HSC 2023 Chattogram Board Bangla 2nd Paper Question & Solution
এইচএসসি ২০২৩ বাংলা ২য় পত্র (চট্টগ্রাম বোর্ড) প্রশ্ন ও সমাধান টেক্সট আকারে সুন্দরভাবে গুছিয়ে দেয়া হলো।
এইচএসসি পরীক্ষা ২০২৩
চট্টগ্রাম বোর্ড
বাংলা দ্বিতীয় পত্র
বিষয় কোড: ২৩৭
সময়-৩ ঘণ্টা পূর্ণমান-১০০
এইচএসসি চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২৩ বাংলা ২য় পত্র প্রশ্ন (ব্যাকরণ অংশ)
ক বিভাগ ব্যাকরণ
মান ৩০
১. ক) ‘অ’ ধ্বনি উচ্চারণের পাঁচটি নিয়ম লেখ। ৫
অ-ধ্বনি উচ্চারণের নিয়ম:
১. শব্দের আদ্য ‘অ’-এর পরে য-ফলাযুক্ত ব্যঞ্জনবর্ণ থাকলে ‘অ’-এর উচ্চারণ সাধারণত ‘ও’-এর মতো হয় হয়। যেমন: গদ্য (গোদ্ দো), কল্যাণ (কোল্ লান্)/(কোল্ ল্যান্)
২. আদ্য ‘অ’-এর পর ‘ক্ষ’ থাকলে সে ‘অ’-এর উচ্চারণ ‘ও’-এর মতো হয়।
যেমন: দক্ষ (দোক্ খো), লক্ষণ (লোক্ খোন্)।
৩. মধ্য ‘অ’-এর আগে যদি ‘অ’ থাকে তবে সেই মধ্য ‘অ’-এর উচ্চারণ ও-এর মতো হয়ে থাকে। যেমন: যতন (জতোন্), কমল (কমোল)।
৪. মধ্য ‘অ’-এর আগে ‘আ’ থাকলে সেই মধ্য ‘অ’-এর উচ্চারণ ও-এর মতো হয়। যেমন: কানন (কানোন্), ভাষণ (ভাশোন্)।
৫. শব্দের শেষে যুক্তব্যঞ্জন থাকলে শেষের ‘অ’ সাধারণত ও-রূপে উচ্চারিত হয়। যেমন: বক্ষ (বোক্ খো), শক্ত (শক্তো)
অথবা, খ) যে কোনো পাঁচটি শব্দের শুদ্ধ উচ্চারণ লেখ:
প্রদত্ত শব্দ=>শুদ্ধ উচ্চারণ
বঞ্চিত=>বোন্ চিতো,
ভরসা=>ভরোশা,
অদ্বিতীয়=>অদ্ দিতিয়ো
অধ্যক্ষ=>ওদ্ ধোক্ খো,
লক্ষ=>লোক্ খো,
অরণ্য=>অরোন্ নো,
আহ্বান=>আওভান্
প্রভাত=>প্রোভাত্।
২. ক) বাংলা একাডেমির প্রমিত বাংলা বানানের পাঁচটি নিয়ম উদাহরণসহ লেখ। ৫
বাংলা বানানের পাঁচটি নিয়ম:
১. সকল অতৎসম শব্দের বানানে ই-কার হবে। যেমন: কাহিনি, সরকারি ইত্যাদি।
২. সকল অতৎসম শব্দের বানানে উ-কার হবে। যেমন: চুন, পুজো, পুব ইত্যাদি।
৩. অতৎসম শব্দে ‘ক্ষ’ এর স্থলে ‘খ’ হবে। যেমন: খিদে, খুর ইত্যাদি।
৪. ভাষা ও জাতিবাচক শব্দে ই-কার হবে। যেমন: জাপানি, আরবি ইত্যাদি।
৫. রেফের পর ব্যঞ্জনবর্ণের দ্বিত্ব হবে না। যেমন: কর্ম, মর্ম ইত্যাদি।
অথবা, গ) যে কোনো পাঁচটি শব্দের শুদ্ধ বানান লেখ:
প্রদত্ত শব্দ=>শুদ্ধ বানান
মনোপুত=>মনঃপূত,
আবিষ্কার=>আবিষ্কার,
শ্রদ্ধাঞ্জলী=>শ্রদ্ধাঞ্জলি,
সমিচীন=>, সমীচীন, ,,
পৈত্রিক=>পৈতৃক,
অনুসুয়া=>অনুসূয়া,
ভূবন=>ভুবন,
