আলিম ২০১৯ বাংলা ২য় পত্র প্রশ্ন ও সমাধান (মাদ্রাসা বোর্ড)

Alim 2019 Madrasah Board Bangla 2nd Paper Question & Solution

আলিম পরীক্ষা ২০১৯ বাংলা ২য় পত্র বোর্ড প্রশ্নের সমাধান টেক্সট আকারে গুছিয়ে দেয়া হলো।

আলিম পরীক্ষা-২০১৯
মাদরাসা বোর্ড
বাংলা দ্বিতীয় পত্র

বিষয় কোড: ২৩৭
সময়-৩ ঘণ্টা পূর্ণমান-১০০

মাদ্রাসা বোর্ড ২০১৯ আলিম পরীক্ষার বাংলা ২য় পত্র প্রশ্ন ও সমাধান (ব্যাকরণ অংশ)

ক বিভাগ ব্যাকরণ

মান ৩০

১। যেকোনো একটি প্রশ্নের উত্তর দাও:

ক) বাংলা ভাষায় ‘এ’ ধ্বনি উচ্চারণের পাঁচটি নিয়ম লেখ।

এ’ ধ্বনি উচ্চারণের পাঁচটি নিয়ম:
১. তৎসম শব্দের এ-এর উচ্চারণ সাধারণ অবিকৃত থাকে। যেমন: বেদনা (বেদোনা), দেবতা (দেবোতা)।
২. আদ্য এ-এর পরে ‘অ’ বা ‘আ’ থাকলে সেই ‘এ’ এর উচ্চারণ ‘অ্যা’ এর মতো হয়।যেমন: এক (অ্যাক্); তেমন (ত্যামোন্)।
৩. এ-কারযুক্ত ধাতুর সঙ্গে ‘আ’ প্রত্যয় যুক্তগ হলে সেই ‘এ’-এর উচ্চারণ অ্যা-রূপে হয়ে থাকে। যেমন: খেলা (খ্যালা), বেলা (ব্যালা)।
৪. শব্দের শেষের এ-এর উচ্চারণ সাধারণত অবিকৃত থাকে। যেমন: পথে, ঘাটে, হাটে।
৫. একাক্ষর সর্বনাম পদের ‘এ’ সাধারণত অবিকৃত এ-রূপে উচ্চাতির হয়। যেমন: সে, যে, কে, রে।

খ) যেকোনো পাঁচটি শব্দের শুদ্ধ উচ্চারণ লেখ।

প্রদত্ত শব্দ =>শুদ্ধ উচ্চারণ
অধ্যাপক=>ওদ্ ধাপোক্
নদী=>নোদি
ব্যতীত=>বেতিতো
কল্যাণ=>কোল্ ল্যান্
প্রথম=>প্রোথোম্
বিজ্ঞপ্তি=>বিগ্ গোঁপ্ তি
বৈশাখ=>বোইশাখ্
লক্ষ্মণ=>লোক্ খোঁন্।

২। যেকোনো একটি প্রশ্নের উত্তর দাও: ৫

ক) আধুনিক বাংলা বানানে ‘ই’ কার ব্যবহারের পাঁচটি নিয়ম লেখ।

আধুনিক বাংলা বানানে ই-কার ব্যবহারের পাঁচটি নিয়ম:
১. সকল অতৎসম শব্দে ই-কার ব্যবহৃত হবে। যেমন: বাড়ি, পাখি, বেশি ইত্যাদি।
২. বিশেষণবাচক ‘আলি’ প্রত্যয়যুক্ত শব্দে ই-কার হবে। যেমন: বর্ণালি, সোনালি ইত্যাদি।
৩. ভাষা ও জাতিবাচক শব্দে ই-কার হবে। যেমন: ইরানি, জাপানি ইত্যাদি।
8. পদাশ্রিত নির্দেশক শব্দে ই-কার হবে। যেমন: মেয়েটি, বইটি, কলমটি ইত্যাদি।
৫. ক্রিয়াবাচক শব্দে ই-কার হবে। যেমন: পড়েছি, দেখেছি, করেছি ইত্যাদি।

খ) যেকোনো পাঁচটি শব্দের বানান শুদ্ধ কর

অশুদ্ধ বানান=>শুদ্ধ বানান
দুরাবস্থা=>দুরবস্থা
শান্তনা=>সান্ত্বনা
কার্য্যালয়=>কার্যালয়
মধুসুদন=>মধুসূদন
সমিচীন=>সমীচীন
সধর্মভূত=>স্বধর্মচ্যুত
মুমুর্ষু=>মুমূর্ষু
নুন্যতম=>ন্যূনতম।

