Cadet College admission 2012 Bangla question
ক্যাডেট কলেজ ভর্তি ২০১২ বাংলা প্রশ্ন
পূর্ণমান: ৪০
ক. নিচের প্রশ্নের উত্তর দাও: ১০×২=২০
১. ‘বাঘে মহিষে এক ঘাটে জল খায়’ কোন কর্তা?
২. ‘বাবাকে বড্ড ভয় পাই। কোন কারকে কোন বিভক্তি?
৩. ‘পাতিহাস’ এর ‘পাতি’ কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
৪. ‘হাসেম কিংবা কাশেম’ এখানে ‘কিংবা’ কোন যোজক?
৫. ‘মা, আমি চলে যাচ্ছি’ -ছেলেটি কোথায় যাচ্ছে?
(ক) মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিতে
(খ) ভাষা আন্দোলনে অংশ নিতে
(গ) বাঙ্কারে যেতে
(ঘ) সিনেমা দেখতে
৬. প্রমিত ও সাধু ভাষায় মূল পার্থক্য কোন কোন পদে?
(ক) বিশেষ্য ও সর্বনাম
(খ) সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ
(গ) ক্রিয়া ও বিশেষণ
(ঘ) বিশেষ্য ও ক্রিয়া
৭. ‘নীলনদ আর পিরামিডের দেশ’ -কোন গ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে?
(ক) দেশে বিদেশে
(খ) জলে ডাঙায়
(গ) দেশ ভ্রমণ
(ঘ) ভ্রমণের অভিজ্ঞতা
৮. রানু ভাত খায়, এখানে ‘রানু’ এর ভূমিকা কী?
(ক) কর্তা
(খ) কর্ম
(গ) ক্রিয়া
(ঘ) সম্বোধন পদ
৯. ‘হিমালয়’ কোন বিশেষ্যবাচক পদ?
(ক) নামবাচক
(গ) ভাববাচক
(খ) জাতিবাচক
(ঘ) সমষ্টিবাচক
১০. ‘বাবুর জীবন ষোল আনাই মিছে’ -কেন?
(ক) জ্ঞান নেই বলে
(খ) বেশি কথা বলার জন্য
(গ) সাঁতার জানেন না বলে
(ঘ) গর্ব করেন বলে
১১. কোন শব্দটির সঠিক বহুবচন হয়নি?
(ক) তারকারাজি
(খ) গল্পগুচ্ছ
(গ) ফুলকুল
(ঘ) হস্তিযূথ
১২. অন্ধকার এর প্রতিশব্দ কোনটি?
(ক) অগ্নি
(গ) পাবক
(খ) তিমির
(ঘ) চিকুর
১৩. ‘১৯৭১ সালে আমাদের মুক্তিযুদ্ধ হয়’ -কোন কালের উদাহরণ?
(গ) সাধারণ অতীত
(ক) সাধারণ বর্তমান
(খ) ঐতিহাসিক বর্তমান
(ঘ) সাধারণ ভবিষ্যৎ
১৪. “আমরা রোজ বিকালে খেলতে যেতাম।” -কোন কালের উদাহরণ?
(ক) নিত্য অতীত
(খ) সাধারণ অতীত
(গ) ঘটমান অতীত
(ঘ) পুরাঘটিত অতীত
১৫. হস্তী এর প্রতিশব্দ কোনটি?
(ক) অর্ক
(খ) কুঞ্জর
(গ) কায়া
(ঘ) হয়
১৬. সম্রাট এর নারীবাচক কী?
১৭. নিষ্ফল এর সন্ধি বিচ্ছেদ লিখ।
১৮. ‘ননীর পুতুল’ বাগধারার অর্থ লিখে বাক্য রচনা কর।
• ১৯. কোন দুটি বর্ণ উচ্চারণের সময় নাকে বাঁশির মত অনুরণিত হয়?
(ক) ড়, ঢ়
(গ) স, য
(খ) ঞ, ণ
(ঘ) ল, ব
২০. হিলারি আর তেনজিং কয়টার সময় যাত্রা শুরু করলেন?