সুধি=>সুধী।
৩. ক) উদাহরণসহ বিশেষণ পদের শ্রেণিবিভাগ আলোচনা কর। ৫
বিশেষণ ও এর শ্রেণিবিভাগ :
বিশেষণ:
যে শব্দ দিয়ে বিশেষ্য ও সর্বনামের গুণ, দোষ, সংখ্যা, পরিমাণ, অবস্থা ইত্যাদি বোঝায়, তাকে বিশেষণ বলে। যেমন সুন্দর ফুল, বাজে কথা, পঞ্চাশ টাকা, হাজার সমস্যা, তাজা মাছ।
বিশেষণের শ্রেণিবিভাগ:
কোন কোন শ্রেণির শব্দকে বিশেষিত করে, সেই অনুযায়ী বিশেষণকে আলাদা করা যায়। বিশেষণ শব্দটি কীভাবে গঠিত হয়েছে, সেই বিবেচনায়ও বিশেষণকে ভাগ করা সম্ভব। এছাড়া বাক্যের মধ্যে বিশেষণটির অবস্থান কোথায় তা দিয়েও বিশেষণকে চিহ্নিত করা যায়। এসব বিবেচনায় বিশেষণকে নানা নামে উপস্থাপন করা যেতে পারে।
১. বর্ণবাচক:
যে বিশেষণ দিয়ে রং নির্দেশ করা হয়, তাকে বর্ণবাচক বিশেষণ বলে। যেমন নীল আকাশ, সবুজ মাঠ, লাল ফিতা এখানে ‘নীল’, ‘সবুজ’ বা ‘লাল’ হলো বর্ণবাচক বিশেষণ।
২. গুণবাচক:
যে বিশেষণ দিয়ে গুণ বা বৈশিষ্ট্য বোঝায়, তাকে গুণবাচক বিশেষণ বলে। যেমন চালাক ছেলে, ঠান্ডা পানি এখানে ‘চালাক’ ও ‘ঠান্ডা’ হলো গুণবাচক বিশেষণ।
৩. অবস্থাবাচক:
যে বিশেষণ দিয়ে অবস্থা বোঝায়, তাকে অবস্থাবাচক বিশেষণ বলে। যেমন চলন্ত ট্রেন, তরল পদার্থ এখানে ‘চলন্ত’ ও ‘তরল’ অবস্থাবাচক বিশেষণ।
৪. ক্রমবাচক:
যে বিশেষণ দিয়ে ক্রমসংখ্যা বোঝায়, তাকে ক্রমবাচক বিশেষণ বলে। যেমন এক টাকা, আট দিন এখানে ‘এক’ ও ‘আট’ ক্রমবাচক বিশেষণ।
৫. পূরণবাচক:
যে বিশেষণ দিয়ে পূরণসংখ্যা বোঝায়, তাকে পূরণবাচক বিশেষণ বলে। যেমন তৃতীয় প্রজন্ম, ৩৪তম অনুষ্ঠান এখানে ‘তৃতীয়’ ও ‘৩৪তম’ পূরণবাচক বিশেষণ।
৬. পরিমাণবাচক:
যে বিশেষণ দিয়ে পরিমাণ বা আয়তন বোঝায়, তাকে পরিমাণবাচক বিশেষণ বলে। যেমন আধা কেজি চাল, অনেক লোক এখানে ‘আধা কেজি’ ও ‘অনেক’ পরিমাণবাচক বিশেষণ।
৭. উপাদানবাচক:
যে বিশেষণ দিয়ে উপাদান নির্দেশ করে, তাকে উপাদানবাচক বিশেষণ বলে। যেমন- বেলে মাটি, পাথুরে মূর্তি এখানে ‘বেলে’ ও ‘পাথুরে’ উপাদানবাচক বিশেষণ।
৮. প্রশ্নবাচক:
যে বিশেষণ দিয়ে প্রশ্নবাচকতা নির্দেশিত হয়, তাকে প্রশ্নবাচক বিশেষণ বলে। যেমন কেমন গান? কতক্ষণ সময়? এখানে ‘কেমন’ ও ‘কতক্ষণ’ প্রশ্নবাচক বিশেষণ।
৯. নির্দিষ্টতাবাচক:
যে বিশেষণ দিয়ে বিশেষিত শব্দকে নির্দিষ্ট করা হয়, তাকে নির্দিষ্টতাবাচক বিশেষণ বলে। যেমন এই দিনে, সেই সময় এখানে ‘এই’ ও ‘সেই’ নির্দিষ্টতাবাচক বিশেষণ।