৩। যেকোনো একটি প্রশ্নের উত্তর দাও:

ক) উৎপত্তি অনুসারে বাংলা শব্দগুলোকে কয় ভাগে ভাগ করা যায়? উদাহরণসহ আলোচনা কর।

ক. উৎস বিবেচনায় শব্দের শ্রেণিবিভাগ:

উৎস বিবেচনায় বাংলা শব্দভাণ্ডারকে চার শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়: তৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি। এর মধ্যে তৎসম ও তদ্ভব শ্রেণিকে নিজস্ব উৎসের এবং দেশি ও বিদেশি শ্রেণিকে আগন্তুক উৎসের শব্দ হিসেবে গণ্য করা হয়।

১. তৎসম শব্দ:
প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা থেকে বিবর্তিত যেসব বাংলা শব্দের লিখিত চেহারা সংস্কৃত ভাষার শব্দের অনুরূপ সেগুলোকে তৎসম শব্দ বলে।
যথা: পৃথিবী, আকাশ, গ্রহ, বৃক্ষ।

সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুসরণ করে গঠিত পারিভাষিক শব্দকেও তৎসম শব্দ বলা হয়।
যথা: অধ্যাদেশ, গণপ্রজাতন্ত্রী, মহাপরিচালক, সচিবালয় ইত্যাদি।

২. তদ্ভব শব্দ: প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা থেকে বিবর্তিত যেসব শব্দ বাংলা ভাষায় একেবারেই স্বতন্ত্র, সেগুলোকে তদ্ভব শব্দ বলা হয়।
উদাহরণ: হাত, পা, কান, নাক, জিভ, দাঁত; হাতি, ঘোড়া, সাপ, পাখি, কুমির ইত্যাদি।

৩. দেশি শব্দ: বাংলা অঞ্চলের আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ভাষা থেকে কিছু শব্দ বাংলা ভাষায় স্থান পেয়েছে, এগুলোকে দেশি শব্দ বলা হয়।
উদাহরণ: কুড়ি, পেট, চুলা, কুলা, ডাব, টোপর, ঢেঁকি ইত্যাদি।

৪. বিদেশি শব্দ: ঐতিহাসিক কারণে বাংলাদেশের সঙ্গে বিভিন্ন দেশের আন্তঃসম্পর্ক তৈরি হওয়ায় সেসব দেশের বহু শব্দ বাংলা ভাষায় স্থান করে নিয়েছে, এই শব্দগুলোকে বিদেশি শব্দ বলে। এসব বিদেশি শব্দের মধ্যে রয়েছে আরবি, ফারসি, ইংরেজি, পর্তুগিজ, ফরাসি, ওলন্দাজ, তুর্কি, হিন্দি ইত্যাদি।

উদাহরণ-
আরবি: আল্লাহ, হারাম, হালাল, হজ, জাকাত।

ফারসি: খোদা, নামাজ, রোজা, চশমা, ইত্যাদি।

ইংরেজি: চেয়ার, টেবিল, কলেজ, স্কুল ইত্যাদি।

পর্তুগিজ: আনারস, আলপিন, আলমারি, পাউরুটি, বালতি ইত্যাদি।

ফরাসি: কুপন, ডিপো ইত্যাদি।

ওলন্দাজ: ইস্কাপন, টেক্কা, তুরুপ, রুইতন, হরতন ইত্যাদি।

তুর্কি: চাকর, চাকু, তোপ, দারোগা ইত্যাদি।

হিন্দি: পানি, সমঝোতা, লাগাতার, ধোলাই।

খ) নিচের বাক্যগুলো থেকে পাঁচটি বিশেষণ পদ চিহ্নিত কর;

আমার কর্ণধার আমি। আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। সত্য প্রকাশে আমি নির্ভীক। এটা আত্মাকে চেনার সহজ স্বীকারোক্তি। মানুষ ধর্মই বড় ধর্ম। মানুষের মনুষ্যত্ববোধ জাগ্রত হোক। তাহলেই দেশ হবে উন্নত ও সুন্দর।

পাঁচটি বিশেষণ পদ চিহ্নিত করা হলো:
=>নির্ভীক
=>সহজ
=>বড়
=>উন্নত
=>সুন্দর।

৪। যেকোনো একটি প্রশ্নের উত্তর দাও : ৫

ক) ব্যাসবাক্যসহ সমাস নির্ণয় কর (যেকোনো পাঁচটি) :

