এইচএসসি ২০২৪ বাংলা ২য় প্রশ্ন ও সমাধান (কুমিল্লা বোর্ড)

HSC 2024 Comilla Board bangla 2nd paper question & solution

এইচএসসি কুমিল্লা বোর্ড ২০২৪ বাংলা ২য় পত্র প্রশ্নসহ উত্তর মালা (ব্যাকরণ অংশ)

ক-বিভাগ (ব্যাকরণ অংশ)
মান: ৩০

১. ক) উদাহরণসহ ব-ফলা উচ্চারণের পাঁচটি নিয়ম লেখো। ০৫

ব-ফলার উচ্চারণ:
ক. শব্দের প্রথমে ব-ফলা যুক্ত হলে উচ্চারণে শুধু সে বর্ণের উপর অতিরিক্ত ঝোঁক পড়ে, ব-ফলা উচ্চারিত হয় না। যেমন: ক্বচিৎ (কোচিৎ), দ্বিত্ব (দিত্ তো), শ্বাস (শাশ্), সজন (শজোন্), দ্বন্দ্ব (দন্ দো)।

খ. সন্ধিজাত শব্দে যুক্ত ব-ফলায় ব-এর উচ্চারণ বজায় থাকে। যেমন: দিগ্বিজয় (দিগ্ বিজয়্), দিগ্বলয় (দিগ্ বলয়্)।

গ. শব্দের মধ্যে বা শেষে ‘ব’ বা ‘ম’-এর সঙ্গে ব-ফলা যুক্ত হলে ব-এর উচ্চারণ বজায় থাকে। যেমন: তিব্বত (তিব্ বত্), লম্ব (লম্ বো)।

ঘ. উৎ উপসর্গের সঙ্গে ব-ফলা যুক্ত হলে ব-এর উচ্চারণ বহাল থাকে। যেমন উদ্বাস্তু (উদ্‌বাস্ তু), উদ্বেল (উদ্ বেল্)।

ঙ. শব্দের মধ্যে বা শেষে ব-ফলা যুক্ত হলে যুক্ত ব্যঞ্জনটির দ্বিত্ব উচ্চারণ হয়। যেমন: বিশ্বাস (বিশ্ শাশ্), পক্ব (পক্ কো), অশ্ব (অশ্ শো), বিশ্ব (বিশ্ শো)।

অথবা, খ) যে কোনো পাঁচটি শব্দের উচ্চারণ লেখো।

প্রদত্ত শব্দ =>প্রমিত উচ্চারণ
ব্যতীত=>বেতিতো
শাশ্বত=>শাশ্ শতো
সন্ধ্যা=>শোন্ ধা
কন্যা=>কোন্ না
দক্ষ=>দোক্ খো
যুগ্ম=>জুগ্ মো
মৃন্ময়=>মৃন্ ময়্
অজ্ঞান=>অগ্‌গ্যাঁন্

২. ক) বাংলা একাডেমি প্রণীত তৎসম শব্দের বানানের পাঁচটি নিয়ম উদাহরণসহ লেখো।

তৎসম শব্দের বানানের পাঁচটি নিয়ম:
১. যেসব তৎসম শব্দে ই ঈ বা উ উ উভয়ই শুদ্ধ সেসব শব্দে কেবল ই বা উ এবং তার কারচিহ্নতি হবে। যেমন: কিংবদন্তি, চিৎকার, চুল্লি, ধমনি, পদবি, পল্লি, যুবতি, রচনাবলি, শ্রেণি, সরণি ইত্যাদি।

২. রেফের পর ব্যঞ্জনবর্ণের দ্বিত্ব হবে না। যেমন: কর্ম, মর্ম, কার্য, সূর্য ইত্যাদি।

৩. সন্ধির ক্ষেত্রে ক খ গ ঘ পরে থাকলে পূর্বপদের অন্তস্থিত ম স্থানে অনুস্বার (ং) হবে। যেমন: অহম্+কার = অহংকার, সম্+গীত সংগীত ইত্যাদি।