১০. ভাববাচক বিশেষণ:
যেসব বিশেষণ বাক্যের অন্তর্গত অন্য বিশেষণকে বিশেষিত করে, সেসব বিশেষণকে ভাববাচক বিশেষণ বলে। যেমন ‘খুব ভালো খবর’ ও ‘গাড়িটা বেশ জোরে চলছে’ এসব বাক্যে ‘খুব’ এবং ‘বেশ’ ভাববাচক বিশেষণ।
১১. বিধেয় বিশেষণ:
বাক্যের বিধেয় অংশে যেসব বিশেষণ বসে, সেসব বিশেষণকে বিধেয় বিশেষণ বলে। যেমন: ‘লোকটা পাগল’ বা ‘এই পুকুরের পানি ঘোলা’ বাক্য দুটির ‘পাগল’ ও ‘ঘোলা’ বিধেয় বিশেষণ।
অথবা, খ) নিচের অনুচ্ছেদ থেকে পাঁচটি বিশেষণ পদ চিহ্নিত কর:
পদ্মাসেতু আর মেট্রোরেল বাংলাদেশের দুটি যুগান্তকারী সাফল্য। প্রমত্তা পদ্মার বুকে অভাবনীয় গৌরবের প্রতীক পদ্মাসেতু। পক্ষান্তরে মেট্রোরেল ঢাকা মহানগরীর দুর্বিষহ যানজট নিরসনে নতুন সংযোজন। গৌরবময় এই দুটি সাফল্য জাতি হিসেবে বাংলাদেশকে সুদৃঢ় সাহস আর আত্মবিশ্বাসে জাগ্রত করেছে।
বিশেষণ পদ:
১. যুগান্তকারী,
২. প্রমত্তা,
৩. অভাবনীয়,
৪. দুর্বিষহ,
৫. নতুন,
৬. দুটি,
৭. সুদৃঢ়,
৪. ক) ‘উপসর্গের অর্থবাচকতা নেই কিন্তু অর্থদ্যোতকতা আছে’- আলোচনা কর। ৫
উপসর্গ:
যেসব অর্থহীন শব্দাংশ অন্য শব্দের শুরুতে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে তাকে উপসর্গ বলে।
উপসর্গের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো, ‘এর কোনো অর্থবাচকতা নেই, কিন্তু অর্থদ্যোতকতা আছে।’ প্রত্যেকটি উপসর্গ মূলত এক ধরনের শব্দাংশ। এরা কোথাও পৃথকভাবে ব্যবহৃত হয় না, কিংবা এদের নিজস্ব কোনো অর্থও নেই। ধাতু বা শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে এরা মূল শব্দ বা ধাতুর অর্থের পরিবর্তন, পরিবর্ধন, সংকোচন, সম্প্রসারণ বা তার পূর্ণতা সাধন করে। যেমন: ‘কার’ একটি শব্দ। এর সঙ্গে বিভিন্ন উপসর্গ যুক্ত হয়ে নানা নতুন শব্দ গঠিত হতে পারে-
উপসর্গ=মূল শব্দ=উপসর্গযোগে গঠিত সাধিত শব্দ
প্র+কার=>প্রকা
উপ+কার=উপকার
অধি+কার=অধিকার
অপ+কার=অপকার
বি+কার=বিকার
উপরের সাধিত শব্দগুলো থেকে প্র, উপ, অধি, অপ, বি উপসর্গগুলো পৃথক করলে তাদের আলাদা কোনো অর্থ পাওয়া যায় না। কিন্তু অন্য শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে ওই শব্দগুলোকে নানা অর্থবৈচিত্র্য দান করেছে। এভাবেই নিজস্ব অর্থহীন উপসর্গ অন্য কোনো শব্দ বা ধাতুর পূর্বে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করতে পারে বলেই বলা হয়- উপসর্গের অর্থবাচকতা নেই; কিন্তু অর্থদ্যোতকতা আছে।
