্ণনামূলক বাক্য দুরকম হয়ে থাকে। যথা-
ক. অস্তিবাচক:
যে বাক্যে কোনো ঘটনা, ভাব বা বক্তব্যের অস্তিত্ব বা হ্যাঁ-সূচক অর্থ প্রকাশ পায় তাকে অস্তিবাচক বাক্য বলে।
যেমন: দিবা চুপ করে রইল।
খ. নেতিবাচক:
যে বাক্যে কোনো ঘটনা, ভাব বা বক্তব্যের না-সূচক অর্থ প্রকাশ পায় তাকে নেতিবাচক বাক্য বলে।
যেমন: দিবা কোনো কথা বলল না।
২. প্রশ্নসূচক বাক্য:
যে বাক্য দ্বারা সরাসরি কোনো কিছু জানতে চাওয়া হয় তাকে প্রশ্নসূচক বাক্য বলে।
যেমন: তোমার নাম কী ? তুমি কোন ক্লাসে পড়? একে প্রশ্নাত্মক বা প্রশ্নবোধক বাক্যও বলা হয়।
৩. ইচ্ছাসূচক বাক্য:
যে বাক্যে মনের ইচ্ছা, আকাঙ্ক্ষা বা প্রার্থনা প্রকাশ পায় তাকে ইচ্ছাসূচক বাক্য বলে।
যেমন: যদি দশ কোটি টাকা পেতাম। জীবনে সফল হও। একে প্রার্থনাসূচক বাক্যও বলা হয়।
৪. আজ্ঞাসূচক বাক্য:
যে বাক্যে আদেশ, নিষেধ, আবেদন, অনুরোধ ইত্যাদি বোঝায় তাকে আজ্ঞাসূচক বাক্য বলে।
যেমন: ওখানে গিয়ে বসো। সদা সত্য কথা বলবে। দয়া করে কলমটি দাও।
৫. আবেগসূচক বাক্য:
যে বাক্য দ্বারা মনের আকস্মিক আবেগ বা উচ্ছ্বাস প্রকাশ পায় তাকে আবেগসূচক বাক্য বলে।
যেমন: আহ! কী আরাম!এও কি সম্ভব!
৬. সংশয়সূচক বাক্য:
নির্দেশাত্মক বাক্যের বক্তব্যের বিষয় সম্পর্কে সন্দেহ, সংশয়, সম্ভাবনা, অনুমান, অনিশ্চয়তা ইত্যাদি ভাব প্রকাশ পেলে তাকে সংশয়সূচক বাক্য বলে। একে সন্দেহদ্যোতক বাক্যও বলা হয়। এ ধরনের বাক্যে হয়তো, বুঝি, বুঝিবা, সম্ভবত, বোধ হয়, থাকি, নিশ্চয় প্রভৃতি সন্দেহসূচক শব্দ ব্যবহূত হয়।
যেমন: বোধ হয় আয় আর আসবেনা। সম্ভবত দিবার ব্যস্ততা বেড়েছে।
৭. কার্যকারণাত্মক বাক্য:
যে বাক্যে কোনো বিশেষ শর্তের অধীনে ক্রিয়া নিষ্পত্তি হয় তাকে কার্যকারণাত্মক বাক্য বলে। একে শর্তসূচক বাক্যও বলা হয়।
যেমন: কষ্ট না করলে কেষ্ট মেলে না। নিয়মিত পড়ালেখা না করলে ভালো ফল হয় না
অথবা, খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুযায়ী বাক্যান্তর কর (যে কোনো পাঁচটি):
প্রদত্ত বাক্য =>বাক্যান্তর
i) জয় হোক তবজয়। (নির্দেশাত্মক)
=>তোমার জয় হবে।
ii) চলো ঘুরে আসি। (প্রশ্নবাচক)
=>একটু কি ঘুরে আসা যায় না?
iii) আমার বন্ধু হরিশ। (জটিল)
=>যে আমার বন্ধু, তার নাম হরিশ।
iv) লোকে যা বলে তাতে কান দিওনা। (যৌগিক)
=>লোকে বলবে কিন্তু তাতে কান দিও না।v) তুমি অধম, তাই বলে আমি উত্তম হব না কেন? (সরল)
=>তুমি অধম বলে আমি উত্তম হব না কেন?
