HSC 2018 All Board Bangla 2nd Paper Question & Solution
এইচএসসি বাংলা ২য় পত্র ২০১৮ সকল বোর্ড (ব্যাকরণ অংশের প্রশ্নসহ উত্তর মালা)
ক-বিভাগ (ব্যাকরণ অংশ)
মান: ৩০
১. ক) ‘এ’ ধ্বনি উচ্চারণের পাঁচটি নিয়ম উদাহরণসহ লেখো। ০৫
এ’ ধ্বনি উচ্চারণের পাঁচটি নিয়ম:
১. তৎসম শব্দের এ-এর উচ্চারণ সাধারণত অবিকৃত থাকে। যেমন: বেদনা (বেদোনা), দেবতা (দেবোতা)।
২. আদ্য এ-এর পরে ‘অ’ বা ‘আ’ থাকলে সেই ‘এ’ এর উচ্চারণ ‘অ্যা’ এর মতো হয়।
যেমন: এক (অ্যাক্), তেমন (ত্যামোন্)।
৩. এ-কারযুক্ত ধাতুর সঙ্গে ‘আ’ প্রত্যয় যুক্ত হলে সেই ‘এ’-এর উচ্চারণ অ্যা-রূপে হয়ে থাকে। যেমন: খেলা (খ্যালা), বেলা (ব্যালা)।
৪. শব্দের শেষের এ-এর উচ্চারণ সাধারণত অবিকৃত থাকে। যেমন: পথে, ঘাটে, হাটে, মাঠে।
৫. একাক্ষর সর্বনাম পদের ‘এ’ সাধারণত অবিকৃত এ-রূপে উচ্চাতির হয়। যেমন: সে, যে, কে।
খ) যে কোনো পাঁচটি শব্দের উচ্চারণ লেখো:
প্রদত্ত শব্দ = প্রমিত উচ্চারণ
শ্রাবণ = স্রাবোন্
রাষ্ট্রপতি = রাশ্ ট্রো পোতি
শ্রদ্ধাস্পদ = স্রোদ্ ধাশ্ পদো
নক্ষত্র = নোক্ খোত্ ত্রো
অত্যাবশ্যক = ওত্ তা বোশ্ শোক্
দায়িত্ব = দায়িত্ তো
প্রেতাত্মা = প্রেতাত্ তাঁ
প্রজ্ঞা = প্রোগ্ গাঁ
২. ক) বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম অনুসারে ই, উ, ক্ষ, শ এবং রেফ (´) ব্যবহরের নিয়ম উদাহরণসহ লেখো: ০৫
ই, উ, ক্ষ, শ এবং রেফ (´) ব্যবহরের নিয়ম:
১. সকল অতৎসম শব্দের বানানে ই-কার হবে। যেমন; কাহিনি, সরকারি ইত্যাদি।
২. সকল অতৎসম শব্দের বানানে উ-কার হবে। যেমন: চুন, পুজো, পূব ইত্যাদি।
৩. অতৎসম শব্দে ‘ক্ষ’ এর স্থলে ‘খ’ হবে। যেমন: খিদে, খুর ইত্যাদি।
৪. ইংরেজি ও ইংরেজির মাধ্যমে আগত বিদেশি s ধ্বনির জন্য স এবং -sh, -sion, -ssion, -tion প্রভৃতি বর্ণগুচ্ছ বা ধ্বনির জন্য শ ব্যবহৃত হবে। যেমন: পাসপোর্ট, বাস; ক্যাশ; মিশন, সেশন; স্টেশন ইত্যাদি।
৫. রেফের পর ব্যঞ্জনবর্ণের দ্বিত্ব হবে না। যেমন; কর্ম, মর্ম ইত্যাদি।
অথবা, খ) যে কোনো পাঁচটি শব্দের বানান শুদ্ধ করে লেখো:
অশুদ্ধ বানান = শুদ্ধ বানান
স্বত্ত্বা = সত্তা
সমিচীন = সমীচীন
আইনজীবি = আইনজীবী
পোষ্টমাষ্টার = পোস্টমাস্টার
মূর্ছনা = মূর্ছনা
বিদূষি = বিদুষী
উচ্ছাস = উচ্ছ্বাস
ইতিমধ্যে = ইতোমধ্যে
