Bangla Vashar Riti O Bivazon, Chapter 3, Bangla 2nd, Class 9/10/SSC/Dakhil 2027
বাংলা ভাষার রীতি ও বিভাজন: আঞ্চলিক ভাষার আরেক নাম কী, পশ্চিমবঙ্গের উপভাষার নাম,কোন শতকে চলিত রীতির নতুন নাম হয় প্রমিত রীতি
আপনি যদি উপরের প্রশ্নগুলো খুজে থাকেন এবং জানতে চান এই পরিচ্ছেদ থেকে এ পর্যন্ত কোন কোন বোর্ড প্রশ্ন এসেছে তাহলে এই লেখাটি আপনার জন্যই!
বাংলা ভাষার রীতি ও বিভাজন: পরিচ্ছেদ ৩
বাংলা ভাষার রীতি ও বিভাজন : ধাপ ১
১. অধিকাংশ ভাষায় অন্তত কয়টি রীতি থাকে?
=>২টি।
যথা:
১. কথ্য ভাষা রীতি ও
২. লেখ্য ভাষা রীতি।
২. কথ্য ভাষা রীতির মধ্যে কয়টি রীতি রয়েছে?
=>২টি।
যথা:
১. মান্য বা প্রমিত কথ্য রীতি ও
২. আঞ্চলিক কথ্য রীতি।
৩. লেখ্য ভাষা রীতির মধ্যে কয়টি রীতি রয়েছে?
=> ৩টি।
যথা:
১. প্রমিত রীতি,
২. সাধু রীতি ও
৩. কাব্য রীতি।
ধাপ ২: কথ্য ভাষা রীতি
৪. ভাষার মূল রূপ কোনটি?
=>কথ্য ভাষা রীতি।
৫. কথ্য ভাষা রীতির উপরে ভিত্তি করে কোন রূপ তৈরি হয়?
=>লেখ্য ভাষা রীতির।
৬. ভাষার পরিবর্তন হয় কীভাবে?
=>স্থান ও কালভেদে।
৭. ভাষার যে পরিবর্তন ঘটে তা মূলত কীসের পরিবর্তন?
=>কথ্য ভাষা রীতির।
৮. কথ্য ভাষা রীতির পরিবর্তনের ফলে কোন ভাষার জন্ম হয়?
=>নতুন ভাষা ও উপভাষার।
ধাপ ৩: আঞ্চলিক কথ্য রীতি
৯. আঞ্চলিক ভাষার আরেক নাম কী?
=>উপভাষা।
১০.ভাষার আঞ্চলিকতা কী নামে আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে?
=>উপভাষা।√
১১. বাংলা ভাষার উপভাষাগুলোকে কয়টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে?
=>৬টি।
যথা:
১. বাঙ্গালি (বাংলাদেশের মধ্য ও দক্ষিণ অঞ্চল),
২. পূর্বি (বাংলাদেশের পূর্ব অঞ্চল, ত্রিপুরা এবং আসামের বরাক অঞ্চল),
৩. বরেন্দ্রি (বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিম অঞ্চল),
৪. কামরূপি (বিহারের পূর্ব অঞ্চল, পশ্চিমবঙ্গের উত্তর অঞ্চল এবং বাংলাদেশের রংপুর অঞ্চল),
৫. রাঢ়ি (পশ্চিমবঙ্গ),
৬. ঝাড়খণ্ডি (পশ্চিমবঙ্গের পশ্চিম অঞ্চল ও ঝাড়খণ্ডের পূর্ব অঞ্চল)।
আঞ্চলিক ভাষার নামগুলো মনে রাখতে পারো এভাবে-
রাঢ়ীর বাঙ্গালি বর পূর্বে ঝাড়ুর কাম (করত)।
রাঢ়ির=>রাঢ়ি
বাঙ্গালি=>বাঙ্গালি
বর=>বরেন্দ্রি
পূর্বে=>পূর্বি
ঝাড়ুর=>ঝাড়খণ্ডি
কাম=>কামরূপি।
১২. পশ্চিমবঙ্গের উপভাষার নাম কী?