অথবা, খ) যে কোনো পাঁচটি শব্দের ব্যাসবাক্যসহ সমাস নির্ণয় কর।
=>প্রদত্ত শব্দ=ব্যাসবাক্য=সমাস
=>অনৈক্য=নেই ঐক্য যার=নঞ্ বহুব্রীহি সমাস
অথবা,
=>অনৈক্য=নেই ঐক্য=নঞ্ তৎপুরুষ সমাস
=>ছেলেমেয়ে=ছেলে ও মেয়ে=দ্বন্দ্ব সমাস
=>যথারীতি=রীতিকে অতিক্রম না করে=অব্যয়ীভাব সমাস
=>দেশান্তর=অন্য দেশ=নিত্য সমাস
=>আশীবিষ=আশীতে বিষয় যার =ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি
=>মৌমাছি=মৌ (মধু) আশ্রিত মাছি=মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস
=>কুম্ভকার=কুম্ভ করে যে=উপপদ তৎপুরুষ
=>পঞ্চনদ=পঞ্চ নদের সমাহার=দ্বিগু সমাস
৫. ক) বাক্য কাকে বলে? গঠন অনুসারে বাক্যের শ্রেণিবিভাগ আলোচনা কর। ৫
বাক্য:
যে পদ বা পদ সমষ্টি দ্বারা বক্তার পূর্ণ মনোভাব প্রকাশ পায় তাকে বাক্য বলে। যেমন: আমি একাদশ শ্রেণিতে পড়ি।
গঠনগত দিক দিয়ে বাক্যকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়: সরল, জটিল ও যৌগিক।
১) সরল বাক্য:
একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকলে তাকে সরল বাক্য বলে। যেমন: জেসমিন সবার জন্য চা বানিয়েছে।
২) জটিল বাক্য:
একটি মূল বাক্যের অধীনে এক বা একাধিক আশ্রিত বাক্য বা বাক্যাংশ থাকলে জটিল বাক্য তৈরি হয়। যেমন: যদি তোমার কিছু বলার থাকে, তবে এখনই বলে ফেলো।
৩) যৌগিক বাক্য:
এক বা একাধিক বাক্য বা বাক্যাংশ যোজকের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে যৌগিক বাক্য গঠন করে। যেমন: রহমত রাতে রুটি খায় আর রহিমা খায় ভাত।
অথবা, খ) নির্দেশ অনুসারে যে কোনো পাঁচটি বাক্যান্তর কর:
প্রদত্ত বাক্য =>বাক্যান্তর
i) সে চুপ রইল। (নেতিবাচক)
=>সে কিছু বলল না।
ii) দেশপ্রেমিক ব্যক্তি দেশকে ভালোবাসে। (যৌগিক)
=>তিনি দেশপ্রেমিক, তাই দেশকে ভালোবাসেন।
iii) আমি মিথ্যা বলিনি। (অস্তিবাচক)
=>আমি সত্য বলেছি।
iv) বিদ্বানকে সবাই শ্রদ্ধা করে। (প্রশ্নবাচক)
=>বিদ্বানকে কে না শ্রদ্ধা করে?
v) স্বাস্থ্যের প্রতি যত্নশীল হওয়া উচিত। (অনুজ্ঞাসূচক)
=>স্বাস্থ্যের প্রতি যত্নশীল হও।
vi) ভোরের বাতাস নির্মল। (বিস্ময়সূচক)
=>কী নির্মল ভোরের বাতাস!