৩. ক) যোজক কাকে বলে? যোজক কত প্রকার ও কী কী? উদাহরণসহ আলোচনা করো। ০৫
যোজক
যে শব্দ একটি বাক্যাংশের সাথে অন্য একটি বাক্যাংশ অথবা বাক্যস্থিত একটি শব্দের সঙ্গে অন্য একটি শব্দের সংযোজন, বিয়োজন বা সংকোচন ঘটায় তাকে যোজক বলে। যেমন: রাজিব কবিতা পড়বে আর রাকিব গাইবে গান। কলশিটা ভালো করে ধর নইলে পানি পড়ে যাবে।
* অর্থ এবং সংযোজনের ধরন ও বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী যোজক পাঁচ প্রকার। যথা-
১. সাধারণ যোজক:
যে যোজক দ্বারা একাধিক শব্দ, বাক্য বা বাক্যাংশকে সংযুক্ত করা হয় তাকে সাধারণ যোজক বলে। যেমন: রানা ঢাকা যাবে এবং চিড়িয়াখানা দেখবে।
২. বিকল্প যোজক:
যে যোজক দ্বারা একাধিক শব্দ, বাক্য বা বাক্যাংশের মধ্যে বিকল্প নির্দেশ করা হয় তাকে বিকল্প যোজক বলে। যেমন: মন ভালো হলে তুমি কাজ করবে নতুবা বসে থাকবে।
৩. বিরোধমূলক যোজক:
যে যোজক দ্বারা দুটি বাক্যের সংযোগ ঘটিয়ে দ্বিতীয়টি দ্বারা প্রথমটির সংশোধন বা বিরোধ নির্দেশ করা হয় তাকে বিরোধমূলক যোজক বলে। যেমন: তাকে টাকা দিতে চাইলাম কিন্তু নিল না।
৪. কারণবাচক যোজক:
একটি বাক্যের কারণ হিসেবে অপর একটি বাক্যের সংযোগ ঘটানো হয় যে যোজক দ্বারা তাকে কারণবাচক যোজক বলে। যেমন: নাহিদ বাইরে যাবে না কারণ সেখানে এখন কারফিউ চলছে।
৫. সাপেক্ষ যোজক:
পরস্পর নির্ভরশীল যে যোজক একে অন্যের পরিপূরক হিসেবে বাক্যে ব্যবহৃত হয় তাকে সাপেক্ষ যোজক বলে। যেমন: যদি পড়াশোনা কর তবে কৃতকার্য হবে।
অথবা, খ) নিচের অনুচ্ছেদ থেকে নিম্নরেখ শব্দগুলোর ব্যাকরণিক শ্রেণি নির্দেশ করো:
সে ছিল চমৎকার এক সুন্দরী তরুণী। নিয়তির ভুলেই যেন এক কেরানির পরিবারে তার জন্ম হয়েছে। তার ছিল না কোনো আনন্দ, কোনো আশা। পরিচিত হবার, প্রশংসা পাওয়ার, প্রেমলাভ করার এবং কোনো ধনী অথবা বিশিষ্ট লোকের সঙ্গে বিবাহিত হওয়ার কোনো উপায় তার ছিল না। তাই শিক্ষা পরিষদ আপিসের সামান্য এক কেরানির সঙ্গে বিবাহ সে স্বীকার করে নিয়েছিল।
ব্যাকরণিক শ্রেণি
সুন্দরী = বিশেষণ
পরিবারে = বিশেষ্য
তার = সর্বনাম
অথবা= যোজক
সামান্য = বিশেষণ
৪. ক) যে কোনো পাঁচটি শব্দের প্রত্যয়ের নামসহ প্রকৃতি ও প্রত্যয় নির্ণয় করো: ০৫
প্রদত্ত শব্দ = প্রকৃতি + প্রত্যয় = প্রত্যয়ের নাম
জয় = √জি + অ = কৃৎ প্রত্যয়
