Alim 2018 Madrasah Board Bangla 2nd Paper Question & Solution
আলিম পরীক্ষা ২০১৮ বাংলা ২য় পত্র বোর্ড প্রশ্নের সমাধান টেক্সট আকারে আকারে সুন্দরভাবে গুছিয়ে দেয়া হলো।
আলিম পরীক্ষা-২০১৮
মাদরাসা বোর্ড
বাংলা দ্বিতীয় পত্র
বিষয় কোড: ২৩৭
সময়-৩ ঘণ্টা পূর্ণমান-১০০
মাদ্রাসা বোর্ড ২০১৮ বাংলা ২য় পত্র প্রশ্ন (ব্যাকরণ অংশ)
ক বিভাগ ব্যাকরণ
মান ৩০
১। যেকোনো একটি প্রশ্নের উত্তর দাও:
ক) উচ্চারণ রীতি কাকে বলে? বিশুদ্ধ উচ্চারণ প্রয়োজন কেন? আলোচনা কর।
উচ্চারণ রীতি:
একটি ভাষার শব্দগুলোকে ধ্বনিগত নিয়ম মেনে শুদ্ধভাবে ও সঠিকভাবে উচ্চারণ করার নিয়ম বা পদ্ধতি। এতে স্বরধ্বনি, ব্যঞ্জনধ্বনি, যুক্তাক্ষর, অনুস্বার, বিসর্গ ইত্যাদি ধ্বনিসংক্রান্ত বিষয়গুলো সঠিকভাবে প্রয়োগ করতে হয়।
বিশুদ্ধ উচ্চারণ প্রয়োজন কারণ—
সঠিক অর্থ প্রকাশের জন্য:
ভুল উচ্চারণে শব্দের অর্থ বদলে যেতে পারে। যেমন: আলো ও আলো (আলোচনা)—উচ্চারণ ঠিক না হলে অর্থ বিভ্রান্তি ঘটে।
যোগাযোগের স্পষ্টতা বজায় রাখতে:
শুদ্ধ উচ্চারণে কথা সহজে বোঝা যায়, ভুল উচ্চারণে যোগাযোগ বিভ্রান্তিকর হয়।
ভাষার সৌন্দর্য ও শুদ্ধতা রক্ষায়:
বিশুদ্ধ উচ্চারণ ভাষাকে শ্রুতিমধুর ও রুচিশীল করে তোলে।
সাহিত্য, আবৃত্তি ও নাট্যচর্চায়:
কবিতা পাঠ, আবৃত্তি, সংবাদ পাঠ বা অভিনয়ে শুদ্ধ উচ্চারণ অপরিহার্য।
জাতীয় ও সামাজিক ঐক্যের জন্য:
শুদ্ধ উচ্চারণ একটি মান রূপে কাজ করে, যা ভাষার অভিন্ন ব্যবহার নিশ্চিত করে।
বিশুদ্ধ উচ্চারণ একটি সুস্থ ভাষাচর্চার পূর্বশর্ত। ভাষা শুদ্ধভাবে বলার অভ্যাস গড়ে তোলার মাধ্যমেই আমরা আমাদের সংস্কৃতি ও পরিচয়কে মর্যাদা দিতে পারি।
খ) যেকোনো পাঁচটি শব্দের শুদ্ধ উচ্চারণ লেখ:
প্রদত্ত শব্দ =>শুদ্ধ উচ্চারণ
অভিপ্রায়=>ওভিপ্ প্রায়্
অধ্যক্ষ=>অদ্ ধোক্ খো
ঐশ্বর্য=>ঔইশ্ শোর্ জো
এখন=>অ্যাখোন্
গণিত=>গোনিত্
চাতুর্য=>চাতুর্ জো
জিহ্বা=>জিউভা
দারিদ্র্য=>দারিদ্ দ্রো।
২। যেকোনো একটি প্রশ্নের উত্তর দাও: ৫
ক) ণত্ব বিধান বলতে কী বোঝ? ণত্ব বিধানের পাঁচটি নিয়ম লেখ।
ণত্ব বিধান:
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত তৎসম শব্দের বানানে ‘ণ’-এর ব্যবহারের সঠিক নিয়মকেই ণত্ব বিধান বলে।
ণত্ব বিধানের পাঁচটি নিয়ম:
১. তৎসম শব্দের বানানে ঋ ও ঋ-কারের পর ‘ণ’ হয়। যেমন: ঋণ, তৃণ, মৃণাল, ঘৃণা ইত্যাদি।
২. তৎসম শব্দের বানানে র ও র-ফলার পর ‘ণ’ হয়। যেমন: কারণ, বর্ণ, কর্ণ, চূর্ণ, দীর্ণ, ঘ্রাণ, প্রাণ ইত্যাদি।
৩. তৎসম শব্দের বানানে যুক্তবর্ণের ক্ষেত্রে ট-বর্গীয় বর্ণের পূর্বে ‘ণ’ ব্যবহৃত হয়। যেমন: ঘণ্টা, কণ্টক, বণ্টন, লুণ্ঠন ইত্যাদি।
৪ . প্র, পরি, নির ইত্যাদি উপসর্গের পর ‘ণ’ হয়। যেমন: প্রণয়, পরিণাম , নির্ণয় ইত্যাদি।
৫. পর, পার, নার, রাম, রবীন্দ্র, উত্তর ইত্যাদি শব্দের পর ‘অয়ন’ থাকলে সাধিত শব্দে ‘ন’-এর পরিবর্তে ‘ণ’ হয়। যেমন: পরায়ণ, নারায়ণ, রামায়ণ, উত্তরায়ণ, রবীন্দ্রায়ণ ইত্যাদি।
খ) যেকোনো পাঁচটি শব্দের বানান শুদ্ধ করে লেখ:
অশুদ্ধ বানান =>শুদ্ধ বানান
আকাংখা=>আকাঙ্ক্ষা
উদিচি=>উদীচী
কৃতিবাস=>কৃত্তিবাস
নিশিথিনি=>নিশীথিনী
পৈত্রিক=>পৈতৃক
ভৌগলিক=>ভৌগোলিক
সম্বর্ধনা=>সংবর্ধনা
পিপীলীকা=>পীপিলিকা।
৩। যেকোনো একটি প্রশ্নের উত্তর দাও: ৫
ক) যোজক কাকে বলে? যোজক কত প্রকার ও কী কী? উদাহরণসহ লেখ।
যোজক:
যে শব্দ একটি বাক্যাংশের সাথে অন্য একটি বাক্যাংশ অথবা বাক্যস্থিত একটি শব্দের সঙ্গে অন্য একটি শব্দের সংযোজন, বিয়োজন বা সংকোচন ঘটায় তাকে যোজক বলে। যেমন: রাজিব কবিতা পড়বে আর রাকিব গাইবে গান। কলশিটা ভালো করে ধর নইলে পানি পড়ে যাবে।
অর্থ এবং সংযোজনের ধরন ও বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী যোজক পাঁচ প্রকার। যথা-
১. সাধারণ যোজক:
যে যোজক দ্বারা একাধিক শব্দ, বাক্য বা বাক্যাংশকে সংযুক্ত করা হয় তাকে সাধারণ যোজক বলে। যেমন: রানা ঢাকা যাবে এবং চিড়িয়াখানা দেখবে।
২. বিকল্প যোজক:
যে যোজক দ্বারা একাধিক শব্দ, বাক্য বা বাক্যাংশের মধ্যে বিকল্প নির্দেশ করা হয় Lতাকে বিকল্প যোজক বলে। যেমন: মন ভালো হলে তুমি কাজ করবে নতুবা বসে থাকবে।
৩. বিরোধমূলক যোজক:
যে যোজক দ্বারা দুটি বাক্যের সংযোগ ঘটিয়ে দ্বিতীয়টি দ্বারা প্রথমটির সংশোধন বা বিরোধ নির্দেশ করা হয় তাকে বিরোধমূলক যোজক বলে। যেমন: তাকে টাকা দিতে চাইলাম কিন্তু নিল না।
৪. কারণবাচক যোজক:
একটি বাক্যের কারণ হিসেবে অপর একটি বাক্যের সংযোগ ঘটানো হয় যে যোজক দ্বারা তাকে কারণবাচক যোজক বলে। যেমন: নাহিদ বাইরে যাবে না কারণ সেখানে এখন কারফিউ চলছে।