vii) শিক্ষক আসা মাত্রই শিক্ষার্থীরা উঠে দাঁড়াল। (জটিল)
=>যখন শিক্ষক আসলেন; তখনই শিক্ষার্থীরা উঠে দাঁড়াল।
viii) জননী ও জন্মভূমি কি স্বর্গের চেয়েও প্রিয় নয়? (নির্দেশাত্মক)
=>জননী জন্মভূমি স্বর্গের চেয়েও প্রিয়।
৬. ক) নিচের অনুচ্ছেদের অপপ্রয়োগ সংশোধন কর: ৫
বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবিতা বিচিত্রময়। তার শ্রেষ্ঠতম সৃষ্টি যেমন ‘বিদ্রোহী’ কবিতা, তেমনি অশ্রুজলে ভেজা অনেক বিরহের গানও তিনি লিখেছেন। তার সৃষ্টিকর্ম বাংলা ভাষাকে বৈচিত্রভাবে সমৃদ্ধ করেছে। সব শিশুরা নজরুলের কবিতা ভালোবাসে। কবির প্রতি আমাদের অকুণ্ঠ শ্রদ্ধাঞ্জলী।
শুদ্ধ অনুচ্ছেদ:
বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবিতা বিচিত্র/বৈচিত্র্যময়। তাঁর শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি যেমন ‘বিদ্রোহী’ কবিতা, তেমনি অশ্রুতে/চোখের জলে ভেজা অনেক বিরহের গানও তিনি লিখেছেন। তাঁর সৃষ্টিকর্ম বাংলা ভাষাকে বিচিত্রভাবে সমৃদ্ধ করেছে। সব শিশুই/ শিশুরা নজরুলের কবিতা ভালোবাসে। কবির প্রতি আমাদের অকুণ্ঠ শ্রদ্ধাঞ্জলি।
অথবা, খ) নিচের বাক্যগুলো শুদ্ধ করে লেখ:
প্রদত্ত বাক্য=>শুদ্ধ বাক্য
i) সাধারণ ভুল বুঝতে না পারা লজ্জস্কর।
=>সাধারণ ভুল বুঝতে না পারা লজ্জাকর।
ii) পড়ালেখার প্রতিযোগীতা থাকা ভালো।
=>পড়ালেখার প্রতিযোগিতা থাকা ভালো।
iii) দৈন্যতা কোনোকালেই প্রশংসনীয় নয়।
=> দৈন্য/দিনতা কোনোকালেই প্রশংসনীয় নয়।
iv) মামলা চালাতে গিয়ে লোকটি সর্বশান্ত হলো।
=>মামলা চালাতে গিয়ে লোকটি সর্বস্বান্ত হলো।
v) ভূল লিখতে ভুল করো না। (ভুল)
=>ভুল লিখতে ভুল করো না।
vi) সব পাখিগুলো উড়ে চলে গেল।
=>সব পাখি/ পাখিগুলো উড়ে চলে গেল।
vii) বাংলাদেশ একটি উন্নতশীল দেশ। =>বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ।
viii) মেয়েটি বিদ্যান কিন্তু ঝগড়াটে। =>মেয়েটি বিদুষী কিন্তু ঝগড়াটে।
এইচএসসি ২০২৩ চট্টগ্রাম বোর্ড বাংলা ২য় প্রশ্ন ও সমাধান
খ বিভাগ নির্মিতি
মান-৭০
৭. যে কোনো দশটি শব্দের পারিভাষিক রূপ লেখ: ১০
প্রদত্ত শব্দ =>পারিভাষিক রূপ
Walkout=>সভাবর্জন,
Vehicle=>গাড়ি/ যানবাহন,
Dialogue=>সংলাপ,
Ethics=>নীতিবিদ্যা,
Generation=>প্রজন্ম,
Highway=>রাজপথ/ প্রধান পথ,
List=>তালিকা,
Mail=>ডাক,
Plant=>উদ্ভিদ,
Manuscript=>পাণ্ডুলিপি,
Quantity=>পরিমাণ/ মাত্রা,
Renew=>নবায়ন,
Skill=>দক্ষতা,
Tradition=>ঐতিহ্য,
Urban=>শহুরে/ পৌর।
অথবা, খ) নিচের অনুচ্ছেদটি বাংলায় অনুবাদ কর:
Trees are our friends. It helps us in different ways. It gives us shade, food, fuel, medicine and oxygen. Trees make our environment beautiful. Trees are our valuable wealth. It is very much necessary to make afforestation programme successful.
