HSC 2024 Dinajpur Board bangla 2nd paper question & solution
এইচএসসি দিনাজপুর বোর্ড ২০২৪ বাংলা ২য় পত্র প্রশ্নসহ উত্তর মালা (ব্যাকরণ অংশ)
ক-বিভাগ (ব্যাকরণ অংশ)
মান:৩০
১। (ক) ‘অ’ ধ্বনি উচ্চারণের যে কোনো পাঁচটি নিয়ম উদাহরণসহ লেখ।
অ-ধ্বনি উচ্চারণের নিয়ম:
১. শব্দের আদ্য ‘অ’-এর পরে য-ফলাযুক্ত ব্যঞ্জনবর্ণ থাকলে ‘অ’-এর উচ্চারণ সাধারণত ‘ও’-এর মতো হয় হয়। যেমন: গদ্য (গোদ্ দো), কল্যাণ (কোল্ লান্)/(কোল্ ল্যান্)
২. আদ্য ‘অ’-এর পর ‘ক্ষ’ থাকলে সে ‘অ’-এর উচ্চারণ ‘ও’-এর মতো হয়।
যেমন: দক্ষ (দোক্ খো), লক্ষণ (লোক্ খোন্)।
৩. মধ্য ‘অ’-এর আগে যদি ‘অ’ থাকে তবে সেই মধ্য ‘অ’-এর উচ্চারণ ও-এর মতো হয়ে থাকে। যেমন: যতন (জতোন্), কমল (কমোল]।
৪. মধ্য ‘অ’-এর আগে ‘আ’ থাকলে সেই মধ্য ‘অ’-এর উচ্চারণ ও-এর মতো হয়। যেমন: কানন (কানোন্), ভাষণ (ভাশোন্)।
৫. শব্দের শেষে যুক্তব্যঞ্জন থাকলে শেষের ‘অ’ সাধারণত ও-রূপে উচ্চারিত হয়। যেমন: বক্ষ (বোক্ খো), শক্ত (শক্তো)
অথবা, খ) যে কোনো পাঁচটি শব্দের উচ্চারণ লেখ:
প্রদত্ত শব্দ =>প্রমিত উচ্চারণ
পর্যন্ত=>পোর্ জোন্ তো
মধ্যাহ্ন=>মোদ্ ধান্nho/মোদ্ ধান্ হো
জিহ্বা=>জিউ্ভা
দেখা=>দ্যাখা
ধন্যবাদ=>ধোন্ নোবাদ্
জয়ধ্বনি=>জয়োদ্ ধোনি
স্মৃতি=>সৃঁতি
এক=>অ্যাক্
২. ক) বাংলা একাডেমি কর্তৃক প্রণীত প্রমিত বানানের যে কোনো পাঁচটি নিয়ম লেখ।
প্রমিত বাংলা বানানের পাঁচটি নিয়ম:
১. সকল অতৎসম শব্দের বানানে ই-কার হবে। যেমন: কাহিনি, সরকারি ইত্যাদি।
২. সকল অতৎসম শব্দের বানানে উ-কার হবে। যেমন: চুন, পুজো, পুব ইত্যাদি।
৩. অতৎসম শব্দে ‘ক্ষ’ এর স্থলে ‘খ’ হবে। যেমন: খিদে, খুর ইত্যাদি।
৪. ভাষা ও জাতিবাচক শব্দে ই-কার হবে। যেমন: জাপানি, আরবি ইত্যাদি।
৫. রেফের পর ব্যঞ্জনবর্ণের দ্বিত্ব হবে না। যেমন: কর্ম, মর্ম ইত্যাদি।
অথবা, খ) যে কোনো পাঁচটি শব্দের বানান শুদ্ধ করে লেখ:
অশুদ্ধ বানান =>শুদ্ধ বানান
শান্তনা=>সান্ত্বনা
নূন্যতম=>ন্যূনতম
আকাংখা=>আকাঙ্ক্ষা
সমিচিন=>সমীচীন
দারিদ্রতা=>দরিদ্রতা/দারিদ্র্য
স্বরস্বতি=>সরস্বতী
মুমুর্ষু=>মুমূর্ষু
পূর্বাহ্ন=>পূর্বাহ্ণ
৩. ক) উদাহরণসহ বিশেষণের শ্রেণিবিভাগ আলোচনা কর।
বিশেষণ ও এর শ্রেণিবিভাগ :
বিশেষণ:
যে শব্দ দিয়ে বিশেষ্য ও সর্বনামের গুণ, দোষ, সংখ্যা, পরিমাণ, অবস্থা ইত্যাদি বোঝায়, তাকে বিশেষণ বলে। যেমন: সুন্দর ফুল, বাজে কথা, পঞ্চাশ টাকা, হাজার সমস্যা, তাজা মাছ।
বিশেষণের শ্রেণিবিভাগ:
কোন কোন শ্রেণির শব্দকে বিশেষিত করে, সেই অনুযায়ী বিশেষণকে আলাদা করা যায়। বিশেষণ শব্দটি কীভাবে গঠিত হয়েছে, সেই বিবেচনায়ও বিশেষণকে ভাগ করা সম্ভব। এছাড়া বাক্যের মধ্যে বিশেষণটির অবস্থান কোথায় তা দিয়েও বিশেষণকে চিহ্নিত করা যায়। এসব বিবেচনায় বিশেষণকে নানা নামে উপস্থাপন করা যেতে পারে।
১. বর্ণবাচক:
যে বিশেষণ দিয়ে রং নির্দেশ করা হয়, তাকে বর্ণবাচক বিশেষণ বলে। যেমন: নীল আকাশ, সবুজ মাঠ, লাল ফিতা – এখানে ‘নীল’, ‘সবুজ’ বা ‘লাল’ হলো বর্ণবাচক বিশেষণ।
২. গুণবাচক:
যে বিশেষণ দিয়ে গুণ বা বৈশিষ্ট্য বোঝায়, তাকে গুণবাচক বিশেষণ বলে। যেমন: চালাক ছেলে, ঠাণ্ডা পানি – এখানে ‘চালাক’ ও ‘ঠাণ্ডা’ হলো গুণবাচক বিশেষণ।
৩. অবস্থাবাচক:
যে বিশেষণ দিয়ে অবস্থা বোঝায়, তাকে অবস্থাবাচক বিশেষণ বলে। যেমন: চলন্ত ট্রেন, তরল পদার্থ – এখানে ‘চলন্ত’ ও ‘তরল’ অবস্থাবাচক বিশেষণ।
৪. ক্রমবাচক:
যে বিশেষণ দিয়ে ক্রমসংখ্যা বোঝায়, তাকে ক্রমবাচক বিশেষণ বলে। যেমন: এক টাকা, আট দিন – এখানে ‘এক’ ও ‘আট’ ক্রমবাচক বিশেষণ।
৫. পূরণবাচক:
যে বিশেষণ দিয়ে পূরণসংখ্যা বোঝায়, তাকে পূরণবাচক বিশেষণ বলে। যেমন: তৃতীয় প্রজন্ম, ৩৪তম অনুষ্ঠান – এখানে ‘তৃতীয়’ ও ‘৩৪তম’ পূরণবাচক বিশেষণ।
৬. পরিমাণবাচক:
যে বিশেষণ দিয়ে পরিমাণ বা আয়তন বোঝায়, তাকে পরিমাণবাচক বিশেষণ বলে। যেমন: আধা কেজি চাল, অনেক লোক – এখানে ‘আধা কেজি’ ও ‘অনেক’ পরিমাণবাচক বিশেষণ।
৭. উপাদানবাচক:
যে বিশেষণ দিয়ে উপাদান নির্দেশ করে, তাকে উপাদানবাচক বিশেষণ বলে। যেমন: বেলে মাটি, পাথুরে মূর্তি – এখানে ‘বেলে’ ও ‘পাথুরে’ উপাদানবাচক বিশেষণ।
৮. প্রশ্নবাচক:
যে বিশেষণ দিয়ে প্রশ্নবাচকতা নির্দেশিত হয়, তাকে প্রশ্নবাচক বিশেষণ বলে। যেমন কেমন গান? কতক্ষণ সময়? এখানে ‘কেমন’ ও ‘কতক্ষণ’ প্রশ্নবাচক বিশেষণ।
৯. নির্দিষ্টতাবাচক:
যে বিশেষণ দিয়ে বিশেষিত শব্দকে নির্দিষ্ট করা হয়, তাকে নির্দিষ্টতাবাচক বিশেষণ বলে। যেমন: এই দিনে, সেই সময় – এখানে ‘এই’ ও ‘সেই’ নির্দিষ্টতাবাচক বিশেষণ।
১০. ভাববাচক বিশেষণ:
যেসব বিশেষণ বাক্যের অন্তর্গত অন্য বিশেষণকে বিশেষিত করে, সেসব বিশেষণকে ভাববাচক বিশেষণ বলে। যেমন: ‘খুব ভালো খবর’ ও ‘গাড়িটা বেশ জোরে চলছে’ – এসব বাক্যে ‘খুব’ এবং ‘বেশ’ ভাববাচক বিশেষণ।
১১. বিধেয় বিশেষণ:
বাক্যের বিধেয় অংশে যেসব বিশেষণ বসে, সেসব বিশেষণকে বিধেয় বিশেষণ বলে। যেমন: ‘লোকটা পাগল’ বা ‘এই পুকুরের পানি ঘোলা’ – বাক্য দুটির ‘পাগল’ ও ‘ঘোলা’ বিধেয় বিশেষণ।
অথবা, খ) নিচের অনুচ্ছেদ থেকে পাঁচটি বিশেষ্য চিহ্নিত কর।
বিষয়ের গভীরতা উপলব্ধি করা বাঞ্ছনীয়। তা না হলে মানুষ হিসেবে নিজেকে শ্রেষ্ঠ দাবি করা অবান্তর মনে হয়। আমরা জানি, যে কোনো দক্ষতা একজন ব্যক্তির বিশেষ গুণ। কিন্তু সেরূপ কিছু অর্জনের জন্য সভা-সমিতির সদস্য হওয়া জরুরি নয়। অজস্র লোকই এ-কথা বুঝতে অক্ষম।
ব্যাকরণিক শ্রেণি :
উপলব্ধি=>বিশেষ্য
শ্রেষ্ঠ=>বিশেষণ
গুণ=>বিশেষ্য
সদস্য=>বিশেষ্য
অজস্র-বিশেষণ
৪. ক) উপসর্গের সংজ্ঞা দাও। বিদেশি উপসর্গ ব্যবহার করে পাঁচটি শব্দ গঠন কর।
উপসর্গ:
যেসব অর্থহীন শব্দাংশ অন্য শব্দের শুরুতে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে তাকে উপসর্গ বলে। যেমন: অ+কাজ = অকাজ, সু+দিন= সুদিন, দূর+দিন= দুর্দিন ইত্যাদি।
বিদেশি উপসর্গযোগে গঠিত শব্দ:
উপসর্গ+মূলশব্দ+উপসর্গ সাধিত শব্দ
আম+জনতা=আমজনতা
গর+হাজির=গরহাজির
হেড+মাস্টার=হেডমাস্টার
বে+দখল=বেদখল
হর+রোজ=হররোজ
অথবা, খ) ব্যাসবাক্যসহ সমাসের নাম লেখ (যে কোনো পাঁচটি):
প্রদত্ত শব্দ=ব্যাসবাক্য=সমাসের নাম
=>আমরণ=মরণ পর্যন্ত=অব্যয়ীভাব
=>হরতাল=তালের অভাব=অব্যয়ীভাব
=>স্মৃতিসৌধ=স্মৃতি রক্ষার্থে সৌধ=মধ্যপদলোপী কর্মধারয়
=>পকেটমার=পকেট মারে যে=উপপদ তৎপুরুষ
=>দেশান্তর=অন্য দেশ=নিত্য সমাস
=>প্রভাত=প্রকৃষ্ট রূপে ভাত=প্রাদি সমাস
=>অনৈক্য=ঐক্যের অভাব=অব্যয়ীভাব
=>রাজপথ=পথের রাজা=৬ষ্ঠী তৎপুরুষ
৫. ক) বাক্য বলতে কী বোঝ? অর্থগতভাবে বাক্যের শ্রেণিবিভাগ উদাহরণসহ আলোচনা কর।
বাক্য:
যে পদ বা পদ সমষ্টি দ্বারা বক্তার পূর্ণ মনোভাব প্রকাশ পায় তাকে বাক্য বলে। যেমন: আমি একাদশ শ্রেণিতে পড়ি।
অর্থগতভাবে বাংলা বাক্যসমূহকে সাধারণত সাত ভাগে বিভক্ত করা যায়। যথা:
১. বর্ণনামূলক বাক্য:
যে বাক্য দ্বারা সাধারণভাবে কোনো কিছু বর্ণনা বা বিবৃত করা হয় তাকে বর্ণনামূলক বাক্য বলে। যেমন: গরু মাঠে ঘাস খায়। গাছে গাছে ফুল ফুটেছে। একে নির্দেশাত্মক বা বিবৃতিমূলক বাক্যও বলা হয়ে থাকে।
বর্ণনামূলক বাক্য দুরকম হয়ে থাকে। যথা:
ক. অস্তিবাচক:
যে বাক্যে কোনো ঘটনা, ভাব বা বক্তব্যের অস্তিত্ব বা হ্যাঁ-সূচক অর্থ প্রকাশ পায় তাকে অস্তিবাচক বাক্য বলে। যেমন: দিবা চুপ করে রইল।
খ. নেতিবাচক:
যে বাক্যে কোনো ঘটনা, ভাব বা বক্তব্যের না-সূচক অর্থ প্রকাশ পায় তাকে নেতিবাচক বাক্য বলে। যেমন: দিবা কোনো কথা বলল না।
২. প্রশ্নসূচক বাকা:
যে বাক্য দ্বারা সরাসরি কোনো কিছু জানতে চাওয়া হয় তাকে প্রশ্নসূচক বাক্য বলে। যেমন: তোমার নাম কী ? তুমি কোন ক্লাসে পড়? একে প্রশ্নাত্মক বা প্রশ্নবোধক বাক্যও বলা হয়।
৩. ইচ্ছাসূচক বাক্য:
যে বাক্যে মনের ইচ্ছা, আকাঙ্ক্ষা বা প্রার্থনা প্রকাশ পায় তাকে ইচ্ছাসূচক বাক্য বলে। যেমন: যদি দশ কোটি টাকা পেতাম। জীবনে সফল হও। একে প্রার্থনাসূচক বাক্যও বলা হয়।
৪. আজ্ঞাসূচক বাক্য:
যে বাক্যে আদেশ, নিষেধ, আবেদন, অনুরোধ ইত্যাদি বোঝায় তাকে আজ্ঞাসূচক বাক্য বলে। যেমন: ওখানে গিয়ে বসো। সদা সত্য কথা বলবে। দয়া করে কলমটি দাও।
৫. আবেগসূচক বাক্য:
যে বাক্য দ্বারা মনের আকস্মিক আবেগ বা উচ্ছ্বাস প্রকাশ পায় তাকে আবেগসূচক বাক্য বলে। যেমন: দারুণ! আমরা জিতে গেছি।
৬. সংশয়সূচক বাক্য:
নির্দেশাত্মক বাক্যের বক্তব্যের বিষয় সম্পর্কে সন্দেহ, সংশয়, সম্ভাবনা, অনুমান, অনিশ্চয়তা ইত্যাদি ভাব প্রকাশ পেলে তাকে সংশয়সূচক বাক্য বলে। একে সন্দেহদ্যোতক বাক্যও বলা হয়। এ ধরনের বাক্যে হয়তো, বুঝি, বুঝিবা, সম্ভবত, বোধ হয়, থাকি, নিশ্চয় প্রভৃতি সন্দেহসূচক শব্দ ব্যবহূত হয়। যেমন: বোধ হয় সে আর আসবেনা। সম্ভবত তিশার ব্যস্ততা বেড়েছে।
৭. কার্যকারণাত্মক বাক্য:
যে বাক্যে কোনো বিশেষ শর্তের অধীনে ক্রিয়া নিষ্পত্তি হয় তাকে কার্যকারণাত্মক বাক্য বলে। একে শর্তসূচক বাক্যও বলা হয়। যেমন: কষ্ট না করলে কেষ্ট মেলে না। নিয়মিত পড়ালেখা না করলে ভালো ফল হয় না।
অথবা, খ) নির্দেশ অনুসারে বাক্যান্তর কর (যে কোনো পাঁচটি):
প্রদত্ত বাক্য =>বাক্যান্তর
i) ফরিযাদি প্রসন্ন গোয়ালিনী। (যৌগিক)
=>তিনি প্রসন্ন গোয়ালিনী এবং ফরিয়াদী।
ii) তুমিই কাজটি করতে পারতে। (প্রশ্নবোধক)
=>তুমিই কি কাজটি করতে পারতে না?