প্রদত্ত শব্দ = ব্যাসবাক্য = সমাসের নাম
তেমাথা=>তিন মাথার সমাহার =দ্বিগু সমাস
শোকাহত=>শোক দ্বারা আহত = তৃতীয়া তৎপুরুষ
অসুখ=> নয় সুখ=নঞ তৎপুরুষ
হাতাহাতি=> হাতে হাতে যে যুদ্ধ = ব্যতিহার বহুব্রীহি
চাঁদমুখ=>মুখ চাঁদের ন্যায়=উপমিত কর্মধারয়
কোলেপিঠে=>কোলে ও পিঠে=অলুক দ্বন্দ্ব
রান্নাঘর=>রান্নার জন্য ঘর=তৎপুরুষ
মৌমাছি=>।

খ) প্রত্যয়ের নামসহ প্রকৃতি ও প্রত্যয় নির্ণয় কর। (যেকোনো পাঁচটি) :

প্রদত্ত শব্দ = প্রকৃতি + প্রত্যয় = প্রত্যয়ের নাম
নায়ক=√নী+অক=কৃৎ প্রত্যয়
পানীয়=√পা+অনীয়=কৃৎ প্রত্যয়
পড়ন্ত=√পড়্+অন্ত=কৃৎ প্রত্যয়
ফুলদানি=ফুল+দানি=তদ্ধিত প্রত্যয়
কান্না=√কাঁদ্+না=কৃৎ প্রত্যয়
গমন=√গম্+অন=কৃৎ প্রত্যয়
অন্যান্য=অন্য+অন্য=তদ্ধিত প্রত্যয়
ঢাকাই=ঢাকা+আই=তদ্ধিত প্রত্যয়

৫। যেকোনো একটি প্রশ্নের উত্তর দাও : ৫

ক) বাক্য কাকে বলে? একটি সার্থক বাক্যের কী কী বৈশিষ্ট্য থাকা উচিত? আলোচনা কর।

বাক্য:
যে পদ বা পদ সমষ্টি দ্বারা বক্তার পূর্ণ মনোভাব প্রকাশ পায় তাকে বাক্য বলে। যেমন: আমি একাদশ শ্রেণিতে পড়ি।

বাক্যের গুণ/বৈশিষ্ট্য:
অর্থ স্পষ্ট হওয়ার জন্য আকাঙ্ক্ষার নিবৃত্তি, সম্পূর্ণ-মনোভাব প্রকাশ এবং অর্থগত ও ভাবগত মেল বন্ধন হলো বাক্যের গুণ বা বৈশিষ্ট্য।

একটি সার্থক বাক্যের তিনটি গুণ বা বৈশিষ্ট্য থাকা আবশ্যক। যথা-

ক. আকাঙ্ক্ষা:
বাক্যের অন্তর্গত একটি পদের পর তার পরবর্তী পদ শোনার যে আগ্রহ তাকেই আকাঙ্ক্ষা বলে। একটি সার্থক বাক্যে এই আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে হয়। কোনো বাক্যে এই আকাঙ্ক্ষা অপূর্ণ থাকলে তা বাক্য হিসেবে সার্থক হয় না। যেমন: ‘ঢাকা বাংলাদেশের’ বললে শ্রোতার আকাঙ্ক্ষা পূরণ হয় না কিন্তু ‘ঢাকা বাংলাদেশের রাজধানী’ বললে শ্রোতার আর আকাঙ্ক্ষা থাকে না। সুতরাং ‘ঢাকা বাংলাদেশের’ বাক্য নয়, ‘ঢাকা বাংলাদেশের রাজধানী’ একটি সার্থক বাক্য।

খ. আসত্তি:
বাক্যের সুশৃঙ্খল পদবিন্যাসকেই আসত্তি বলে। বাক্যস্থিত পদসমূহের বিন্যাস সুশৃঙ্খল বা যথাযথ না হলে তাকে বাক্য বলা যায় না। যেমন: ‘সাদা বকের দল আকাশে উড়ছে।’ উল্লিখিত বাক্যে পদসমূহের বিন্যাস সুশৃঙ্খল বা যথাযথ হওয়ায় এটি একটি সার্থক বাক্যে পরিণত হয়েছে। কিন্তু এই পদসমষ্টিকে যদি সুশৃঙ্খলভাবে বিন্যাস না করে বলা হয়, ‘সাদা উড়ছে দল বকের আকাশে’ তাহলে আসত্তি গুণের অভাবে বাক্যটি সার্থক হবে না। তাই একটি সার্থক বাক্য গঠনের ক্ষেত্রে অবশ্যই আসত্তি গুণটি থাকতে হবে।