৪. ইন্‌-প্রত্যয়ান্ত শব্দের সঙ্গে-ত্ব ও-তা প্রত্যয় যুক্ত হলে ই-কার হবে। যেমন: কৃতি-কৃতিত্ব, দায়ী -দায়িত্ব, প্রতিযোগী-প্রতিযোগিতা, সহযোগী-সহযোগিতা ইত্যাদি।

৫. শব্দের শেষে বিসর্গ (ঃ) থাকবে না। যেমন: প্রধানত, ক্রমশ, প্রথমত, প্রায়শ, মূলত ইত্যাদি।

অথবা, খ) যে কোনো পাঁচটি শব্দের বানান শুদ্ধ করে লেখো:

অশুদ্ধ বানান =>শুদ্ধ বানান
আকাংখা=>আকাঙ্ক্ষা
শান্ত্বনা=>সান্ত্বনা
কৃচ্ছতা=>কৃচ্ছ্র
সমিচীন=>সমীচীন
ভীষন=>ভীষণ
নুন্যতম=>ন্যূনতম
শ্রেণী=>শ্রেণি
টুর্ণামেন্ট=>টুর্নামেন্ট

৩. ক) বিশেষ্য পদ কাকে বলে? উদাহরণসহ বিশেষ্য পদের শ্রেণিবিভাগ করো।

বিশেষ্য:
যেসব শব্দ দিয়ে ব্যক্তি, প্রাণী, স্থান, বস্তু, ধারণা ও গুণের নাম বোঝায়, সেগুলোকে বিশেষ্য বলে। যেমন: নজরুল, বাঘ, ঢাকা, ইট, ভোজন, সততা ইত্যাদি।

বিশেষ্যের শ্রেণিবিভাগ:

বিশেষ্য সাধারণত ছয় প্রকার:
১. নাম-বিশেষ্য,
২. জাতি-বিশেষ্য,
৩. বস্তু-বিশেষ্য,
৪. সমষ্টি-বিশেষ্য,
৫. গুণ-বিশেষ্য
এবং ৬. ক্রিয়া-বিশেষ্য।

১. নাম-বিশেষ্য:
ব্যক্তি, স্থান, দেশ, কাল, সৃষ্টি প্রভৃতির সুনির্দিষ্ট নামকে নাম-বিশেষ্য বলা হয়। যেমন:
ব্যক্তিনাম: হাবিব, সজল, লতা, শম্পা।
স্থাননাম: ঢাকা, বাংলাদেশ, হিমালয়, পদ্মা।
কালনাম: সোমবার, বৈশাখ, জানুয়ারি, রমজান।
সৃষ্টিনাম: গীতাঞ্জলি, সঞ্চিতা, ইত্তেফাক, অপরাজেয় বাংলা।

২. জাতি-বিশেষ্য:
জাতি-বিশেষ্য সাধারণ-বিশেষ্য নামেও পরিচিত। এ ধরনের বিশেষ্য নির্দিষ্ট কোনো নামকে না বুঝিয়ে প্রাণী ও অপ্রাণীর সাধারণ নামকে বোঝায়। যেমন: মানুষ, গরু, ছাগল, ফুল, ফল, নদী, সাগর, পর্বত ইত্যাদি।

৩. বস্তু-বিশেষ্য:
কোনো দ্রব্য বা বস্তুর নামকে বস্তু-বিশেষ্য বলে। যেমন: ইট, লবণ, আকাশ, টেবিল, বই ইত্যাদি।

৪. সমষ্টি-বিশেষ্য:
এ ধরনের বিশেষ্য দিয়ে ব্যক্তি বা প্রাণীর সমষ্টিকে বোঝায়। যেমন: জনতা, পরিবার, ঝাঁক, বাহিনী, মিছিল ইত্যাদি।

৫. গুণ-বিশেষ্য:
গুণগত অবস্থা ও ধারণার নামকে গুণ-বিশেষ্য বলে। যেমন: সরলতা, দয়া, আনন্দ, গুরুত্ব, দীনতা, ধৈর্য ইত্যাদি।

৬. ক্রিয়া-বিশেষ্য:
যে বিশেষ্য দিয়ে কোনো ক্রিয়া বা কাজের নাম বোঝায়, তাকে ক্রিয়া-বিশেষ্য বলে। যেমন: পঠন, ভোজন, শয়ন, করা, করানো, পাঠানো, নেওয়া ইত্যাদি।