=>রাঢ়ী।√
১৩.বাংলাদেশের মধ্য ও দক্ষিণ অঞ্চলের উপভাষার নাম কী?
=>বাঙ্গালি।
১৪. বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলের উপভাষার নাম কী?
=>বরেন্দ্রি।
১৫. বাংলাদেশের রংপুর অঞ্চলের অঞ্চলের উপভাষার নাম কী?
=>কামরূপি। (রূপের সঙ্গে রংপুরের কিছুটা মিল আছে)
১৬. বাংলাদেশের পূর্ব অঞ্চলের উপভাষার নাম কী?
=>পূর্বি। (পূর্বর সাথে পূর্বির অনেকটাই মিল আছে)
১৭. ঝাড়খণ্ডের পূর্ব অঞ্চল ও পশ্চিমবঙ্গের পশ্চিম অঞ্চলের উপভাষার নাম কী?
=>ঝাড়খণ্ডি। (ঝাড়খণ্ডের উপভাষা ঝাড়খণ্ডি)
ধাপ ৪: মান্য বা প্রমিত কথ্য রীতি
১৮. শিক্ষিত ও নাগরিক বাঙালি জনগোষ্ঠীর আনুষ্ঠানিক কথ্য ভাষা?
=>মান্য বা প্রমিত কথ্য রীতি।
১৯. বাংলা প্রমিত লেখ্য রীতির ভিত্তি?
=>মান্য বা প্রমিত কথ্য রীতি।

ধাপ ৫: লেখ্য ভাষা রীতি
২০. লিখিত বাংলা ভাষার আদি নিদর্শনের নাম?
=>’চর্যাপদ’।
২১. চর্যাপদ কোন সময়ে লেখা?
=>প্রায় এক হাজার বছর আগে।
২২. চর্যাপদ কোন রীতিতে লেখা?
=>কাব্য রীতিতে।
২৩. লেখ্য গদ্য রীতির জন্ম হয় কেন?
=>ব্যবহারিক প্রয়োজনে।
২৪. লেখ্য ভাষা রীতি হিসেবে সাধু রীতি প্রভাবশালী হয়ে ওঠে কখন?
=>উনিশ শতকের সূচনায়।
২৫. কখন সাধু রীতির পাশাপাশি চলিত রীতি জনপ্রিয় হয়?
=>বিশ শতকের সূচনায়।
২৬. চলিত রীতি প্রায় সর্বজনীন প্রমিত রীতি হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে কখন?
=>বিশ শতকের দ্বিতীয় ভাগে। (এই তথ্যটি ২০২৫ সালের বইয়ে হালনাগাদ করা হয়েছে। আগের বইয়ে ছিল একুশ শতকের সূচনায়)√
২৭. বর্তমানে বাংলাভাষীরা আনুষ্ঠানিক ব্যবহারের ক্ষেত্রে কোন রীতিকে প্রাধান্য দিয়ে থাকে?
=>প্রমিত বাংলা।
ধাপ ৬: সাহিত্যিক ভাষা রীতি
২৮. বাংলা কাব্য রীতি কয় ভাগে বিভক্ত?
=>দুই ভাগে।√
যথা:
১. পদ্য কাব্য রীতি ও
২. গদ্য কাব্য রীতি।
২৯. ছন্দ এবং মিল থাকে কোন কাব্য রীতিতে?
=>পদ্য কাব্য রীতিতে।
৩০. বাংলা ভাষার সবচেয়ে পুরনো রীতি কোনটি?
=>পদ্য কাব্য রীতি ।
৩১. বাংলা সাহিত্যের বহু অমর কাব্য কোন রীতিতে রচিত?
=>পদ্য কাব্য রীতি।
৩২. গঠন বিবেচনায় কোন কাব্য রীতির বাক্য সাধারণ বাক্যের চেয়ে আলাদা হয়ে থাকে?
=>গদ্য কাব্য রীতি ।
ধাপ ৭: সাধু রীতি
৩৩. দাপ্তরিক কাজ, সাহিত্য রচনা, যোগাযোগ ও জ্ঞানচর্চার প্রয়োজনে লেখ্য বাংলা ভাষায় কোন রীতির জন্ম হয়?