বঙ্গানুবাদ :
গাছ আমাদের বন্ধু। গাছ আমাদের নানাভাবে সহায়তা করে। গাছ আমাদের ছায়া, খাদ্য, জ্বালানি, ঔষধ ও অক্সিজেন যোগায়। গাছ আমাদের পরিবেশকে সুন্দর করে তোলে। গাছ আমাদের মূল্যবান সম্পদ। (তাই) বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সফল করে তোলা খুবই জরুরি/গুরুত্বপূর্ণ।
৮. অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০২৩ এর সমাপনী দিবস নিয়ে একটি দিনলিপি রচনা কর।
অথবা, খ) তোমার কলেজে অনুষ্ঠিত বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা বিষয়ে একটি প্রতিবেদন রচনা কর।
৯. ক) ভূমিকম্পকালীন করণীয় সম্পর্কে বন্ধুর প্রতি একটি ই-মেইল রচনা কর। ১০
অথবা, খ) শিক্ষাসফরে যাওয়ার অনুমতি চেয়ে অধ্যক্ষ বরাবর একটি আবেদনপত্র রচনা কর।
১০. ক) সারাংশ লেখ: ১০
বিদ্যা মানুষের মূল্যবান সম্পদ। চরিত্র তদপেক্ষাও মূল্যবান। অতএব কেবল বিদ্বান বলিয়াই কোনো লোক সমাদর লাভের যোগ্য বলিয়া বিবেচিত হইতে পারে না। চরিত্রহীন ব্যক্তি যদি নানা বিদ্যায় আপনার জ্ঞানভাণ্ডার পূর্ণ করিয়াও থাকে, তথাপি তাহার সঙ্গ পরিত্যাগ করাই শ্রেয়। প্রবাদে আছে যে, সর্পের মাথায় মণি থাকিলেও সে ভয়ঙ্কর। সেইরূপ বিদ্যা আদরণীয় হইলেও বিদ্যা লাভের নিমিত্তে বিদ্বান দুর্জনের নিকট গমন বিধেয় নয়।
অথবা, খ) ভাব-সম্প্রসারণ কর:
পথ পথিকের সৃষ্টি করে না, পথিকই পথের সৃষ্টি করে।
১১. ক) একটি ঐতিহাসিক স্থান সম্পর্কে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর। ১০
অথবা, খ) গ্রীষ্মকালীন ছুটিতে গ্রামের বাড়িতে বেড়ানো বিষয়ে একটি খুদে গল্প রচনা কর।
১২। নিচের যে কোনো একটি বিষয়ে প্রবন্ধ রচনা কর: ২০
ক) দেশপ্রেম
খ) দৈনন্দিন জীবনে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
গ) অধ্যবসায়
ঘ) বাংলাদেশের সাম্প্রতিক উন্নয়ন
ঙ) নারীর ক্ষমতায়ন।
(উপকৃত হলে কিংবা কনফিউশান থাকলে দয়া করে কমেন্ট করবেন। ভুল ধরিয়ে দিতে পারলে চিরকৃতজ্ঞ থাকব। পরামর্শ দিয়ে পাশে থাকবেন, ইনশাআল্লাহ্।)
- এইচএসসি ব্যাকরণ অংশের টোপিকভিত্তিক বোর্ড প্রশ্ন সমাধান একসাথে (২০১৬-২০২৫)
- এইচএসসি বাংলা ২য় পত্র সকল বোর্ড প্রশ্ন ও সমাধান (২০১৮-২০২৫)
- আলিম বাংলা ২য় বোর্ড প্রশ্ন ও সমাধান (২০১৮-২০২৪)
- এসএসসি বাংলা ২য় পত্র সকল বোর্ড প্রশ্ন ও সমাধান (২০২০-২৫)
- মাদ্রাসা বোর্ডের দাখিল বাংলা ২য় প্রশ্ন ও সমাধান (২০২০-২০২৫)
- ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষার বাংলা প্রশ্ন (২০০৮-২০২৫)