vi) দেশের সেবা করা কর্তব্য। (অনুজ্ঞাবাচক)
=>দেশের সেবা করো।
(vii) ফুলটি খুব সুন্দর। (বিস্ময়সূচক)
=>ফুলটি কী সুন্দর!
viii) ঘরে এলে খাতির করব না কেনো? (অস্তিবাচক)
=>ঘরে এলে খাতির করব।
৬। ক) যে কোনো পাঁচটি বাক্য শুদ্ধ করে লেখ:
অশুদ্ধ বাক্য =>শুদ্ধ বাক্য
i) সমুদয় পক্ষীরাই নীড় বাঁধে।
=>সব পাখিই নীড় বাঁধে।
ii) বিদ্বান মূর্খ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠতর।
=>বিদ্বান মূর্খ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ।
iii) বাক্যটির উৎকর্ষতা প্রশংসনীয়।
=>বাক্যটির উৎকর্ষ প্রশংসনীয়।
iv) ঐক্যতান রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি কবিতা।
=>’ঐকতান’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি কবিতা।
v) এক পৌষে শীত যায় না।
=>এক মাঘে শীত যায় না।
vi) ঘড়িকে হাতে দাও।
=>হাতে ঘড়ি দাও।
vii) মধুমিতা এমন রূপসী যেন অপ্সরী।
=>মধুমিতা এমন রূপসি যেন অপ্সরী।
viii) বাংলা বানান আয়ত্ব করা বেশ কঠিন।
=>বাংলা বানান আয়ত্ত করা বেশ কঠিন।
অথবা, খ) নিচের অনুচ্ছেদের অপপ্রয়োগগুলো শুদ্ধ করে লেখ:
জীবন বৃক্ষের শাখায় যে ফুল ফোটে তাই মনুসতত্ত্ব। বৃক্ষের গোড়ায় জল ঢালতে হবে এই ফুলের দিকে লক্ষ্য রেখে। শুধু মাটির রশ টেনে গাছটা মোটা হয়ে উঠবে এই ভেবে কোনো মালী গাছের গোড়ায় জল ঢালে না। সমাজ ব্যবস্থাকেও ঠিক করতে হবে। মানুষকে খাইয়ে দাইয়ে মোটা করে তুলবার জন্য নয়, মানুষের অন্তরে মূল্যবোধ তথা সুন্দর্য্য, প্রেম ও আনন্দ সম্বন্ধে চেতনা জাগিয়ে তুলবার উদ্দেশ্য।
শুদ্ধ অনুচ্ছেদ:
জীবন বৃক্ষের শাখায় যে ফুল ফোটে তাই মনুষ্যত্ব। বৃক্ষের গোড়ায় জল ঢালতে হবে এই ফুলের দিকে লক্ষ রেখে। শুধু শুধু মাটির রস টেনে গাছটা মোটা হয়ে উঠবে, এই ভেবে কোনো মালী গাছের গোড়ায় জল ঢালে না। সমাজব্যবস্থাকেও ঠিক করতে হবে মানুষকে খাইয়ে-দাইয়ে মোটা করে তুলবার জন্য নয়, মানুষের অন্তরে মূল্যবোধ তথা সৌন্দর্য, প্রেম ও আনন্দ সম্বন্ধে চেতনা জাগিয়ে তুলবার উদ্দেশ্যে।
HSC ২০২৫ যশোর বোর্ড বাংলা ২য় পত্র প্রশ্ন ও সমাধান (নির্মিতি অংশ)
খ বিভাগ নির্মিতি
মান ৭০
৭। ক) যে কোনো দশটি শব্দের বাংলা পারিভাষিক রূপ লেখ:
প্রদত্ত শব্দ => পারিভাষিক রূপ
Optional=>ঐচ্ছিক
Graduate=>স্নাতক;
File=>নথি
Equation=>সমীকরণ
Radio=>বেতার যন্ত্র:
Training=>প্রশিক্ষণ
Secretary=>সচিব
Quota=>নির্ধারিত অংশ/যথাংশ/কোটা;
Forecast=>পূর্বাভাস
Theory=>তত্ত্ব/সিদ্ধান্ত/সূত্র
Note=>মন্তব্য টীকা
Myth=>পুরাণ/অতিকথা
Galaxy=>ছায়াপথ।
Nebula=>নীহারিকা
Tax=>কর
অথবা, খ) নিচের অনুচ্ছেদটি বাংলায় অনুবাদ কর:
A patriot is a man who loves his country, works for it and is willing to fight and die for it. Every soldier is bound to do his duty, but the best soldiers do more than this. They risk their lives because they love the country. They are the best friends of the people.