=>সাধু রীতির।
৩৪. সাধু রীতির বিকাশ ঘটে কখন?
=>উনিশ শতকের শুরুর দিকে।
৩৫. বাংলা লেখ্য ভাষার আদর্শ রীতি হিসেবে কতদিন চালু ছিল?
=>প্রায় দেড় শতাব্দী। (এই তথ্যটি ২০২৫ সালের ব্যাকরণ বইয়ে হালনাগাদ করা হয়েছে। আগের বইয়ে ছিল দুই শতাব্দী)
৩৬. সাধু রীতির সাধারণ বৈশিষ্ট্যগুলো কী কী?
=>ক) সাধু রীতিতে ক্রিয়ারূপ দীর্ঘ। যেমন: করিতেছে, করিল।
=>খ) সাধু রীতির বহু সর্বনামে ‘হ’-বর্ণ যুক্ত থাকে, যেমন তাহারা, ইহাদের, যাহা, তাহা ইত্যাদি।
=>গ) সাধু রীতিতে তৎসম শব্দ এবং সাধিত শব্দের প্রাধান্য থাকে।
৩৭. কোন রীতিতে ক্রিয়ারূপ দীর্ঘ?
=>সাধু রীতিতে।
৩৮. সাধু রীতির বহু সর্বনামে কী যুক্ত থাকে?
=> হ। যেমন: তাহারা, যাহারা, ইহা।√
৩৯. সাধু রীতিতে কোন ধরনের শব্দের প্রাধান্য থাকে?
=>তৎসম ও সাধিত শব্দের।

ধাপ ৮: প্রমিত রীতি
৪০. কলকাতার শিক্ষিত লোকের কথ্য ভাষাকে লেখ্য রীতির আদর্শ হিসেবে চালু করার চেষ্টা হয় কখন?
=>বিশ শতকের সূচনায়।
৪১. কলকাতার শিক্ষিত লোকের কথ্য ভাষা কী নামে পরিচিতি পায়?
=>চলিত রীতি।
৪২. চলিত রীতির বৈশিষ্ট্যগুলো কী কী?
=>এই রীতিতে ক্রিয়া, সর্বনাম, অনুসর্গ প্রভৃতি শ্রেণির শব্দ হ্রস্ব হয় এবং তৎসম শব্দের ব্যবহার অপেক্ষাকৃত কম।
৪৩. কোন রীতিতে ক্রিয়া, সর্বনাম ও অনুসর্গ সংক্ষিপ্ত/হ্রস্ব হয়?
=>চলিত রীতিতে।
৪৪. প্রথম দিকে চলিত রীতিতে শুধু কী রচিত হতো?
=>সাহিত্য।
৪৫. দাপ্তরিক কাজ ও বিদ্যাচর্চা ইত্যাদি হতো কোন ভাষায়?
=>সাধু ভাষায়।
৪৬. চলিত রীতি সাধু রীতির জায়গা দখল করে কখন?
=>বিশ শতকের মাঝামাঝি।
৪৭. ক্রমে জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাধু রীতিকে সরিয়ে কোন রীতি মান্য লেখ্য রীতিতে পরিণত হয়?
=>চলিত রীতি।
৪৮. চলিত রীতিই ক্রমে কোন রীতি হিসেবে গৃহীত হয়েছে?
=>প্রমিত রীতি।
৪৯. কোনো ভাষার আনুষ্ঠানিক ব্যবহারের জন্য নির্ধারিত মান্য রীতি কোনটি?
=>প্রমিত রীতি হলো।
৫০. প্রমিত রীতি কোন নামেও পরিচিত?
=>এটি ‘মান রীতি’।
৫১. বর্তমানে বাংলাদেশ, পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরায় যাবতীয় দাপ্তরিক কাজ, বিদ্যাচর্চা, সাংবাদিকতা ও যোগাযোগের ভাষা হিসেবে কোন রীতি লেখ্য বাংলা ভাষার প্রধান রীতিতে পরিণত হয়েছে?