নীলিমা = নীল + ইমা = তদ্ধিত প্রত্যয়
উক্তি = √বচ্ + তি = কৃৎ প্রত্যয়
প্রেম = প্রিয় + ইমন =তদ্ধিত প্রত্যয়
সম্রাট = সম্ + √রাজ্ + ক্বিপ =কৃৎ প্রত্যয়
খোদাই = √খুদ্ + আই = কৃৎ প্রত্যয়
প্রাচুর্য =প্রচুর + য = তদ্ধিত প্রত্যয়
ধার্মিক = ধর্ম + ইক = তদ্ধিত প্রত্যয়
অথবা, খ) বাসবাক্যসহ সমাস নির্ণয় করো (যে কোনো পাঁচটি ) :
প্রদত্ত শব্দ = ব্যাসবাক্য = সমাসের নাম
প্রভাকর = প্রভা করে যে = উপপদ তৎপুরুষ
উপনদী = নদীর সদৃশ = অব্যয়ীভাব
রাজপথ = পথের রাজা = ষষ্ঠী তৎপুরুষ
উদ্বেল = বেলাকে অতিক্রান্ত = অব্যয়ীভাব
বীরকেশরী = বীর কেশরীর ন্যায় = উপমিত কর্মধারয়
আশীবিষ = আশীতে বিষ যার = বহুব্রীহি
বই পড়া = বইকে পড়া = দ্বিতীয়া তৎপুরুষ
অহিনকুল = অহি ও নকুল = দ্বন্দ্ব
৫. ক) বাক্য কী? সার্থক বাক্যের বৈশিষ্ট্যসমূহ উদাহরণসহ আলোচনা কর। ০৫
বাক্য:
যে পদ বা পদ সমষ্টি দ্বারা বক্তার পূর্ণ মনোভাব প্রকাশ পায় তাকে বাক্য বলে। যেমন: আমি একাদশ শ্রেণিতে পড়ি।
বাক্যের গুণ:
অর্থ স্পষ্ট হওয়ার জন্য আকাঙ্ক্ষার নিবৃত্তি, সম্পূর্ণ-মনোভাব প্রকাশ এবং অর্থগত ও ভাবগত মেল বন্ধন হলো বাক্যের গুণ।
একটি সার্থক বাক্যের তিনটি গুণ বা বৈশিষ্ট্য থাকা আবশ্যক। যথা:
ক. আকাঙ্ক্ষা:
বাক্যের অন্তর্গত একটি পদের পর তার পরবর্তী পদ শোনার যে আগ্রহ তাকেই আকাঙ্ক্ষা বলে। একটি সার্থক বাক্যে এই আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে হয়। কোনো বাক্যে এই আকাঙ্ক্ষা অপূর্ণ থাকলে তা বাক্য হিসেবে সার্থক হয় না। যেমন: ‘ঢাকা বাংলাদেশের’ বললে শ্রোতার আকাঙ্ক্ষা পূরণ হয় না কিন্তু ‘ঢাকা বাংলাদেশের রাজধানী’ বললে শ্রোতার আর আকাঙ্ক্ষা থাকে না। সুতরাং ‘ঢাকা বাংলাদেশের’ বাক্য নয়, ‘ঢাকা বাংলাদেশের রাজধানী’ একটি সার্থক বাক্য।
খ. আসত্তি:
বাক্যের সুশৃঙ্খল পদবিন্যাসকেই আসত্তি বলে। বাক্যস্থিত পদসমূহের বিন্যাস সুশৃঙ্খল বা যথাযথ না হলে তাকে বাক্য বলা যায় না। যেমন: ‘সাদা বকের দল আকাশে উড়ছে।’ উল্লিখিত বাক্যে পদসমূহের বিন্যাস সুশৃঙ্খল বা যথাযথ হওয়ায় এটি একটি সার্থক বাক্যে পরিণত হয়েছে। কিন্তু এই পদসমষ্টিকে যদি সুশৃঙ্খলভাবে বিন্যাস না করে বলা হয়, ‘সাদা উড়ছে দল বকের আকাশে’ তাহলে আসত্তি গুণের অভাবে বাক্যটি সার্থক হবে না। তাই একটি সার্থক বাক্য গঠনের ক্ষেত্রে অবশ্যই আসত্তি গুণটি থাকতে হবে।