৫. সাপেক্ষ যোজক:
পরস্পর নির্ভরশীল যে যোজক একে অন্যের পরিপূরক হিসেবে বাক্যে ব্যবহৃত হয় তাকে সাপেক্ষ যোজক বলে।
যেমন: যদি পড়াশোনা কর তবে কৃতকার্য হবে।
খ) নিচের অনুচ্ছেদ থেকে পাঁচটি বিশেষণ পদ চিহ্নিত কর:
সকালে মা তার ঘুমন্ত শিশুকে জাগিয়ে গরম দুধ খাওয়ালেন। এরপর আড়াই বছরের অবুঝ শিশুটিকে নিয়ে বাগানে লাল লাল ফুল দেখালেন। সদ্যোজাত ফুলগুলো ছিল চমৎকার। ঝকঝকে রোদে পরিবেশও ছিল সুখকর।
পাঁচটি বিশেষণ পদ চিহ্নিত করা হলো :
=>ঘুমন্ত
=>গরম
=>অবুঝ
=>লাল লাল
=>সদ্যোজাত
=>চমৎকার
=>ঝকঝকে
=>সুখকর
৪। যেকোনো একটি প্রশ্নের উত্তর দাও:
ক) ব্যাসবাক্যসহ সমাস নির্ণয় কর (যেকোনো পাঁচটি):
প্রদত্ত শব্দ = ব্যাসবাক্য = সমাসের নাম
হাতে-কলমে=হাতে ও কলমে=>দ্বন্দ্ব
আরক্তিম=ঈষৎ রক্তিম =>অব্যয়ীভাব
রাষ্ট্রপতি= রাষ্ট্রের পতি=>ষষ্ঠী তৎপুরুষ
নবীনবরণ= নবীনকে বরণ=>দ্বিতীয়া তৎপুরুষ
গণ্যমান্য=গণ্য ও মান্য=>দ্বন্দ্ব,
যিনি গণ্য তিনি মান্য=>কর্মধারয়
ঊর্ণনাভ=ঊর্ণা নাভিতে যার=>বহুব্রীহি
রক্তারক্তি=রক্তপাত করে যুদ্ধ=>ব্যতিহার বহুব্রীহি
কপোতাক্ষ=কপোতের অক্ষির ন্যায় অক্ষি যার=>মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি ।
খ) প্রত্যয়ের নামসহ প্রকৃতি ও প্রত্যয় নির্ণয় কর (যেকোনো পাঁচটি):
প্রদত্ত শব্দ = প্রকৃতি + প্রত্যয় = প্রত্যয়ের নাম
কার্য=√কৃ+য=কৃৎ প্রত্যয়
নেতা=√নী+তৃচ=কৃৎ প্রত্যয়
ভাবুক=√ভু+ইক=কৃৎ প্রত্যয়
দ্রাঘিমা=দীর্ঘ+ইমা=তদ্ধিত প্রত্যয়
ভোজন=√ভুজ্+অন=কৃৎ প্রত্যয়
ত্যাগ=√ত্যজ্+অ=কৃৎ প্রত্যয়
দোলনা=√দুল্+অনা=কৃৎ প্রত্যয়
ধার্মিক=ধর্ম+ইক=তদ্ধিত প্রত্যয়।
৫। যেকোনো একটি প্রশ্নের উত্তর দাও: ৫
ক) সরল ও জটিল বাক্যের মধ্যে পার্থক্য উদাহরণসহ লেখ।
সরল ও জটিল বাক্যের পার্থক্য:
সরল বাক্য:
একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকলে তাকে সরল বাক্য বলে।
যেমন: জেসমিন সবার জন্য চা বানিয়েছে। যুবাইর ফুটবল খেলছে।
জটিল বাক্য:
একটি মূল বাক্যের অধীনে এক বা একাধিক আশ্রিত বাক্য বা বাক্যাংশ থাকলে জটিল বাক্য তৈরি হয়।
যেমন: যদি তোমার কিছু বলার থাকে, তবে এখনই বলে ফেলো।
যারা ভালো ছেলে তারা বড়দের কথা মেনে চলে।
খ) নির্দেশ অনুসারে বাক্যান্তর কর (যেকোনো পাঁচটি) :
প্রদত্ত বাক্য => বাক্যান্তর