=>প্রমিত রীতি।
প্রমিত রীতির সাধারণ বৈশিষ্ট্য: ধাপ ৯
ক) প্রমিত রীতিতে ক্রিয়া, সর্বনাম ও অনুসর্গ হ্রস্বতর। করছে, করল, তারা, যারা, হতে, থেকে, সঙ্গে ইত্যাদি।
খ) প্রমিত রীতিতে শব্দ ব্যবহার আলোচ্য বিষয়ের উপরে নির্ভরশীল। প্রয়োজন অনুযায়ী সব ধরনের শব্দ ব্যবহার করা যায়। যেমন তৎসম ‘বৎসর’-ও লেখা যায় আবার তদ্ভব ‘বছর’-ও লেখা যায়। একইভাবে ‘চন্দ্র’-ও লেখা যায়, ‘চাঁদ’-ও লেখা যায়।
গ) প্রমিত রীতিতে কথ্য রীতির বহু শব্দ বর্জনীয়, যেমন ‘ধুলো, তুলো, মুলো, পুজো, সবচে’ ইত্যাদি না লিখে ‘ধুলা, তুলা, মুলা, পূজা, সবচেয়ে’ ইত্যাদি লিখতে হয়।
৫২. কোন রীতিতে শব্দ ব্যবহার আলোচ্য বিষয়ের উপরে নির্ভরশীল এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সব ধরনের শব্দ ব্যবহার করা যায়?
=>প্রমিত রীতিতে।

৫৩. প্রতিটি বাঙালি শিশুর মাতৃভাষা বা প্রথম ভাষা হলো তার?
=>আঞ্চলিক ভাষা।
৫৪. বাঙালি শিশুর কাছে দ্বিতীয় ভাষা কোনটি?
=>প্রমিত কথ্য বা লেখ্য প্রমিত।
৫৫. শিশুর প্রমিত রীতি শেখার প্রধান উপায়?
=>পাঠ্যপুস্তক।

ধাপ ১০: অনুশীলনী প্রশ্ন
সঠিক উত্তরে টিক চিহ্ন (√) দাও।
১. বর্তমানে লেখ্য ভাষার আদর্শ রীতিকে বলে-
ক. সাধু রীতি
খ. লেখ্য রীতি
গ. আঞ্চলিক রীতি
ঘ. প্রমিত রীতি
২. বাংলা ভাষায় সাধু গদ্য রীতির সূচনা হয়-
ক. প্রাচীন যুগে
খ. মধ্যযুগে
গ. উনিশ শতকের শুরুতে
ঘ. বিশ শতকের শুরুতে
৩. নিচের কোনটি সাধু রীতির ক্রিয়াপদ?
ক. করিল
খ. করেছে
গ. করত
ঘ. করলাম
৪. সাধু রীতির বৈশিষ্ট্য কোনটি?
ক. ক্রিয়ারূপ দীর্ঘ
গ. অনুসর্গ হ্রস্বতর
খ. বিশেষ্যের আধিক্য
ঘ. সর্বনাম হ্রস্বতর
৫. বাংলাদেশের রংপুর অঞ্চলে কোন উপভাষার ব্যবহার পাওয়া যায়?
ক. বরেন্দ্রি
খ. রাঢ়ি
গ. কামরূপি
ঘ. পূর্বি
উত্তরমালা উপরের ছবি থেকে দেখে নাও।
বোর্ড প্রশ্ন, বাংলা ভাষার রীতি ও বিভাজন, পরিচ্ছেদ ৩
১. ভাষার আঞ্চলিকতাকে কী নামে আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে? (ব. বো. ২৪)
ক. আদর্শ কথ্য ভাষা
খ. উপভাষা
গ. লেখ্য ভাষা
ঘ. সাধু ভাষা
২. পশ্চিমবঙ্গে কোন উপভাষার ব্যবহার পাওয়া যায়? (দি. বো. ২৪)
ক. বরেন্দ্রি
খ. রাঢ়ি
গ. কামরূপি
ঘ. পূর্বি
৩. বাংলা ভাষার চলিত রীতির অপর নাম কী? (মাদ্রাসা বোর্ড ২৪)
ক) সাধুরীতি
খ) কথ্যরীতি
গ) লেখ্যরীতি
ঘ) প্রমিতরীতি
৪. বাংলা ভাষার সর্বজনগ্রাহ্য লিখিত রূপ কোনটি?