গ. যোগ্যতা:
বাক্যে ব্যবহৃত পদগুলোর অর্থ ও ভাবগত মিল বা সামঞ্জস্যকে যোগ্যতা বলে। একটি সার্থক বাক্য গঠনের ক্ষেত্রে অর্থ ও ভাবগত অন্বয় রক্ষিত না হলে বাক্য তার যোগ্যতা হারায়। যেমন: ‘গরুগুলো আকাশে উড়ছে।’ বাক্যটিতে আকাঙ্ক্ষা এবং আসত্তি গুণ রক্ষিত হলেও এটি সার্থক বাক্য নয়; কেননা, এতে ব্যবহৃত পদগুলোর সঙ্গে ভাবের কোনো সাদৃশ্য নেই। কিন্তু এর পরিবর্তে যদি বলা হয়, ‘পাখিগুলো আকাশে উড়ছে।’ তাহলে এটি যোগ্যতাসম্পন্ন একটি সার্থক বাক্য হয়ে উঠবে।
অথবা, খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যে কোনো পাঁচটির বাক্যান্তর কর:
প্রদত্ত বাক্য =>বাক্যান্তর :
১. সাহিত্য জীবনের স্বাভাবিক প্রকাশ। (প্রশ্নবোধক)
=>সাহিত্য কি জীবনের স্বাভাবিক প্রকাশ নয়?
২. বিপন্নদের সেবা করা কর্তব্য। (অনুজ্ঞাসূচক)
=>বিপন্নদের সেবা করো।
৩. রাঙ্গামাটির প্রাকৃতিক দৃশ্য খুবই চমৎকার। (বিস্ময়বোধক)
=>বাহ! রাঙ্গামাটির প্রাকৃতিক দৃশ্য কী চমৎকার।
৪. অনুষ্ঠানটি আমি উপস্থাপনা করব। (নেতিবাচক)
=>অনুষ্ঠানটি আমি উপস্থাপনা না করে পারব না।
৫. উদারতা কৃপণদের ধর্ম নয়। (অস্তিবাচক)
=>অনুদারতা কৃপণদের ধর্ম।
৬. সূর্যোদয়ে অমানিশা কেটে যাবে। (জটিল)
=>যখন সূর্যোদয় হবে তখন অমানিশা কেটে যাবে
৭. যারা সংস্কৃতিবান তারা শান্তিপ্রিয় হয়। (সরল)
=>সংস্কৃতিবানরা শান্তিপ্রিয় হয়।
৮. যদিও সে অশিক্ষিত তবু সে দেশপ্রেমিক। (যৌগিক)
=>সে অশিক্ষিত কিন্তু দেশপ্রেমিক।
৬. ক) যে কোনো পাঁচটি বাক্যের অপপ্রয়োগ শুদ্ধ করে লেখ: ০৫
প্রদত্ত বাক্য => শুদ্ধ বাক্য
i. তিনি আজ ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ভাষণ দেবে।
=>তিনি আজ ভিডিও কনফারেন্সে ভাষণ দেবেন।
ii. প্রয়াত কবিকে আমরা সবাই অশ্রুজলে বিদায় দিলাম।
=>প্রয়াত কবিকে আমরা সবাই চোখের জলে বিদায় দিলাম।
iii. তাহারা সবাই অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছে।
=>তারা সবাই অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছে।
iv. সুশিক্ষার কোনো বিকল্প নেই।
=>শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই।
v. এতে গৌরব লোপ হয়েছে।