i) তিনি আর নেই। (যৌগিক)
=>তিনি আগে ছিলেন কিন্তু এখন বেঁচে নেই।
ii) এখন খাঁটি জিনিস সহজলভ্য নয়। (অস্তিবাচক)
=>এখন খাঁটি জিনিস দুর্লভ।
iii) শিক্ষিত লোককে সবাই শ্রদ্ধা করেন। (জটিল)
=>যিনি শিক্ষিত লোক তাকে সবাই শ্রদ্ধা করেন।
iv) এখনই ডাক্তার ডাকা উচিত। (অনুজ্ঞাবাচক)
=>এখনই ডাক্তার ডাক।
v) শীতে দরিদ্র মানুষের খুব কষ্ট হয়। (বিস্ময়বাচক)
=>শীতে দরিদ্র মানুষের কী কষ্ট!
vi) বিড়ালকে বুঝান দায় হইল। (নেতিবাচক)
=>বিড়ালকে কোনভাবেই বুঝান গেল না।
vii) যাদের বুদ্ধি নেই তারাই এ কথা বিশ্বাস করবে। (সরল)
=>বুদ্ধিহীনেরাই একথা বিশ্বাস করবে।
viii) মানুষটা সমস্ত রাত খেতে পাবে না। (প্রশ্নবাচক)
=>মানুষটা সমস্ত রাত খেতে পাবে কি?
৬। যেকোনো একটি প্রশ্নের উত্তর দাও:
ক) যেকোনো পাঁচটি বাক্য শুদ্ধ করে লেখ:
প্রদত্ত বাক্য => শুদ্ধ বাক্য
i) অন্যায়ের ফল দুর্নিবার্য।
=>অন্যায়ের ফল অনিবার্য
ii) আমার আর বাঁচিবার স্বাদ নেই।
=>আমার আর বাঁচিবার সাধ নেই।
iii) আমি সাক্ষী দিব না।
=>আমি সাক্ষ্য দিব না।
iv) অন্যান্য বিষয়গুলোর আলোচনা পরে হবে।
=>অন্যান্য বিষয়ের আলোচনা পরে হবে।
(v) তিনি আরোগ্য হয়েছেন।
=>তিনি আরোগ্য লাভ করেছেন।
vi) তার বৈমাত্রেয় সহোদর অসুস্থ্য।
=>তার বৈমাত্রেয় সহোদর অসুস্থ।
vii) সাবধানপূর্বক চলবে।
=>সাবধানে চলবে।
viii) বিরাট গরু ছাগলের হাট।
=>গোরু-ছাগলের বিরাট হাট।
খ) নিচের অনুচ্ছেদের অপপ্রয়োগগুলো শুদ্ধ কর:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ভয়ংকর কবি ছিলেন। গীতাঞ্জলী কাব্যের জন্য তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। বিজ্ঞানমনস্ক লেখক হিসেবেও তার খ্যাতি রয়েছে। বাংলা সাহিত্যের উৎকর্ষতা সাধনে তিনি অসামান্য অবদান রেখেছেন। একথা প্রমাণ হয়েছে।
শুদ্ধ অনুচ্ছেদ:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিখ্যাত কবি ছিলেন। গীতাঞ্জলি কাব্যের জন্য তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। বিজ্ঞানমনস্ক লেখক হিসেবেও তাঁর খ্যাতি রয়েছে। বাংলা সাহিত্যের উৎকর্ষ সাধনে তিনি অসামান্য অবদান রেখেছেন। একথা প্রমাণিত হয়েছে।
আলিম বাংলা ২য় পত্র নির্মিতি অংশ (মাদ্রাসা বোর্ড ২০১৮)
খ বিভাগ ব্যাকরণ
মান ৭০