ক. সাধু রীতি
খ. প্রমিত রীতি
গ. কথ্য রীতি
ঘ. আঞ্চলিক রীতি
৫. কোন শতকের সূচনা নাগাদ চলিত রীতির নতুন নাম হয় প্রমিত রীতি? (সি. বো. ২৪)
ক. আঠারো
খ. উনিশ
গ. বিশ
ঘ. একুশ
(উল্লেখ্য, বর্তমান বইয়ে সঠিক উত্তর: বিশ শতকের দ্বিতীয় ভাগে। এই তথ্যটি ২০২৫ সালের বইয়ে হালনাগাদ করা হয়েছে। আগের বইয়ে ছিল একুশ শতকের সূচনায়)
৬. চলিত রীতির নতুন নাম প্রমিত রীতি হয়— (কু. বো. ২৪)
ক. বিশ শতকের সূচনায়
খ. বিশ শতকের মাঝামাঝি
গ. বিশ শতকের শেষে
ঘ. একুশ শতকের সূচনায়
(উল্লেখ্য, বর্তমান বইয়ে সঠিক উত্তর: বিশ শতকের দ্বিতীয় ভাগে। এই তথ্যটি ২০২৫ সালের বইয়ে হালনাগাদ করা হয়েছে। আগের বইয়ে ছিল একুশ শতকের সূচনায়)
৭. বাংলা কাব্য রীতি কয় ভাগে বিভক্ত? (য. বোর্ড ২০২৪)
ক. ২ ভাগে
খ. ৩ ভাগে
গ. ৪ ভাগে
ঘ. ৫ ভাগে
৮. সাধু রীতির বহু সর্বনামে কী যুক্ত থাকে? (ঢা. বোর্ড ২০২৪)
ক. ক-বর্ণ
খ. ত-বর্ণ
গ. হ-বর্ণ
ঘ. ম-বর্ণ
উত্তরমালা
১. খ, ২. খ, ৩. ঘ, ৪. খ, ৫. ঘ, ৬. ঘ, ৭. ক, ৮. গ
উল্লেখ্য, সর্বমোট বোর্ড রয়েছে ১০টি। মাধ্যমিক বোর্ড ৯টি, আর মাদ্রাসা বোর্ড ১টি। এই পরিচ্ছেদ থেকে ৭টি বোর্ড থেকে প্রশ্ন এসেছে, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও রাজশাহী বোর্ড থেকে ২০২৪ সালে কোন প্রশ্ন আসেনি। ২০২৩ সালের সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে এই পরিচ্ছেদটি ছিল না। ২০২৬ সালের সংক্ষিপ্ত সিলেবাসেও এটি নেই। ২০২৫ ও ২৭ সালের সিলেবাসে আছে।
(উপকৃত হলে কিংবা কনফিউশান থাকলে দয়া করে কমেন্ট করবেন। ভুল ধরিয়ে দিতে পারলে চিরকৃতজ্ঞ থাকব। পরামর্শ দিয়ে পাশে থাকবেন, ইনশাআল্লাহ্।)
- নবম ও দশম শ্রেণির বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি বইয়ের (১-৪৩ পরিচ্ছেদ)
- এসএসসি বাংলা ২য় পত্র সকল বোর্ড প্রশ্ন ও সমাধান (২০২০-২৪)
- মাদ্রাসা বোর্ডের দাখিল বাংলা ২য় প্রশ্ন ও সমাধান (২০২০-২০২৫)
- এইচএসসি বাংলা ২য় পত্র সকল বোর্ড প্রশ্ন ও সমাধান (২০১৮-২০২৪)
- ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষার বাংলা প্রশ্ন (২০০৮-২০২৫)