iii) যিনি বিদ্বান তিনি সৎ লোক। (সরল)
=>বিদ্বান লোক সৎ।
iv) সে কাল আসবে, তারপর আমি যাব। (জটিল)
=>সে কাল আসবে এবং আমি যাব।
v) হৈম কোনো কথা কহিল না। (অস্তিবাচক)
=>হৈম চুপ রহিল।
vi) নদীটি অনেক সুন্দর। (বিস্ময়সূচক)
=>কী সুন্দর নদী!
vii) সময় নষ্ট করা উচিত নয়। (অনুজ্ঞাসূচক)
=>সময় নষ্ট করবে না।
viii) সৎ লোকের ভয় নেই। (জটিল)
=>যে লোক সৎ তার ভয় নেই।
৬. ক) যে কোনো পাঁচটি বাক্য শুদ্ধ করে লেখ।
অশুদ্ধ বাক্য =>শুদ্ধ বাক্য
i) তোমার কথা প্রমাণ হয় নি।
=>তোমার কথা প্রমাণিত হয়নি।
ii) উপরোক্ত বাক্যটি শুদ্ধ নয়।
=>উপরিউক্ত/উপর্যুক্ত বাক্যটি শুদ্ধ নয়।
iii) বিদ্যান দুর্জন হলেও পরিত্যাগ কর।
=>বিদ্বান দুর্জন হলেও পরিত্যাজ্য।
iv) প্রাণী সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রাণীবিদ্যা পড়।
=>প্রাণী সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রাণিবিদ্যা পড়।
v) শুধুমাত্র টাকা হলেই বিদ্যা অর্জন হয় না।
=>শুধু টাকা হলেই বিদ্যা অর্জন হয় না।
vi) করোনাকালীন সময়ে পাঠদানে শিক্ষকদের ভূমিকা ছিল প্রশংসনীয়।
=>করোনাকালীন/করোনার সময়ে পাঠদানে শিক্ষকদের ভূমিকা ছিল প্রশংসনীয়।
vii) অন্ন নষ্ট করে কী লাভ?
=>অন্ন/ভাত নষ্ট করে কী লাভ?
viii) বিজয় দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলী দাও।
=>বিজয় দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি দাও।
অথবা, খ) অনুচ্ছেদটি শুদ্ধ করে লেখ।
ইদানীংকালে রাত জেগে অনেক শিক্ষার্থীরাই নিজেদেরকে ফেসবুকে আসক্ত করে ফেলেছে। ভয়ানক মেধাবীরাও এই অভিশাপ থেকে মুক্ত নয়। লেখাপড়ায় মনোযোগি হতে না পেরে পরীক্ষায় কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জিত হচ্ছে না।
শুদ্ধ অনুচ্ছেদ :
ইদানীং রাত জেগে অনেক শিক্ষার্থীই নিজেদেরকে ফেসবুকে আসক্ত করে ফেলেছে। অত্যন্ত মেধাবীরাও এই অভিশাপ থেকে মুক্ত নয়। লেখাপড়ায় মনোযোগী হতে না পারায় পরীক্ষায় কাঙ্ক্ষিত ফল অর্জিত হচ্ছে না।
এইচএসসি ২০২৪ বাংলা ২য় পত্র দিনাজপুর বোর্ড (নির্মিতি অংশ)
খ-বিভাগ (নির্মিতি)
মান-৭০
৭. ক) যে কোনো দশটি শব্দের পারিভাষিক রূপ লেখ।
প্রদত্ত শব্দ =>পারিভাষিক রূপ
Globalization=>বিশ্বায়ন
Legend=>কিংবদন্তি
Registration=>নিবন্ধন
Brand=>মার্কা/ছাপ
Note=>মন্তব্য
Pay-bill=>বেতন-বিল
Foreign-aid=>বৈদেশিক সাহায্য
Public=>জনসাধারণ
Rank=>পদমর্যাদা
Myth=>পৌরাণিক কাহিনি/অতিকথা
Ballot=>ভোট
Nationalism=>জাতীয়তাবাদ
Deed=>দলিল/চুক্তি
Walk-out=>সভাবর্জন
Zoom=>জুম
অথবা, খ) নিচের অনুচ্ছেদটি বাংলায় অনুবাদ কর।
Human life is very short. But many people put off the work for tomorrow, they can do today. Men do not know what will happen tomorrow. So we must not spend a single moment in vain. To kill time is to shorter life. Remember that human life is nothing but the collection of moments.