গ. যোগ্যতা:
বাক্যে ব্যবহৃত পদগুলোর অর্থ ও ভাবগত মিল বা সামঞ্জস্যকে যোগ্যতা বলে। একটি সার্থক বাক্য গঠনের ক্ষেত্রে অর্থ ও ভাবগত অন্বয় রক্ষিত না হলে বাক্য তার যোগ্যতা হারায়। যেমন: ‘গরুগুলো আকাশে উড়ছে।’ বাক্যটিতে আকাঙ্ক্ষা এবং আসত্তি গুণ রক্ষিত হলেও এটি সার্থক বাক্য নয়; কেননা, এতে ব্যবহৃত পদগুলোর সঙ্গে ভাবের কোনো সাদৃশ্য নেই। কিন্তু এর পরিবর্তে যদি বলা হয়, ‘পাখিগুলো আকাশে উড়ছে।’ তাহলে এটি যোগ্যতাসম্পন্ন একটি সার্থক বাক্য হয়ে উঠবে।

খ) নির্দেশানুসারে বাক্যান্তর কর (যেকোনো পাঁচটি):

i) আমার নিবাস নাই। (জটিল)
=>যা নিবাস, তা আমার নেই।
ii) ভাষায় অক্ষরের ভূমিকা মুখ্য নয়। (অস্তিবাচক)
=>ভাষায় অক্ষরের ভূমিকা গৌণ।
III) সন্ধ্যার পর অন্ধকার ঘনিয়ে এলো। (বিস্ময়সূচক)
=>কী অন্ধকার ঘনিয়ে এলো সন্ধ্যার পর!
iv) যে ভিক্ষা চায় তাকে দান কর। (সরল)
=>ভিক্ষুককে দান কর।
v) ফুল সকলেই ভালোবাসে। (প্রশ্নবোধক)
=>ফুল কি সকলেই ভালবাসে না?
vi) মন দিয়ে লেখাপড়া করা উচিত। (অনুজ্ঞাসূচক)
=>মন দিয়ে লেখাপড়া কর।
vii) দোষ করেছো অতএব শাস্তি পাবে। (মিশ্র)
=>যেহেতু দোষ করেছো সেহেতু শাস্তি পাবে।
viii) জন্মভূমিকে সবাই ভালোবাসে। (নেতিবাচক)
=>জন্মভূমিকে কেউ ঘৃণা করে না।

৬। যেকোনো একটি প্রশ্নের উত্তর দাও : ৫
ক) যেকোনো পাঁচটি বাক্য শুদ্ধ করে লেখ:

অশুদ্ধ বাক্য => শুদ্ধ বাক্য
i) সব মাছগুলোর দাম কত?
=>মাছগুলোর দাম কত?
ii) উপরোক্ত বাক্যটি শুদ্ধ নয়।
=>উপর্যুক্ত বাক্যটি শুদ্ধ নয়।
iii) ইহার আবশ্যক নাই।
=>ইহার আবশ্যকতা নাই।
(iv) নিরোগী রোগ প্রকৃত অর্থেই সুখী।
=>নিরোগ লোক প্রকৃত অর্থেই সুখী।
(v) বাংলাদেশ একটি উন্নতশীল রাষ্ট্র।
=>বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল রাষ্ট্র।
(vi) অধ্যায়নই ছাত্রদের তপস্যা।
=>অধ্যয়নই ছাত্রদের তপস্যা।
(vii) শুধুমাত্র গায়ের জোরে সব হয় না।
=>শুধু গায়ের জোরে সব হয় না।
(vii) সারাজীবন ভূতের মজুরী খেটে গেলাম।
=>সারাজীবন ভূতের বেগার খেটে গেলাম।

খ) নিচের অনুচ্ছেদের অপপ্রয়োগগুলো শুদ্ধ কর:

বানানের ব্যাপারে সকল ছাত্রগণ অমনোযোগী। ‘অপরাহ্ন’ বানানে তারা ভুল করে। এটা লজ্জাস্কর ব্যাপার। মূহুর্তের প্রচেষ্টায় সমাধান হবে না। এ জন্য প্রয়োজন অধ্যাবসায়।