=>এতে গৌরব লোপ পেয়েছে।
vi. শ্রাবণী অত্যন্ত বুদ্ধিমান মেয়ে।
=>শ্রাবণী খুব বুদ্ধিমতী।
vii. সকল সদস্যগণকে অভিনন্দন জানাচ্ছি।
=>সকল সদস্যকে অভিনন্দন জানাচ্ছি।
viii. পরবর্তীতে আপনি আবার আসবেন।
=>আপনি আবার আসবেন।
খ) নিচের অনুচ্ছেদের অপপ্রয়োগগুলো শুদ্ধ কর:
অপপ্রয়োগ
জামিল সাহেব স্বপরিবারে ছুটি কাটাতে চলেছেন। এবার তাঁর যাত্রা কক্সবাজারের সমুদ্রসৈকত। কিন্তু ট্রেনে কিছু যাত্রীর সৌজন্যতাহীন আচরণে তিনি বড় বিরক্ত হলেন। শিক্ষাসফরের যাত্রীরা অসুরে গলায় সুরদেবীর আরাধনা করছে। তবে তাঁর বিরক্তবোধ প্রকাশ পাওয়া মাত্রই তারা নিজেদের ভুল বুঝতে পারে।
শুদ্ধ অনুচ্ছেদ:
জামিল সাহেব সপরিবারে ছুটি কাটাতে চলেছেন। এবার তাঁদের যাত্রা কক্সবাজারের সমুদ্রসৈকত। কিন্তু ট্রেনে কিছু যাত্রীর অসৌজন্য আচরণে তিনি বড় বিরক্ত হলেন। শিক্ষাসফরের যাত্রীরা বেসুরে গলায় সুরদেবীর আরাধনা করছে। তবে তাঁর বিরক্ত প্রকাশ পাওয়া মাত্রই তারা নিজেদের ভুল বুঝতে পারে।
এইচএসসি ২০১৮ বাংলা ২য় পত্র সকল বোর্ড (নির্মিতি অংশ)
খ-বিভাগ (নির্মিতি অংশ)
মান: ৭০
৭. ক) যে কোনো দশটি শব্দের পারিভাষিক রূপ লেখ: ০৫
প্রদত্ত শব্দ = পারিভাষিক শব্দ
=>Abstract = বিমূর্ত
=>Bidder = নিলাম ডাকিয়ে
=>Cold war = স্নায়ুযুদ্ধ
=>Diplomatic = কূটনৈতিক
=>Embargo = নিষেধাজ্ঞা
=>Face value = অভিহিত মূল্য
=>Gratuity = আনুতোষিক
=>Hygiene = স্বাস্থ্যবিদ্যা
=>Initial = প্রারম্ভিক
=>Myth = পুরাণ
=>Justice = ন্যায়পরায়ণতা, ন্যায়বিচার
=>Power house = বিদ্যুৎকেন্দ্র
=>Queue = সারি
=>Sabotage = অন্তর্ঘাত
=>Violation = লঙ্ঘন
অথবা, খ) নিচের অনুচ্ছেদটি বাংলায় অনুবাদ কর: ১০
Patriotism is a very noble virtue. Its means love for one’s country. A person who loves his/her country more than anything else is called a patriot. Patriotism inspires a man to do everything just and fair for the wellbeing and betterment of the country. It is the invaluable quality that impels a man to sacrifice his own interest, comfort, pleasure and even his life for the sake of his/her country. To a true patriot mother and the motherland are the same.