(ক) দুপুর আড়াইটা
(গ) সাড়ে এগারটা
(খ) সাড়ে ছয়টা
(ঘ) সকাল নয়টা
২১. প্রাকৃতিক দুর্যোগ বিষয়ে একটি অনুচ্ছেদ রচনা কর। ১০

২২. অভিধান (Dictionary) বিষয়ে একটি অনুচ্ছেদ রচনা কর। ১০
ক্যাডেট কলেজ ভর্তি ২০১২ বাংলা প্রশ্নের উত্তর মালা
১. ব্যতিহার কর্তা।
২. অপাদান কারকে ‘কে’ বিভক্তি।
৩. ক্ষুদ্র অর্থে।
৪. বিকল্প যোজক।
৫. (ক) মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিতে।
৬. (খ) সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ।
৭. (খ) জলে ডাঙায়।
৮. (ক) কর্তা।
৯. (ক) নামবাচক।
১০. (গ) সাঁতার জানেন না বলে।
১১. (গ) ফুলকুল।
১২. (খ) তিমির।
১৩. (খ) ঐতিহাসিক বর্তমান।
১৪. (ক) নিত্য অতীত।
১৫. (খ) কুঞ্জর।
১৬. সম্রাজ্ঞী।
১৭. নিঃ + ফল।
১৮. শ্রমবিমুখ- ছেলেটা একেবারে ননীর পুতুল, একটু পরিশ্রমেই হাঁপিয়ে উঠে।
১৯. (খ) ঞ, ণ।
২০. (খ) সাড়ে ছয়টা।
২১. প্রাকৃতিক দুর্যোগ
বাংলাদেশে প্রতি বছরই কমবেশি বন্যা হয়। বাংলাদেশের প্রধান তিনটি নদী। নদীগুলো হলো- পদ্মা, মেঘনা, যমুনা। আর এই নদীগুলোর উৎপত্তিস্থল হল বেশির ভাগ ভারতে। এসব নদ-নদী হিমালয়ের বরফগলা ও উজানে বৃষ্টিপাতের ফলে সৃষ্ট বিপুল পানি প্রবাহ বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত বঙ্গোপসাগরে পড়ে। বৃষ্টির পানি ও পাহাড় থেকে নেমে আসা পানি এক সঙ্গে মিশে নদীগুলোর পানি উপচে দু-কূলের জনপদকে প্লাবিত করে। এভাবে বন্যার সৃষ্টি হয়। চিত্রে যে দৃশ্যটি দেওয়া আছে তা থেকে এটুকু বুঝা যায় যে, বন্যায় সর্বহারা মানুষ। তারা তাদের সবকিছু হারিয়ে সর্বশান্ত হয়ে বসে আছে। তারা তাদের জীবনকে গতিময় করার জন্য আশ্রয়ের খোঁজে ব্যস্ত। অনেক মানুষ কাজ হারিয়ে বেকার হয়ে বসে আছে। কারণ বন্যায় পানি উপচে মাঠ, ঘাট সব তলিয়ে দেয়। ফসলের অনেক ক্ষতি করে। যার ফলে বন্যা কবলিত জনগণকে অনেক কষ্টে জীবনযাপন করতে হয়। আমাদের দেশে ১৯৮৮, ১৯৯৮, ২০০৪ ও ২০০৭ সালে অনেক বড় আকারের বন্যা হয়েছে। বর্তমানে বিশেষজ্ঞরা বলেন, বন্যা একেবারে প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়। তবে বন্যায় ক্ষয়ক্ষতি কমানো সম্ভব।
২২. অভিধান
অভিধান শব্দটির অর্থ হলো- নাম, উপাধি বা শব্দকোষ যা ওভিধান শব্দ থেকে এসেছে। আমাদের বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একসময় অত্যন্ত কৌতূহলের সাথে এই অভিধানের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে। আজকের এই প্রচলিত অভিধানগুলোর পেছনে তাঁর অনুপ্রেরণা অনেক। কার্যকরী ভূমিকা পালন করে আসছে। অভিধান হলো এমন একটি মাধ্যম যা পড়ে আমরা আমাদের জ্ঞানের ভাণ্ডারকে আরও মজবুত করে গড়ে তুলতে পারি। কারণ এতে নতুন নতুন অনেক অজানা শব্দের অর্থ দেওয়া থাকে যেসব শব্দের অর্থগুলো আমরা সব সময় মনে রাখতে পারি না। আমরা অভিধান থেকে সেই শব্দগুলোর অজানা অর্থ খুব সহজেই বের করে নিতে পারি। তাছাড়া উচ্চারণ অভিধানগুলো আমাদের অনেক শব্দের ভুল উচ্চারণ যাতে আমরা সঠিকভাবে বলা ও পড়ায় ব্যবহার করতে পারি তাতে অনেক ভূমিকা পালন করে। যার ফলে যে কোন কঠিন শব্দের সঠিক উচ্চারণ ও অর্থ জেনে আমরা আমাদের জ্ঞানের ভাণ্ডারকে প্রতিনিয়ত নতুন নতুনভাবে দৈনন্দিন জীবনের সকল প্রকার কাজকর্মে অত্যন্ত সুন্দরভাবে উপস্থাপন করতে পারি। আর অভিধান থেকে পাওয়া অনেক অজানা শব্দের অর্থ দিয়ে আমরা ভাষাকে সুন্দর ও সমৃদ্ধ করে প্রকাশ করতে পারি। ফলে পড়ার ভাষা সহজ, সরল ও প্রাঞ্জল হয়ে উঠে। ফলে তা সহজেই আমরা পড়ে মনে রাখতে পারি। আর এজন্যই বলা যায় যে, দৈনন্দিন জীবনে ভাষার জগতে ‘অভিধান’ অজানা শব্দের নতুন অর্থ জানতে কঠিন ও সহজ শব্দের শুদ্ধ উচ্চারণ জেনে জ্ঞানের ভাণ্ডারকে সমৃদ্ধশালী করে তুলতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
তাই আমরা বলব যে, ভাষার জগতে অভিধানের গুরুত্ব অনেক যা বলে শেষ করা যায় না।
(উপকৃত হলে কিংবা কনফিউশান থাকলে দয়া করে কমেন্ট করবেন। ভুল ধরিয়ে দিতে পারলে চিরকৃতজ্ঞ থাকব। পরামর্শ দিয়ে পাশে থাকবেন, ইনশাআল্লাহ্।)
ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষার বাংলা প্রশ্ন (২০০৮-২০২৫)
এসএসসি বাংলা ২য় পত্র সকল বোর্ড প্রশ্ন ও সমাধান (২০২০-২৫)