অথবা, খ) নিচের অনুচ্ছেদের নিম্নরেখ পাঁচটি শব্দের ব্যাকরণিক শব্দশ্রেণি নির্দেশ করো:

বাড়িতে সেদিন কুটুম এসেছিল, সঙ্গে এসেছিল এক গাদা রসগোল্লা আর সন্দেশ। প্রকাশ্য ভাগটা প্রকাশ্যে খেয়ে ভাঁড়ার ঘরে গোপন ভাগটা মুখে পুরে চলেছি, কোথা থেকে সে এসে খপ করে হাত ধরে ফেলল। রাগ করে মুখের দিকে তাকাতে সে এমন ভাবে হাসল যে লজ্জা পেলাম।

ব্যাকরণিক শ্রেণি :
কুটুম=>বিশেষ্য
রসগোল্লা=>বিশেষ্য
প্রকাশ্য=>বিশেষণ
ফেলল=>ক্রিয়া
লজ্জা=>বিশেষ্য

৪. ক) “উপসর্গের স্বাধীন কোনো অর্থ নেই, কিন্তু অর্থ-দ্যোতকতা আছে।”-ব্যাখ্যা করো।

উপসর্গের সংজ্ঞা:
যেসব অর্থহীন শব্দাংশ অন্য শব্দের শুরুতে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে তাকে উপসর্গ বলে।

উপসর্গের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো, ‘এর কোনো অর্থবাচকতা নেই, কিন্তু অর্থদ্যোতকতা আছে।’ প্রত্যেকটি উপসর্গ মূলত এক ধরনের শব্দাংশ। এরা কোথাও পৃথকভাবে ব্যবহৃত হয় না, কিংবা এদের নিজস্ব কোনো অর্থও নেই। ধাতু বা শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে এরা মূল শব্দ বা ধাতুর অর্থের পরিবর্তন, পরিবর্ধন, সংকোচন, সম্প্রসারণ বা তার পূর্ণতা সাধন করে। যেমন: ‘কার’ একটি শব্দ। এর সঙ্গে বিভিন্ন উপসর্গ যুক্ত হয়ে নানা নতুন শব্দ গঠিত হতে পারে-

উপসর্গ=মূল শব্দ=উপসর্গযোগে গঠিত সাধিত শব্দ
প্র+কার=>প্রকার
উপ+কার=উপকার
অধি+কার=অধিকার
অপ+কার=অপকার
বি+কার=বিকার

উপরের সাধিত শব্দগুলো থেকে প্র, উপ, অধি, অপ, বি উপসর্গগুলো পৃথক করলে তাদের আলাদা কোনো অর্থ পাওয়া যায় না। কিন্তু অন্য শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে ওই শব্দগুলোকে নানা অর্থবৈচিত্র্য দান করেছে। এভাবেই নিজস্ব অর্থহীন উপসর্গ অন্য কোনো শব্দ বা ধাতুর পূর্বে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করতে পারে বলেই বলা হয়- উপসর্গের অর্থবাচকতা নেই; কিন্তু অর্থদ্যোতকতা আছে।

অথবা, খ) ব্যাসবাক্যসহ সমাস নির্ণয় করো (যে কোনো পাঁচটি):

প্রদত্ত শব্দ=ব্যাসবাক্য=সমাসের নাম
=>দম্পতি=জায়া ও পতি=দ্বন্দ্ব
=>মুখচন্দ্র=মুখ চন্দ্রের ন্যায়=উপমিত কর্মধারয়
=>তেপান্তর=তিন প্রান্তরের সমাহার=দ্বিগু
=>আয়কর=আয়ের নিমিত্তে কর=৪র্থী তৎপুরুষ
=>প্রবচন=প্রকৃষ্ট যে বচন=প্রাদি সমাস
=>অকালপক্ব=অকালে পক্ব=>সপ্তমী তৎপুরুষ
=>যথারীতি=রীতিকে অতিক্রম না করে=অব্যয়ীভাব সমাস
=>দোমনা=দুই দিকে মন যার=প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি

৫. ক) সার্থক বাক্যের কী কী বৈশিষ্ট্য থাকা আবশ্যক? আলোচনা করো।

বাক্য:
যে পদ বা পদ সমষ্টি দ্বারা বক্তার পূর্ণ মনোভাব প্রকাশ পায় তাকে বাক্য বলে। যেমন: আমি একাদশ শ্রেণিতে পড়ি।

বাক্যের গুণ:
অর্থ স্পষ্ট হওয়ার জন্য আকাঙ্ক্ষার নিবৃত্তি, সম্পূর্ণ-মনোভাব প্রকাশ এবং অর্থগত ও ভাবগত মেল বন্ধন হলো বাক্যের গুণ।

একটি সার্থক বাক্যের তিনটি গুণ বা বৈশিষ্ট্য থাকা আবশ্যক। যথা-

ক. আকাঙ্ক্ষা:
বাক্যের অন্তর্গত একটি পদের পর তার পরবর্তী পদ শোনার যে আগ্রহ তাকেই আকাঙ্ক্ষা বলে। একটি সার্থক বাক্যে এই আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে হয়। কোনো বাক্যে এই আকাঙ্ক্ষা অপূর্ণ থাকলে তা বাক্য হিসেবে সার্থক হয় না। যেমন: ‘ঢাকা বাংলাদেশের’ বললে শ্রোতার আকাঙ্ক্ষা পূরণ হয় না কিন্তু ‘ঢাকা বাংলাদেশের রাজধানী’ বললে শ্রোতার আর আকাঙ্ক্ষা থাকে না। সুতরাং ‘ঢাকা বাংলাদেশের’ বাক্য নয়, ‘ঢাকা বাংলাদেশের রাজধানী’ একটি সার্থক বাক্য।

খ. আসত্তি:
বাক্যের সুশৃঙ্খল পদবিন্যাসকেই আসত্তি বলে। বাক্যস্থিত পদসমূহের বিন্যাস সুশৃঙ্খল বা যথাযথ না হলে তাকে বাক্য বলা যায় না। যেমন: ‘সাদা বকের দল আকাশে উড়ছে।’ উল্লিখিত বাক্যে পদসমূহের বিন্যাস সুশৃঙ্খল বা যথাযথ হওয়ায় এটি একটি সার্থক বাক্যে পরিণত হয়েছে। কিন্তু এই পদসমষ্টিকে যদি সুশৃঙ্খলভাবে বিন্যাস না করে বলা হয়, ‘সাদা উড়ছে দল বকের আকাশে’ তাহলে আসত্তি গুণের অভাবে বাক্যটি সার্থক হবে না। তাই একটি সার্থক বাক্য গঠনের ক্ষেত্রে অবশ্যই আসত্তি গুণটি থাকতে হবে।

গ. যোগ্যতা:
বাক্যে ব্যবহৃত পদগুলোর অর্থ ও ভাবগত মিল বা সামঞ্জস্যকে যোগ্যতা বলে। একটি সার্থক বাক্য গঠনের ক্ষেত্রে অর্থ ও ভাবগত অন্বয় রক্ষিত না হলে বাক্য তার যোগ্যতা হারায়। যেমন: ‘গরুগুলো আকাশে উড়ছে।’ বাক্যটিতে আকাঙ্ক্ষা এবং আসত্তি গুণ রক্ষিত হলেও এটি সার্থক বাক্য নয়; কেননা, এতে ব্যবহৃত পদগুলোর সঙ্গে ভাবের কোনো সাদৃশ্য নেই। কিন্তু এর পরিবর্তে যদি বলা হয়, ‘পাখিগুলো আকাশে উড়ছে।’ তাহলে এটি যোগ্যতাসম্পন্ন একটি সার্থক বাক্য হয়ে উঠবে।

অথবা, খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যে কোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করো।