বঙ্গানুবাদ:
দেশপ্রেম একটি খুব উন্নত চারিত্রিক গুণ। এটা একজনের দেশের প্রতি ভালোবাসা বোঝায়। একজন মানুষ যখন যেকোনো কিছুর চেয়ে তার দেশকে বেশি ভালোবাসে তখন তাকে দেশপ্রেমিক বলে। দেশপ্রেম একজন মানুষকে দেশের ভালো ও উন্নতির জন্য ন্যায়সংগত ও ন্যায্য সবকিছু করতে অনুপ্রাণিত করে। এটি এমন একটি মূল্যবান গুণ, যা মানুষকে তার নিজের স্বার্থ, আরাম, আনন্দ, এমনকি নিজের জীবনও দেশের জন্য উৎসর্গ করতে অনুপ্রাণিত করে। একজন যথার্থ দেশপ্রেমিকের কাছে মা ও মাতৃভূমি সমার্থক।
৮. ক) তোমার কলেজে মহান বিজয় দিবস উদ্যাপনের একটি দিনলিপি প্রস্তুত কর।
অথবা, খ) ‘সম্প্রদায়গত সম্প্রীতি’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানের উপযোগী একটি ভাষণ তৈরি কর।
৯. ক) দুর্ঘটনায় আহতদের সাহায্যার্থে রক্ত ও প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা চেয়ে বন্ধুদের কাছে প্রেরণের জন্য একটি ই-মেইল রচনা কর।
অথবা, খ) কোনো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে ‘বিপণন কর্মকর্তা’ পদে নিয়োগ লাভের উদ্দেশ্যে আবেদন কর।
১০. ক) সারাংশ লেখ:
শ্রেষ্ঠ বলিয়া অহঙ্কার করিতে যে লজ্জাবোধ করে না, যে মানুষকে নিম্নাসনে বসাইয়া রাখিতে আনন্দবোধ করে, যে দরিদ্র ও ছোটকে ছোট করিয়া রাখিতে কষ্ট অনুভব করে না, যে মানুষের শক্তি-স্বাধীনতা হরণ করিতে ব্যস্ত, যে মানুষের হাত দিয়া নিজের পায়ের জুতা খুলাইয়া লয়, তোমরা তাহাদিগকে সালাম করিও না। সে সারারাত্রি প্রার্থনা করুক, মানুষ তাহার পদধূলি লইয়া মাথায় মাখুক, সে প্রথম শ্রেণির গাড়িতে চড়ুক, সে রাজ দরবারের সদস্য হউক, তোমরা তাহাকে আত্মীয় মনে করিও না। লক্ষ নরনারী মুক্তির আশায় করুণ নেত্রে তোমাদের দিকেই চাহিয়া আছে। লক্ষ, কোটি মানবাত্মা তোমাদের আগমনের অপেক্ষা করিতেছে। যে দুর্বৃত্তের দল সত্যকে চূর্ণ করিয়া মহান সৃষ্টিকর্তার বাণীকে অবমাননা করিতেছে, তাহাদিগকে দেখিয়া আর তোমরা শ্রদ্ধায় আসন ছাড়িয়া দাঁড়াইও না।
অথবা, খ) ভাব-সম্প্রসারণ কর:
প্রকৃতির ওপর আধিপত্য নয়, চাই প্রকৃতির সঙ্গে মৈত্রীর সম্বন্ধ।
অথবা, খ) নিচের উদ্দীপক অনুসরণে একটি খুদে গল্প লেখ:
পিতার আকস্মিক মৃত্যুর পর সংসারের হাল ধরতে গিয়ে লেখাপড়া ছেড়ে চাকরি নিয়েছে রাজু। ছোট ভাই মিঠু ও বোন মিনার মধ্যেই সে দেখতে পায় তার স্বপ্ন পূরণের…………………
১২। যে কোনো একটি বিষয়ে প্রবন্ধ লেখ:
ক) মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং আমাদের করণীয়
খ) ইন্টারনেট ও বর্তমান বাংলাদেশ
গ) কৃষিতে বাংলাদেশের উন্নয়ন এবং কৃষক
ঘ) দুর্নীতি: উন্নয়নের অন্তরায়
ঙ) বাংলাদেশের উৎসব
(উপকৃত হলে কিংবা কনফিউশান থাকলে দয়া করে কমেন্ট করবেন। ভুল ধরিয়ে দিতে পারলে চিরকৃতজ্ঞ থাকব। পরামর্শ দিয়ে পাশে থাকবেন, ইনশাআল্লাহ্।)
এইচএসসি ব্যাকরণ অংশের টোপিক ভিত্তিক বোর্ড প্রশ্ন সমাধান একসাথে (২০১৬-২০২৪)
এইচএসসি বাংলা ২য় পত্র সকল বোর্ড প্রশ্ন ও সমাধান (২০১৮-২০২৪)
এসএসসি বাংলা ২য় পত্র সকল বোর্ড প্রশ্ন ও সমাধান (২০২০-২০২৫)
মাদ্রাসা বোর্ডের দাখিল বাংলা ২য় প্রশ্ন ও সমাধান (২০২০-২০২৫)
ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষার বাংলা প্রশ্ন ও সমাধান (২০০৮-২০২৫)