বঙ্গানুবাদ:
যে ব্যক্তি নিজের দেশকে ভালোবাসে, দেশের জন্যে কাজ করে এবং দেশের জন্য যুদ্ধ করতে ও জীবন দিতে প্রস্তুত সেই দেশপ্রেমিক। প্রত্যেক সৈন্যই তার কর্তব্য সম্পাদনে বাধ্য, কিন্তু শ্রেষ্ঠ সৈনিকেরা এর চেয়ে বেশি কিছু করে থাকে। দেশকে ভালোবাসে বলেই তারা জীবনের ঝুঁকি নেয়। তারা জনগণের সর্বোত্তম বন্ধু।
৮। ক) তোমার এইচ,এস,সি পরীক্ষার পূর্বরাতের একটি দিনলিপি লেখ।
অথবা, খ) ‘পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণ’-এ শিরোনামে প্রতিবেদন রচন কর।
৯। ক) ফেসবুকে অধিক সময় না দেওয়ার জন্য ছোটভাইকে একটি বৈদ্যুতিন চিঠি।
অথবা, খ) তোমার এলাকায় ডেঙ্গুজ্বর প্রতিরোধে ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানিয়ে পৌরসভা মেয়র অথবা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়াম্যানের কাছে একটি আবেদনপত্র লেখ।
১০। ক) সারমর্ম লেখ: ১০
এসেছে নতুন শিশু, তাকে ছেড়ে দিতে হবে স্থান
জীর্ণ পৃথিবীতে ব্যর্থ,
মৃত আর ধ্বংসস্তুপ পিঠে চলে যেতে হবে আমাদের
চলে যাব- তবু আজ যতক্ষণ দেহে আছে প্রাণ
প্রাণপণে পৃথিবীর সরাব জঞ্জাল।
এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি
নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।
অথবা, খ) ভাব-সম্প্রসারণ কর:
প্রাণ থাকলেই প্রাণী হয় কিন্তু মন না থাকলে মানুষ হয় না।
১১। ক) সড়ক দুর্ঘটনা বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যকার কথোপকথন তুলে ধর। ১০
অথবা, খ) প্রদত্ত সংকেত অবলম্বনে ‘লোভের পরিণাম’ শীর্ষক একটি ক্ষুদে গল্প রচনা কর।
গল্প সংকেত: স্থানীয় কৃষি অফিস থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে একটি ফলের বাগান করে শামীম………………
১২। নিচের যে কোনো একটি বিষয় অবলম্বনে প্রবন্ধ রচনা কর: ২০
ক) অধ্যবসায়
খ) মানব কল্যাণে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
গ) নারীর ক্ষমতায়ন
ঘ) বাংলাদেশের পর্যটন শিল্প: সমস্যা ও সম্ভাবনা
ঙ) স্বদেশপ্রেম।
(উপকৃত হলে কিংবা কনফিউশান থাকলে দয়া করে কমেন্ট করবেন। ভুল ধরিয়ে দিতে পারলে চিরকৃতজ্ঞ থাকব। পরামর্শ দিয়ে পাশে থাকবেন, ইনশাআল্লাহ্।)
- এইচএসসি ব্যাকরণ অংশের টোপিকভিত্তিক বোর্ড প্রশ্ন সমাধান একসাথে (২০১৬-২০২৫)
- এইচএসসি বাংলা ২য় পত্র সকল বোর্ড প্রশ্ন ও সমাধান (২০১৮-২০২৫)
- আলিম বাংলা ২য় বোর্ড প্রশ্ন ও সমাধান (২০১৮-২০২৪)
- এসএসসি বাংলা ২য় পত্র সকল বোর্ড প্রশ্ন ও সমাধান (২০২০-২৫)
- মাদ্রাসা বোর্ডের দাখিল বাংলা ২য় প্রশ্ন ও সমাধান (২০২০-২০২৫)
- ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষার বাংলা প্রশ্ন (২০০৮-২০২৫)

ধন্যবাদ
আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ!
পরামর্শ দিয়ে পাশে থাকবেন।