প্রদত্ত বাক্য =>বাক্যান্তর
i) তাহার মন একেবারে কাঠ হইয়া গেল। (নেতিবাচক)
=>তাহার মন কাঠ না হইয়া পারিল না।
ii) যদি পড়াশোনা না কর, তাহলে ভবিষ্যৎ অন্ধকার। (যৌগিক)
=>পড়াশোনা কর, নইলে ভবিষ্যৎ অন্ধকার।
iii) সদা সত্য কথা বলা উচিত। (অনুজ্ঞা)
=>সদা সত্য কথা বলবে।
iv) মিথ্যাবাদীকে কেউ পছন্দ করে না। (অস্তিবাচক)
=>মিথ্যাবাদীকে সকলে অপছন্দ করে।
v) তার আভাস পেতাম কিন্তু নাগাল পেতাম না। (জটিল)
=>যদিও তার আভাস পেতাম তবুও তার নাগাল পেতাম না।
vi) যে লোক চরিত্রহীন, সে পশুর চেয়ে অধম। (সরল)
=>চরিত্রহীন লোক পশুর চেয়েও অধম।
vii) গভর্নমেন্ট বাড়িটা রিকুইজিশন করেছে। (প্রশ্নবাচক)
=>গভর্নমেন্ট কি বাড়িটা রিকুইজিশন করেনি?
(viii) আমাদের দেশ সুন্দরভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। (বিস্ময়বোধক)
=>আমাদের দেশ কী সুন্দরভাবে এগিয়ে যাচ্ছে।

৬. ক) যে কোনো পাঁচটি বাক্য শুদ্ধ করে লেখো:

অশুদ্ধ বাক্য =>শুদ্ধ বাক্য
i) কীর্তিবাস বাংলায় রামায়ণ লিখেছেন।
=>কৃত্তিবাস বাংলায় রামায়ণ লিখেছেন।
ii) আপনি স্ববান্ধবে আমন্ত্রিত।
=>আপনি সবান্ধব আমন্ত্রিত।
iii) কারো আভ্যন্তরীণ ব্যাপারে যথা বলা উচিত নয়।
=>কারো অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে কথা বলা উচিত নয়।
iv) আমৃত্যু পর্যন্ত দেশের সেষা করে যাবো।
=>আমৃত্য/মৃত্যু পর্যন্ত দেশের সেবা করে যাব।
v) মিমাংসিত বিষয়ে বিরোধিতা ফয়া উচিত নয়।
=>মীমাংসিত বিষয়ে বিরোধিতা করা উচিত নয়।
vi) সে এ মামলায় সাক্ষী দিয়েছে।
=>সে এ মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছে।
vii) শুধুমাত্র পায়ের জোরে কাজ হয় না।
=>শুধু/মাত্র গায়ের জোরে কাজ হয় না।
vill) এখানে খাঁটি গরুর দুধ পাওয়া যায়।
=>এখানে গোরুর খাঁটি দুধ পাওয়া যায়।

অথবা, খ) নিচের অনুচ্ছেদের অপপ্রয়োগগুলো শুদ্ধ করো।
কক্সবাজারের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত অত্যন্ত মনমুগ্ধকর। আমরা সকল বন্ধুরা মিলে সেখানে গিয়েছিলাম। সমুদ্র সৈকতের তীরে সূর্যাস্ত দেখে অভিভূত হয়েছি। এর সৌন্দর্যতা উপভোগ করে বুঝিতে পারলাম যে কক্সবাজার প্রকৃত অর্থেই বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ।

শুদ্ধ বাক্য :
দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার অত্যন্ত মনোমুগ্ধকর। আমরা বন্ধুরা মিলে সেখানে গিয়েছিলাম। সমুদ্র সৈকতের তীরে সূর্যাস্ত দেখে অভিভূত হয়েছি। এর সৌন্দর্য উপভোগ করে বুঝতে পারলাম যে, কক্সবাজার প্রকৃত অর্থেই বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ।

এইচএসসি ২০২৪ বাংলা ২য় পত্র কুমিল্লা বোর্ড (নির্মিতি অংশ)