৭। ক) যেকোনো দশটি শব্দের পারিভাষিক রূপ লেখ: ১০
প্রদত্ত শব্দ = পারিভাষিক শব্দ
Agent=>প্রতিনিধি
Cash in hand=>নগদ
Dead lock=>অচলবস্থ
Eye wash=>ধোঁকা
Fine art=>চারুকলা
Grade=>ধাপ, স্তর, শ্রেণি
Knight=>বীর, যোদ্ধা
Lease=>ইজারা
Myth=>পৌরাণিক কাহিনি/পুরাণ
Nutrition=>পুষ্টি
Phonetics=>ধ্বনিতত্ত্ব
Quack=>হাতুড়ে বিদ্যা
Head line=>শিরোনাম
অথবা, খ) নিচের অনুচ্ছেদটি বাংলায় অনুবাদ কর:
Always speak the truth. Never tell a lie. Nobody believes a liar. Even if he speaks the truth he is considered to be a liar. Nobody in the world is as unfortunate as he.
বঙ্গানুবাদ:
সবসময় সত্য কথা বলবে। কখনো মিথ্যা বলবে না। মিথ্যাবাদীকে কেউ বিশ্বাস করে না। এমনকি সে যদি সত্য কথাও বলে, তবুও সে মিথ্যুক হিসেবে গণ্য হয়। পৃথিবীতে তার মতো দুর্ভাগা আর কেউ নেই।
৮। ক) শীতের কোনো এক সকালের অভিজ্ঞতা বর্ণনা কর। ১০
অথবা, খ) ‘যানজট একটি ভয়াবহ সমস্যা’ -এ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন রচনা কর।
৯। ক) পরীক্ষায় কৃতিত্ব প্রদর্শনের জন্য ছোট ভাইকে অভিনন্দন জানিয়ে একটি ই-মেইল বার্তা লেখ। ১০
অথবা, গ) শিক্ষাসফরে যাওয়ার অনুমতি ও আর্থিক সাহায্যের আবেদন জানিয়ে অধ্যক্ষের নিকট একটি আবেদনপত্র লেখ।
১০। ক) সারমর্ম লেখ। ১০
বিশ্বজোড়া পাঠশালা মোর সবার আমি ছাত্র
নানান ভাবে নতুন জিনিস শিখছি দিবারাত্র
এই পৃথিবীর বিরাট খাতায়
পাঠ্য যেসব পাতায় পাতায়।
শিখছি সেসব কৌতূহলে সন্দেহ নেই মাত্র।
অথবা, খ) ভাব সম্প্রসারণ কর;
মঙ্গল করিবার শক্তিই ধন, বিলাস ধন নহে।
১১। ক) আসন্ন পরীক্ষার প্রস্তুতি সম্পর্কে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর। ১০
অথবা, খ) খুদে গল্প রচনা কর (যেকোনো একটি):
i) একতাই বল;
ii) মাতৃসেবা।
১২। যেকোনো একটি বিষয়ে প্রবন্ধ রচনা কর: ২০
ক) পরিবেশ সংরক্ষণে বনায়ন;
খ) বাংলাদেশের পর্যটন শিল্প;
গ) তথ্যপ্রযুক্তি ও বাংলাদেশ;
ঘ)দুর্নীতি: উন্নয়নের মূল অন্তরায়;
ঙ) ৭ই মার্চের ভাষণ: আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি।
(উপকৃত হলে কিংবা কনফিউশান থাকলে দয়া করে কমেন্ট করবেন। ভুল ধরিয়ে দিতে পারলে চিরকৃতজ্ঞ থাকব। পরামর্শ দিয়ে পাশে থাকবেন, ইনশাআল্লাহ্।)