শুদ্ধ অনুচ্ছেদ:
বানানের ব্যাপারে সকল ছাত্র অমনোযোগী। ‘অপরাহ্ণ‘ বানানে তারা ভুল করে। এটা লজ্জাকর ব্যাপার। মুহূর্তের প্রচেষ্টায় সমাধান হবে না। এ জন্য প্রয়োজন অধ্যবসায়

আলিম ২০১৯ বাংলা ২য় পত্র নির্মিতি অংশ (মাদ্রাসা বোর্ড)

খ বিভাগ ব্যাকরণ
মান ৭০

৭। ক) যেকোনো দশটি শব্দের পারিভাষিক রূপ লেখ। ১০

প্রদত্ত শব্দ => পারিভাষিক রূপ
Acting=>কার্যনির্বাহী / অভিনয়রত
Ballot=>গোপন ভোট
Copyright=>স্বত্বাধিকার
Fiction=>কল্পকাহিনি / কল্পসাহিত্য
Global=>বৈশ্বিক
Ideology=>মতাদর্শ
Legend=>কিংবদন্তি
Manifesto=>ঘোষণাপত্র
Oath=>শপথ
Subsidy=>ভর্তুকি
Withdraw=>প্রত্যাহার করা
Token=>প্রতীক / টোকেন
Public-works=>জনকল্যাণমূলক কার্য / সরকারি উন্নয়নকাজ

অথবা, খ) নিচের অনুচ্ছেদটি বাংলায় অনুবাদ কর :

Newspaper is the store house of knowledge. We can know the customs and manners of other countries through a newspaper. In fact, it is a gift of current affairs. It supplies everyone with news.

বঙ্গানুবাদ:
সংবাদপত্র জ্ঞানের ভাণ্ডার। সংবাদপত্রের মাধ্যমে আমরা অন্যান্য দেশের আচার-আচরণ ও রীতিনীতি জানতে পারি। প্রকৃতপক্ষে, এটি সমসাময়িক বিষয়ের একটি উপহার। এটি সকলকে খবর সরবরাহ করে।

৮। ক) ঈদুল ফিতরের বর্ণনা দিয়ে দিনলিপি রচনা কর। ১০

অথবা, খ) ‘আর্সেনিকমুক্ত পানীয় জল’ শীর্ষক আলোচনা সভায় উপস্থাপনের জন্য একটি ভাষণ তৈরি কর।

ক) নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে মা-কে একটি খুদে বার্তা প্রেরণ কর। ১০

অথবা, খ) তোমার দেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের বর্ণনা দিয়ে প্রবাসী বন্ধুর কাছে একটি পত্র লেখ।

১০। ক) সারমর্ম লেখ: ১০

বহুদিন ধরে বহু ক্রোশ দূরে
বহু ব্যয় করি বহু দেশ ঘুরে
দেখিতে গিয়েছি পর্বতমালা, দেখিতে গিয়েছি সিন্ধু।
দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া
ঘর হতে শুধু দুই পা ফেলিয়া
একটি ধানের শিষের উপরে
একটি শিশির বিন্দু।

অথবা, খ) ভাব-সম্প্রসারণ কর:

পুষ্প আপনার জন্য ফোটে না।
পরের জন্য তোমার হৃদয় কুসুমকে প্রস্ফুটিত করিও।

১১। ক) নিরক্ষরতা দূরীকরণ সম্পর্কে দুই বন্ধুর মধ্যে একটি সংলাপ রচনা কর। ১০

অথবা, খ) খুদে গল্প রচনা কর (যেকোনো একটি) :

i) সত্যবাদী বালক
ii) হিংসার পরিণাম

১২। যেকোনো একটি বিষয়ে প্রবন্ধ রচনা কর: ২০

ক) ইসলামে নারীর মর্যাদা;
খ) পরিবেশ দূষণ ও তার প্রতিকার;
গ) জাতিগঠনে ছাত্রসমাজের ভূমিকা;
ঘ) বিজ্ঞানের জয়যাত্রা;
ঙ) বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ।

(উপকৃত হলে কিংবা কনফিউশান থাকলে দয়া করে কমেন্ট করবেন। ভুল ধরিয়ে দিতে পারলে চিরকৃতজ্ঞ থাকব। পরামর্শ দিয়ে পাশে থাকবেন, ইনশাআল্লাহ্।)

Leave a Reply

error: Content is protected !!
Scroll to Top