খ-বিভাগ (নির্মিতি অংশ)
মান: ৭০

৭. ক) যে কোনো দশটি শব্দের পারিভাবিক রূপ লেখ। ১০

প্রদত্ত শব্দ =>পারিভাষিক রূপ
Prefix=>উপসর্গ/অগ্রে যুক্ত করা
Notice Board=>বিজ্ঞপ্তি-ফলক
Dialect=>উপভাষা
Agenda=>আলোচ্য-সূচি
Editor=>সম্পাদক
Humanity=>মানবতা
Basic-pay=>মূল বেতন
Justice=>ন্যায়বিচারক
Catalogue=>ভালিকা/গ্রন্থ তালিকা
Memorandum=>স্মারকলিপি
Penal Code=>দণ্ডবিধি
Octave=>অষ্টক
Refugee=>উদ্বাস্তু/বাস্তুহারা
Deed of gift=>দানপত্র
Public works-গণপূর্ত

অথবা, খ) নিচের অনুচ্ছেদটি বাংলায় অনুবাদ কর।
Trees help us in different ways. It gives us shade, food, fuel, medicine and Oxygen. Trees make our environment beautiful. Trees are our valuable wealth. It is very much necessary to make afforestation program successful.

বঙ্গানুবাদ:
গাছ আমাদের নানাভাবে সহায়তা করে। গাছ আমাদের ছায়া, খাদ্য, জ্বালানি, ঔষধ ও অক্সিজেন যোগায়। গাছ আমাদের পরিবেশকে রমণীয় করে তোলে। গাছ আমাদের মূল্যবান সম্পদ। (তাই) বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সফল করে তোলা খুবই জরুরি/গুরুত্বপূর্ণ।

৮. ক) তোমার কলেজে মহান বিজয় দিবস উদ্যাপনের উপর একটি দিনলিপি প্রস্তুত করো। ১০

অথবা, খ) তোমার কলেজের ছাত্রাবাস সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন রচনা করো।

৯. ক) সম্প্রতি তোমার পড়া কোনো বই সম্পর্কে বন্ধুকে একটি বৈদ্যুতিন চিঠি লেখো। ১০

অথবা, খ) কোনো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে ‘অফিস সহকারী’ পদে নিয়োগের জন্য একটি আবেদনপত্র রচনা করো।

১০. ক) সারাংশ লেখো: ১০
স্বাধীন হবার জন্য যেমন সাধনার প্রয়োজন, তেমনি স্বাধীনতা রক্ষার জন্য প্রয়োজন সত্যনিষ্ঠা ও ন্যায়পরায়ণতার। সত্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধহীন জাতি যতই চেষ্টা করুক, তাদের আবেদন-নিবেদনে ফল হয় না। যে জাতির অধিকাংশ ব্যক্তি মিথ্যাচারী, সেখানে দু’চারজন সত্যনিষ্ঠকে বহুবিড়ম্বনা সহ্য করতে হয়, দুর্ভোগ পোহাতে হয়। কিন্তু মানুষ ও জ্ঞাতি হিসেবে মাথা তুলে দাঁড়াতে হলে সে কষ্ট সহ্য না করে উপায় নেই।

অথবা, খ) ভাব-সম্প্রসারণ করো: ১০
দুর্জন বিদ্বান হইলেও পরিত্যাজ্য।

১১. ক) ফেসবুকের অতিরিক্ত ব্যবহারের কুফল সম্পর্কে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা করো। ১০

অথবা, খ) নিচের শিরোনাম অনুসারে একটি খুদে গল্প লেখো:
‘নানা রঙের দিনগুলি’

১২. যে কোনো একটি বিষয়ে প্রবন্ধ রচনা করো: ২০

ক) স্বদেশপ্রেম
খ) তথ্য প্রযুক্তি ও বাংলাদেশ
গ) আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস
ঘ) বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য
ঙ) যুদ্ধ নয় শান্তি।

(উপকৃত হলে কিংবা কনফিউশান থাকলে দয়া করে কমেন্ট করবেন। ভুল ধরিয়ে দিতে পারলে চিরকৃতজ্ঞ থাকব। পরামর্শ দিয়ে পাশে থাকবেন, ইনশাআল্লাহ্।)

Leave a Reply

2 thoughts on “এইচএসসি ২০২৪ বাংলা ২য় প্রশ্ন ও সমাধান (কুমিল্লা বোর্ড)”

error: Content is protected !!
Scroll to Top