বঙ্গানুবাদ:
মানুষের জীবন খুবই সংক্ষিপ্ত। কিন্তু অনেকে আজ যে কাজ করতে পারে তা আগামীকালের জন্য ফেলে রাখে। মানুষ জানে না আগামীকাল কি হবে। তাই আমাদের এক মুহূর্তও বৃথা ব্যয় করা উচিত নয়। সময়কে নষ্ট করা মানে জীবনকে ছোট করা। মনে রাখবেন মানুষের জীবন মুহূর্তের সংগ্রহ ছাড়া আর কিছুই নয়।
৮. ক) একুশের প্রথম প্রহর-উদ্যাপনের বর্ণনা দিয়ে একটি দিনলিপি রচনা কর।
অথবা, খ) পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণের প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করে একটি প্রতিবেদন লেখ।
৯. ক) বন্ধুর পিতৃবিয়োগে সমবেদনা জানিয়ে একটি বৈদ্যুতিন চিঠি লেখ।
অথবা, খ) ডেঙ্গু মশার প্রাদুর্ভাবের আশঙ্কা জানিয়ে নিয়মিত কলেজ ক্যাম্পাস পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য অধ্যক্ষ বরাবর একটি আবেদনপত্র লেখ।
১০. ক) ভাব-সম্প্রসারণ কর: ১০
“তুমি অধম-তাই বলিয়া আমি উত্তম হইব না কেন?”
অথবা, খ) সারাংশ লেখ:
চরিত্র ছাড়া মানুষের গৌরব করার আর কিছুই নেই। মানুষের শ্রদ্ধা যদি মানুষের প্রাপ্য হয়, মানুষ যদি মানুষকে শ্রদ্ধা করে, সে শুধু তার চরিত্রের জন্য। অন্য কোনো কারণে মানুষের মাথা মানুষের সামনে নত হওয়ার দরকার নেই। জগতে যে সকল মহাপুরুষ জনন্মগ্রহণ করেছেন, তাঁদের গৌরবের মূলে এ চরিত্রশক্তি। তুমি চরিত্রবান ব্যক্তি এ কথার অর্থ এ নয় যে, তুমি শুধু লম্পট নও—তুমি সত্যবাদী, বিনয়ী এবং জ্ঞানের প্রতি শ্রদ্ধা পোষণ কর। তুমি পরদুঃখকাতর, ন্যায়বান এবং স্বাধীনতা প্রিয়—চরিত্রবান মানে এই।
১১. ক) বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ক্রিকেট খেলার সফলতা ও ব্যর্থতা জানিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর। ১০
অথবা, খ) নিচের অনুচ্ছেদটি অবলম্বনে একটি খুদে গল্প লেখ:
সবুজ শ্যামল বাংলা মায়ের সোনালি ফসলের মাঠ আজ কংক্রিটের চাপায় পিষ্ট ……..
১২. যে কোনো একটি বিষয় অবলম্বনে প্রবন্ধ রচনা কর: ২০
ক) যুদ্ধ নয় শান্তি
গ) চিকিৎসাক্ষেত্রে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
গ) স্বদেশপ্রেম
ঘ) পোশাক শিল্প: সমস্যা ও সম্ভাবনা
ঙ) মেট্রোরেল: নগরজীবনের নতুন দিগন্ত।
(উপকৃত হলে কিংবা কনফিউশান থাকলে দয়া করে কমেন্ট করবেন। ভুল ধরিয়ে দিতে পারলে চিরকৃতজ্ঞ থাকব। পরামর্শ দিয়ে পাশে থাকবেন, ইনশাআল্লাহ্।)
- এইচএসসি ব্যাকরণ অংশের টোপিকভিত্তিক বোর্ড প্রশ্ন সমাধান একসাথে (২০১৬-২০২৫)
- এইচএসসি বাংলা ২য় পত্র সকল বোর্ড প্রশ্ন ও সমাধান (২০১৮-২০২৫)
- আলিম বাংলা ২য় বোর্ড প্রশ্ন ও সমাধান (২০১৮-২০২৪)
- এসএসসি বাংলা ২য় পত্র সকল বোর্ড প্রশ্ন ও সমাধান (২০২০-২৫)
- মাদ্রাসা বোর্ডের দাখিল বাংলা ২য় প্রশ্ন ও সমাধান (২০২০-২০২৫)
- ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষার বাংলা প্রশ্ন (২০০৮-২০২৫)

Thank you
আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ!
আপনাকেও ধন্যবাদ।
Very much helpful ☺️💖
অনেক ধন্যবাদ!